সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: রাম মন্দিরের প্রণামি চুরি আর প্রশ্ন ফাঁসের বিরোধিতায় আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের হামলা—এই দুই ইস্যুতে শুক্রবারও সংসদে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হল বিরোধীরা। গত ২০ জুলাই ছাত্র-যুব বিক্ষোভে নির্মম লাঠিচার্জ, পেলেট গান ছোড়ার মতো ঘটনার পর থেকে অমিত শাহ সভায় গরহাজির। দেখা নেই প্রধানমন্ত্রীরও। অথচ উভয়েই সংসদে আসছেন, নিজেদের অফিসে বসছেন। কিন্তু সভাকক্ষে আসছেন না। যদিও অমিত শাহের জবাবদিহির দাবিতে অনড় বিরোধীরাও। স্রেফ অমিত শাহকে আক্রমণ নয়, প্রশ্ন ফাঁস বিলের জবাবি ভাষণে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগও এদিন তুলেছে কংগ্রেস। সেটিকে সামনে রেখেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের বিরুদ্ধে ‘স্বাধিকার ভঙ্গে’র নোটিস দিয়েছেন রাহুল গান্ধীর দলের সাংসদ কে সি বেণুগোপাল। তাঁর প্রশ্ন, ছাত্র আন্দোলনে গুলিই চলেনি একথা মন্ত্রী কেন বলেছেন? বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে প্রশ্নোত্তর পর্ব তো বটেই, সভার কাজ ক্ষণে ক্ষণে বাতিল করে দিতে বাধ্য হলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। যদিও তারই মধ্যে ঘড়ি ধরে দু মিনিটে বিন্দুমাত্র আলোচনা ছাড়াই হট্টগোলেই লোকসভায় পাশ হয়ে গেল জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিল। এই পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহে প্রতিবাদ বিক্ষোভ আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদিবিরোধী মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’।



