Bartaman Logo
২৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

এবার চীনের কাছ থেকে ‘জে-১০সিই’ ফাইটার জেট কেনার পথে বাংলাদেশও, অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান

বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে ২৪টি জে-১০সিই ফাইটার জেট কেনার পথে। এই সামরিক চুক্তি ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিতে বিশেষ প্রভাব ফেলবে। বিস্তারিত পড়ুন।

এবার চীনের কাছ থেকে ‘জে-১০সিই’ ফাইটার জেট কেনার পথে বাংলাদেশও, অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান
  • ২৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পাকিস্তানের পর এবার বাংলাদেশ। এবার চীনের কাছ থেকে জে-১০সিই ফাইটার জেট কিনতে চলেছে ঢাকাও। অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন ভারতের বিরুদ্ধে এই চীনা যুদ্ধবিমানই ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের দাবি, বেজিংয়ের কাছ থেকে মোট ২৪টি অত্যাধুনিক জে-১০সিই বিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে তারেক রহমানের সরকার। চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। আগস্টের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা ঢাকার। বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বড়ো সামরিক চুক্তি হতে চলেছে এটি। এমনিতে ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তির নিরিখে বাংলাদেশের এই সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে বিশেষ উদ্বেগের কিছু নেই নয়াদিল্লির। তবে, পশ্চিম সীমান্তে পাকিস্তানের পর পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশেও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিশ্চিতভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement

‘ফোর্স গোল ২০৩০’ কর্মসূচির আওতায় সামরিক বাহিনীর আধুনিকীকরণে নেমেছে বাংলাদেশ। ছোট অস্ত্র ও ট্যাংক থেকে শুরু করে সাবমেরিন ও ফ্রিগেট পর্যন্ত ব্যাপক পরিসরে সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে ঢাকা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রধান সরবরাহকারী হিসাবে চীনের নাম সামনে আসছে। এবার বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র বহনে সক্ষম জে-১০সিই চীনা ফাইটার জেট হাতে এলে বাংলাদেশের সামরিক অভিযান চালানোর দক্ষতা নিশ্চিতভাবেই বাড়বে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে খবর, প্রতিটি জে-১০সিই যুদ্ধবিমানের দাম প্রায় ৪ কোটি ডলার হবে। তবে চীনের কাছ থেকে ২৪টি জে-১০সিই ফাইটার জেট হাতে এলেও ভারতের বায়ুসেনার শক্তির নিরিখে ভারসাম্যে বিশেষ বদল হওয়ার কথা নয়। ভারতীয় বায়ুসেনার শুধুমাত্র ইস্টার্ন এয়ার কমান্ডের অধীনেই অসম ও পশ্চিমবঙ্গে প্রায় চারটি ফাইটার স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে বলে খবর। সব মিলিয়ে যার পরিমাণ ৬০ থেকে ৭০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। তার মধ্যেই রয়েছে সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই এবং রাফালের মতো অতি শক্তিশালী ফাইটার জেট। দাম ও দক্ষতা, দুই ক্ষেত্রেই এগুলি চীনা জে-১০সিই-এর তুলনায় বহু এগিয়ে। তবে পাকিস্তানের পর এবার বাংলাদেশেও যেভাবে পরিকাঠামোর পাশাপাশি সামরিক ক্ষেত্রেও চীনের প্রভাব বাড়ছে, সেদিকে নয়াদিল্লির বিশেষ নজর থাকা উচিত বলেই মত তথ্যাভিজ্ঞমহলের। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ