Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নির্বাচনে অংশ নিয়ে খুশি খুদে পড়ুয়ারা

নির্বাচনে অংশ নিয়ে খুশি খুদে পড়ুয়ারা
  • ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, ইটাহার: ‘কেন্দ্র ও রাজ্য পুলিসের’ নিরাপত্তায় শিশু সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ হয়ে উঠল কার্যত ভোট গ্রহণ কেন্দ্র। ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে যা যা দরকার সবই ছিল ইটাহারের কোয়ারপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, ভোটার স্লিপ, ভোটগ্রহণ কক্ষ সহ সংসদীয় নির্বাচনের যাবতীয় নিয়মাবলী। ভোটের ফলাফলে জয়ীরা হবে পূর্ণমন্ত্রী ও রাষ্ট্রমন্ত্রী। সংসদীয় কাঠামোয় কীভাবে ভোট হয়, তা চাক্ষুষ করার সুযোগ পেল খুদেরা। যারা আগামী দিনে দেশের নাগরিক হয়ে উঠবে। কোয়ারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭ দিন আগে থেকে শুরু হয় ভোটের প্রস্তুতি। সেইমতো নমিনেশন জমা, তোলা, নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেয় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়ারা। শুক্রবার ছিল ভোটগ্রহণের দিন। ভোটে ১৭ জন প্রার্থী ছিল। তার মধ্যে ৯ জন ছাত্র ও ৮ জন ছাত্রী। ভোটার ১০৫ জন। ভোট পড়ে ১০৫ টি। ভোটশেষে ব্যালট বাক্স খুলে দেখা যায় ৯ টি ব্যালট বাতিল হয়েছে। এদিন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ছিল কড়া ‘নিরাপত্তা’। ভোট পরিচালনা করে স্কুলের প্রাক্তন ৬ পড়ুয়া। ছিল প্রিসাইডিং অফিসার। স্কুল খোলার পর থেকে বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে একে একে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেয় পড়ুয়ারা। ঘরের এক কোণে ছিল ব্যালট বাক্স। ছিল পোলিং এজেন্টও। ভোটার স্লিপ হাতে নিয়ে একে একে ভোট গ্রহণ কক্ষে ঢোকে কড়া নিরাপত্তায়। একটি সংসদীয় নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যেমন দেখা যায় ঠিক তেমনই ছিল এদিনের শিশু সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া। শেষে ব্যালট বাক্স সিল করে প্রধান শিক্ষকের হাতে জমা দেয় ভোট কর্মীরা। খুদে পড়ুয়া সুলেখা খাতুন ও সাওয়াজ আফ্রিদি জানায়,বড় হয়ে কীভাবে ভোট দেব, তা জানতে পারলাম। শিশু সংসদ নির্বাচন শেষে ৮ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ৯ জন রাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাচিত হবে। তারাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মূলত স্কুলের পড়ুয়াদের পরবর্তীতে পরিচালনা করবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আজাহারুল ইসলাম জানান, পড়ুয়াদের ইচ্ছায় এই কর্মসূচির আয়োজন। এখান থেকে আগামীদিনে সমাজ গঠনে শিক্ষা পাবে পড়ুয়ারা। ইটাহার চক্রের এসআই বিপ্লব বিশ্বাস জানান, পড়ুয়া ও স্কুল কর্তৃপক্ষের এই অভিনব উদ্যোগ অন্য স্কুলকে শিক্ষা দেবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ