নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সোমবার উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম ভাষার পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই শেষ হল। সকাল থেকে রাস্তায় বাড়তি পুলিস ছিল। বহরমপুর শহরে বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী টোটোয় পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছয়। ফলে বেশ কিছু রাস্তায় বাড়তি ভিড় দেখা যায়। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রায় ১২-১৪জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
Advertisement
জেলায় ১১৮টি কেন্দ্রে প্রায় ৪২হাজার পড়ুয়া পরীক্ষা বসেছে। বেশ কিছু বিদ্যালয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির পরই পরীক্ষার্থীরা হলে ঢুকতে পেরেছে। সোমবার সকালে রঘুনাথগঞ্জের একাধিক স্কুলে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী মহম্মদ আখরুজ্জামান। মন্ত্রী তাঁদের হাতে পরীক্ষার সরঞ্জাম, জলের বোতল তুলে দেন। মন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়াদের জীবনে অন্যতম বড় পরীক্ষা। তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। সবাই নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পেরেছে।
এদিন বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা ছাত্র ধর্মঘটের জেরে অভিভাবকরা কিছুটা চিন্তিত ছিলেন। তবে কোনও পরীক্ষার্থী যাতে সমস্যায় না পড়ে সেজন্য রাস্তায় বাড়তি পুলিস মোতায়েন করা হয়েছিল। জঙ্গিপুর মহকুমায় প্রায় নির্বিঘ্নেই প্রথমদিনের পরীক্ষা শেষ হয়। কান্দি মহকুমাজুড়েও কোনও সমস্যা হয়নি। তবে সালার থানার সোনারুন্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে এক ছাত্রী পরীক্ষা শুরুর আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পর্ষদের নিয়ম মেনে সালার গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁর পরীক্ষা নেওয়া হয়। লালবাগ মহকুমাতেও নির্বিঘ্নে উচ্চমাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষা শেষ হয়। পরীক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে আয়েসবাগ বিদ্যাপীঠের গেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন লালবাগের মহকুমা শাসক বনমালী রায় ও মহকুমা পুলিস আধিকারিক আকুলকর রাকেশ মহাদেব। তাঁরা পরীক্ষার্থীদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দেন। নবগ্রামের পাথরডাঙার একটি মাদ্রাসার ছাত্রী নবগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে নবগ্রাম ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সে পরীক্ষা দিতে পারেননি।
বীরভূমের ছেতনকান্দি গ্রামের বাসিন্দা এক পরীক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট নিয়ে নবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হয়েছিল। প্রসাদপুর রামরঞ্জন হাইস্কুলের ওই ছাত্রী হাসপাতালে পরীক্ষা দেয়।
ডোমকল মহকুমার প্রতিটি স্কুলে প্রথমদিনের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে হয়েছে। বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে স্ক্যান করে পরীক্ষার্থীদের হলে ঢোকানো হয়। সাগরপাড়া হাইস্কুলের এক ছাত্রীর সেন্টার পড়েছিল জলঙ্গির ঘোষপাড়া সর্বপল্লী বিদ্যানিকেতনে। সে অ্যাডমিট ও রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ভুল করে বাড়িতে ফেলে আসায় পুলিস গাড়িতে করে ওই ছাত্রীকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে সেসব নথি নিয়ে আসে। এরপর ওই ছাত্রী পরীক্ষা দেয়।
জেলা প্রশাসনের আধিকারিক(ডিপিও, এসএসএম) এশা ঘোষ বলেন, জেলার প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা হয়েছে। দু’একজন পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্ষদের নিয়ম মেনে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
এদিন বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা ছাত্র ধর্মঘটের জেরে অভিভাবকরা কিছুটা চিন্তিত ছিলেন। তবে কোনও পরীক্ষার্থী যাতে সমস্যায় না পড়ে সেজন্য রাস্তায় বাড়তি পুলিস মোতায়েন করা হয়েছিল। জঙ্গিপুর মহকুমায় প্রায় নির্বিঘ্নেই প্রথমদিনের পরীক্ষা শেষ হয়। কান্দি মহকুমাজুড়েও কোনও সমস্যা হয়নি। তবে সালার থানার সোনারুন্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে এক ছাত্রী পরীক্ষা শুরুর আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পর্ষদের নিয়ম মেনে সালার গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁর পরীক্ষা নেওয়া হয়। লালবাগ মহকুমাতেও নির্বিঘ্নে উচ্চমাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষা শেষ হয়। পরীক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে আয়েসবাগ বিদ্যাপীঠের গেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন লালবাগের মহকুমা শাসক বনমালী রায় ও মহকুমা পুলিস আধিকারিক আকুলকর রাকেশ মহাদেব। তাঁরা পরীক্ষার্থীদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দেন। নবগ্রামের পাথরডাঙার একটি মাদ্রাসার ছাত্রী নবগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে নবগ্রাম ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সে পরীক্ষা দিতে পারেননি।
বীরভূমের ছেতনকান্দি গ্রামের বাসিন্দা এক পরীক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট নিয়ে নবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হয়েছিল। প্রসাদপুর রামরঞ্জন হাইস্কুলের ওই ছাত্রী হাসপাতালে পরীক্ষা দেয়।
ডোমকল মহকুমার প্রতিটি স্কুলে প্রথমদিনের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে হয়েছে। বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে স্ক্যান করে পরীক্ষার্থীদের হলে ঢোকানো হয়। সাগরপাড়া হাইস্কুলের এক ছাত্রীর সেন্টার পড়েছিল জলঙ্গির ঘোষপাড়া সর্বপল্লী বিদ্যানিকেতনে। সে অ্যাডমিট ও রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ভুল করে বাড়িতে ফেলে আসায় পুলিস গাড়িতে করে ওই ছাত্রীকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে সেসব নথি নিয়ে আসে। এরপর ওই ছাত্রী পরীক্ষা দেয়।
জেলা প্রশাসনের আধিকারিক(ডিপিও, এসএসএম) এশা ঘোষ বলেন, জেলার প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা হয়েছে। দু’একজন পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্ষদের নিয়ম মেনে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।



