Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এবার শুনানির ডাক পেলেন নওদার তৃণমূলের বিধায়ক

তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা বিধায়ককে এসআইআরের শুনানিতে ডাকা হল।

এবার শুনানির ডাক পেলেন নওদার তৃণমূলের বিধায়ক
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা বিধায়ককে এসআইআরের শুনানিতে ডাকা হল। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও নওদার বিধায়ককে মঙ্গলবার দুপুরে বিডিও অফিসে হিয়ারিংয়ে হাজির হতে হয়। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির কারণ দেখিয়ে তাঁকে শুনানির নোটিস ধরানো হয়েছে। এই ঘটনায় কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক শাহিনা মমতাজ খান। তিনি বলেন, চক্রান্ত করে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন আমাকে নোটিস ধরিয়েছে। আমি জেলা পরিষদ থেকে বিধানসভা ভোটে কয়েকবার নির্বাচিত হয়েছি। নির্বাচন কমিশনের কাছে সমস্ত নথিপত্র রয়েছে। তবুও আমাকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

নোটিসে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী এসআইআরের সময় ভোটার তালিকার সঙ্গে নামের কোনও মিল না থাকায় বা ভুল থাকার পরিপ্রেক্ষিতে  হিয়ারিংয়ে হাজিরা দিতে হবে। নিজের নামের পরিবর্তনের সপক্ষে আসল নথিপত্র সহ নওদা বিডি অফিসে তাঁকে উপস্থিত হতে বলা হয়। নোটিস পাওয়ার পর এদিন নিয়ম মেনে বিডিও অফিসে যান তৃণমূল বিধায়ক। হিয়ারিংয়ের জন্য দু’ঘণ্টা বিডিও অফিসে অপেক্ষা করেন। এদিন সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নিজের হয়রানি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছেন বিধায়ক।

বিধায়ক বলেন, কমিশনের এই বিবেচনাহীন নীতি নির্ধারণের জন্য মানুষ ভীষণভাবে ভুগছে। এক একজন ভোটারকে দু’-তিনবার করে হাজির হতে হচ্ছে। আমার বিয়ের আগে পদবি ছিল ‘বেগম’। এখন ‘খান’ করেছি। তাই আমার নোটিস আসে। আমি একাধিকবার জনপ্রতিনিধি হয়েছি। আমার সমস্ত নথিপত্র নির্বাচন কমিশনের কাছে আছে। তা সত্ত্বেও কমিশন হিয়ারিংয়ে ডেকেছে। নামের সমস্ত ডকুমেন্ট নিয়ে যাই। তবে, হিয়ারিং শেষে রিসিভ কপি দিচ্ছিল না। তারপর বিডিওকে বলে রিসিভ কপি নিলাম। সাধারণ মানুষকে রিসিভ কপি দেওয়া হচ্ছে না।

যদিও এই ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের দাবি, ভুয়ো ভোটাররাই শুধু নয়, নাম-পদবি ভুল থাকা ব্যক্তিরাও তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি হয়। বিজেপির রাজ্য কমিটির সম্পাদক শাখারভ সরকার বলেন, কমিশন সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এসআইআর প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। যাঁরা ভুয়ো ভোটার, তাঁদের নামে নোটিস এসেছে। এই জেলায় বহু মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম ছিল, অথচ তাঁদের অস্তিত্ব নেই। তাঁরাই এতদিন তৃণমূলের হয়ে ভোট দিয়ে এসেছে, এমন লক্ষাধিক ভোটারের নাম বাদ দিয়েছে কমিশন।  এখন লজিকাল ডিসক্রিপেন্সিতে যাঁদের সমস্যা আছে, তাঁদের ডেকে পাঠিয়ে কমিশন হিয়ারিং করছে। সেখানে বিধায়ক হোক কিংবা কোনও তৃণমূল নেতা, যাঁদের নথিপত্রে ভুল থাকবে সকলকেই ডাকা হবে। এটা নিয়ে বাজার গরম করার কিছু হয়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ