নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালে বসেই শিলিগুড়িতে ব্রাউন সুগারের কারবার নিয়ন্ত্রণ করছেন ‘ভাবিজান’। নকশালবাড়ি রেল স্টেশন থেকে মাদক উদ্ধারের মামলা নিয়ে তদন্তে নেমে এমন অনুমান করছে রেল পুলিস। তারা ফেরার ‘ভাবিজানের’ স্বামী দুলাল বর্মনকে হেফাজতে নিতে তৎপর। এজন্য শনিবার তারা আদালতের কাছে অভিযুক্তকে শ্যুন অ্যারেস্ট করার আবেদন জানিয়েছে। এদিকে, শিলিগুড়ির কোকেন কাণ্ড নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। এদিন তারা আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তভার নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।
Advertisement
২ অক্টোবর নকশালবাড়ি রেল স্টেশন থেকে ব্রাউন সুগার সহ দুই পাচারকারীকে ধরে রেল পুলিসের হাতে তুলে দেয় এসএসবি। ধৃতদের নাম সারিফুদ্দিন ও হাসিমুদ্দিন। শিলিগুড়ি জংশন জিআরপি থানায় ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়। ধৃতদের জেরা করে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিস খড়িবাড়ির এক দম্পতির নাম জানতে পারে।
রেল পুলিস সূত্রের খবর, ওই দম্পতির গ্যাংয়ের মাস্টার মাইন্ড ভাবিজান। সে সম্ভবত নেপালে ঘাঁটি নিয়েছে। সেখান থেকেই ব্রাউন সুগারের কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে তার স্বামী দুলাল বর্মন মাদক কারবারের জগতে ‘দাদা’ হিসেবে পরিচিত। কিছুদিন আগে তাকে পাকড়াও করে ভক্তিনগর থানার পুলিস। আদালতের নির্দেশে সে এখন জেলে বন্দি। তাকে শ্যুন অ্যারেস্ট করার চেষ্টা চলছে। এজন্যই শিলিগুড়ির এনডিপিএস কোর্টে আবেদন জানানো হয়েছে।
রেল পুলিসের এক কর্তা জানান, দুলালকে হেফাজতে পেলে স্টেশন থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনার তদন্ত অনেকটাই গুঁটিয়ে আনা সম্ভব হবে। তাছাড়া, দুলালের কাছ থেকেই মিলতে পারে ভাবিজানের প্রকৃত গতিবিধি।
অন্যদিকে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে শিলিগুড়ি শহর থেকে কোটি টাকার কোকেন সহ বস্ত্র ব্যবসায়ী সরতাজ আলম ওরফে আলি ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতের কাছ থেকে আরও কয়েকজনের নাম পেলেও পুলিস নতুন করে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমন প্রেক্ষাপটে মামলাটি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে এসটিএফ। শনিবার তারা মামলাটি নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন শিলিগুড়ির এনডিপিএস কোর্টে জানায়। তা মঞ্জুর করেছে আদালত।
মামলার সরকারপক্ষের আইনজীবী নিলয় রায় বলেন, কোকেন উদ্ধারের মামলায় ধৃতকে আট দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল এসটিএফ। জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত ধৃতকে পাঁচ দিনের জন্য এসটিএফের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত করবে এসটিএফ।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার শহরের ডাঙিপাড়া থেকে ৯৩ গ্রাম কোকেন সমেত আলি ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। আদালতের নির্দেশে ধৃত এতদিন পর্যন্ত শিলিগুড়ি পুলিসের হেফাজতে ছিল। এদিন ধৃতের রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হয়। পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রের খবর, আলি ভাইয়ের সঙ্গে কোকেনের কারবারে আরও কয়েকজন জড়িত। যাদের নেটওয়ার্ক উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে নেপাল পর্যন্ত বিস্তৃত। তাই ঘটনার গুরুত্ব বিচার করেই এসটিএফ মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব নিজেদের হাতে নিয়েছে।
রেল পুলিস সূত্রের খবর, ওই দম্পতির গ্যাংয়ের মাস্টার মাইন্ড ভাবিজান। সে সম্ভবত নেপালে ঘাঁটি নিয়েছে। সেখান থেকেই ব্রাউন সুগারের কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে তার স্বামী দুলাল বর্মন মাদক কারবারের জগতে ‘দাদা’ হিসেবে পরিচিত। কিছুদিন আগে তাকে পাকড়াও করে ভক্তিনগর থানার পুলিস। আদালতের নির্দেশে সে এখন জেলে বন্দি। তাকে শ্যুন অ্যারেস্ট করার চেষ্টা চলছে। এজন্যই শিলিগুড়ির এনডিপিএস কোর্টে আবেদন জানানো হয়েছে।
রেল পুলিসের এক কর্তা জানান, দুলালকে হেফাজতে পেলে স্টেশন থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনার তদন্ত অনেকটাই গুঁটিয়ে আনা সম্ভব হবে। তাছাড়া, দুলালের কাছ থেকেই মিলতে পারে ভাবিজানের প্রকৃত গতিবিধি।
অন্যদিকে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে শিলিগুড়ি শহর থেকে কোটি টাকার কোকেন সহ বস্ত্র ব্যবসায়ী সরতাজ আলম ওরফে আলি ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতের কাছ থেকে আরও কয়েকজনের নাম পেলেও পুলিস নতুন করে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমন প্রেক্ষাপটে মামলাটি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে এসটিএফ। শনিবার তারা মামলাটি নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন শিলিগুড়ির এনডিপিএস কোর্টে জানায়। তা মঞ্জুর করেছে আদালত।
মামলার সরকারপক্ষের আইনজীবী নিলয় রায় বলেন, কোকেন উদ্ধারের মামলায় ধৃতকে আট দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল এসটিএফ। জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত ধৃতকে পাঁচ দিনের জন্য এসটিএফের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত করবে এসটিএফ।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার শহরের ডাঙিপাড়া থেকে ৯৩ গ্রাম কোকেন সমেত আলি ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। আদালতের নির্দেশে ধৃত এতদিন পর্যন্ত শিলিগুড়ি পুলিসের হেফাজতে ছিল। এদিন ধৃতের রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হয়। পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রের খবর, আলি ভাইয়ের সঙ্গে কোকেনের কারবারে আরও কয়েকজন জড়িত। যাদের নেটওয়ার্ক উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে নেপাল পর্যন্ত বিস্তৃত। তাই ঘটনার গুরুত্ব বিচার করেই এসটিএফ মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব নিজেদের হাতে নিয়েছে।



