Bartaman Logo
২৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুতরঙ্গি খালের সেতুর গার্ডওয়াল নেই, বর্ষায় চলাচলে সমস্যা

ঝাড়গ্রাম ব্লকের ছোট চাঁদাবিলা গ্ৰামে পুতরঙ্গি খালের উপর কংক্রিটের সেতু তৈরি হয়েছে। কিন্তু জমি জটে আটকে গিয়েছে উত্তর-পূর্ব দিকের গার্ড ওয়ালের নির্মাণ। সেতুর পাশ দিয়ে খালের জল বয়ে গেলে সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করা যাবে না।

পুতরঙ্গি খালের সেতুর গার্ডওয়াল নেই, বর্ষায় চলাচলে সমস্যা
  • ৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম ব্লকের ছোট চাঁদাবিলা গ্ৰামে পুতরঙ্গি খালের উপর কংক্রিটের সেতু তৈরি হয়েছে। কিন্তু জমি জটে আটকে গিয়েছে উত্তর-পূর্ব দিকের গার্ড ওয়ালের নির্মাণ। সেতুর পাশ দিয়ে খালের জল বয়ে গেলে সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করা যাবে না। জেলা পরিষদের অচলাবস্থায় সেতুর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পুতরঙ্গি খালের ওপর ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়। জুন মাসের মধ্যেই সেতু তৈরি সম্পূর্ণ হয়ে যায়। তিনদিকের গার্ড ওয়াল তৈরির কাজও হয়ে গিয়েছে। জমি জটে আটকে গিয়েছে উত্তর-পূর্ব দিকের কাজ। বর্ষায় খালে তীব্র গতিতে জলের স্রোত বয়ে যায়। গার্ড ওয়াল তৈরি না হলে সেতুর পাশ দিয়ে জলের স্রোত বয়ে গেলে কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি সেতু ব্যবহার করা যাবে না। জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে ১ কোটি ২২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতুর কাজ চলছে। 

Advertisement

২০১৮ সালে বর্ষার সময় সেতুটি ভেঙে যায়। বর্ষার সময় কাঠের সাঁকো তৈরি করে এতদিন পারাপার চলছিল। জলের স্রোত বাড়লে সেই সাঁকো ভেঙে যেত। চাঁদাবিলা, বড় পিঁপড়ি, পাচামি সহ দশটি গ্ৰামের মানুষ যাতায়াতের সমস্যায় পড়ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা সেতু তৈরির জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। চলতি বছরেই সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডির বিরুদ্ধে ১২ জন সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব জমা করেছেন। সহ সভাধিপতি অঞ্জলি রায় দলই ইস্তফা দিয়েছেন। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নিশীথ মাহাতো বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। ঠিকাদার সংস্থা বিপাকে পড়েছে। ঠিকাদার সংস্থার পক্ষে রাজীব মাহাতো বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেতু ও তিনটি গার্ড ওয়ালের কাজ হয়ে গিয়েছে। জমি জটে একটি গার্ড ওয়ালের কাজ আটকে গিয়েছে। গার্ড ওয়াল তৈরি না হলে খালের জল পাড়ে ধস নামিয়ে পাশ দিয়ে বয়ে যেতে পারে। তাহলে সেতুটি আর ব্যবহার করা যাবে না। জেলা পরিষদ ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সাপধরা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিবেদিতা মাহাতো বলেন, কিছুদিন আগে সেতুর কাজ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। তখন কাজ চলছিল। সমস্যার কথা পঞ্চায়েতকে বলা হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। জেলা পরিষদ সূত্রের খবর, জট কাটানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবারই ঠিকাদার সংস্থা নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ শুরু করবে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ