নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: নওদা পঞ্চায়েত সমিতির ক্যাশিয়ারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে সভাপতি ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম হয়েছেন ক্যাশিয়ার তন্ময় দাস। বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মণ্ডল ওই ক্যাশিয়ারকে কয়েকবার ফোন করেন। তন্ময়বাবু ফোন না ধরায় বিকেলে চেম্বারে ঢুকে তাঁকে মারধর করেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও কয়েকজন সদস্য। ওই সময় তন্ময়বাবু চেয়ারে বসেছিলেন। সেই অবস্থায় তাঁকে মারতে মারতে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। চেয়ারের একটি পায়াও ভেঙে যায়। বিডিও অফিস চত্বরের মধ্যে এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। কর্তব্যরত সরকারি কর্মচারীর গায়ে হাত দেওয়ার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীরা। জখম ওই সরকারি কর্মচারী মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন। তিনি বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। বিডিওর তরফে ডিপিআরডিও-র কাছে একটি অভিযোগ জমা পড়েছে।
Advertisement
ডিপিআরডিও রাজর্ষি নাথ বলেন, আমাদের কাছে একটা অভিযোগ জমা পড়েছে। সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন, বিকেলেই পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ তমাল শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
নওদার বিডিও দেবাশিস সরকার বলেন, একটা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। পঞ্চায়েত সমিতির ক্যাশিয়ার তন্ময়বাবুকে সভাপতি সাহেব বারবার ফোন করেন। তিনি কোনও কারণবশত ফোন ধরতে পারেননি। উনি ফোন না ধরার কারণ হিসেবে যে উত্তর দিয়েছিলেন, তা হয়তো সভাপতির পছন্দ হয়নি। এনিয়ে কথা কাটাকাটি হতে হতে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা ঘরে ঢুকে দেখি, ক্যাশিয়ারবাবু মেঝেতে বসে আছেন। চেয়ারের পায়া ভাঙা। পঞ্চায়েত সমিতির বেশ কয়েকজন সদস্য সেখানে চিৎকার করছিলেন। এরপর ক্যাশিয়ারবাবুকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে পরে তিনি অভিযোগ করেছেন। এর প্রতিবাদে স্থায়ী কর্মচারীরা জেলায় প্রতিবাদ করেছেন। সেই জন্য বিডিও অফিসের কর্মচারীরা কেউ আসেননি।
যদিও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, ক্যাশিয়ারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ ছাড়া আর কোনও ঘটনা ঘটেনি। কিছু ঘটে থাকলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখুক।
যদিও জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, যেখানে মারধরের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে কোনও সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল না। তাছাড়া মেডিক্যাল কলেজে জখম ওই কর্মচারীর শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে, সেই রিপোর্ট অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কী ঘটনা ঘটেছে, তা আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে দেখছি।
ঘটনার পরেই মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিস সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব নওদা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সফিউজ্জামান শেখকে ডেকে পাঠান। দিনভর পুলিস সুপারের অফিসে বসিয়ে রেখে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন পুলিস আধিকারিকরা।
নওদার বিডিও দেবাশিস সরকার বলেন, একটা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। পঞ্চায়েত সমিতির ক্যাশিয়ার তন্ময়বাবুকে সভাপতি সাহেব বারবার ফোন করেন। তিনি কোনও কারণবশত ফোন ধরতে পারেননি। উনি ফোন না ধরার কারণ হিসেবে যে উত্তর দিয়েছিলেন, তা হয়তো সভাপতির পছন্দ হয়নি। এনিয়ে কথা কাটাকাটি হতে হতে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা ঘরে ঢুকে দেখি, ক্যাশিয়ারবাবু মেঝেতে বসে আছেন। চেয়ারের পায়া ভাঙা। পঞ্চায়েত সমিতির বেশ কয়েকজন সদস্য সেখানে চিৎকার করছিলেন। এরপর ক্যাশিয়ারবাবুকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে পরে তিনি অভিযোগ করেছেন। এর প্রতিবাদে স্থায়ী কর্মচারীরা জেলায় প্রতিবাদ করেছেন। সেই জন্য বিডিও অফিসের কর্মচারীরা কেউ আসেননি।
যদিও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, ক্যাশিয়ারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ ছাড়া আর কোনও ঘটনা ঘটেনি। কিছু ঘটে থাকলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখুক।
যদিও জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, যেখানে মারধরের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে কোনও সিসি ক্যামেরা লাগানো ছিল না। তাছাড়া মেডিক্যাল কলেজে জখম ওই কর্মচারীর শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে, সেই রিপোর্ট অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কী ঘটনা ঘটেছে, তা আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে দেখছি।
ঘটনার পরেই মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিস সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব নওদা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সফিউজ্জামান শেখকে ডেকে পাঠান। দিনভর পুলিস সুপারের অফিসে বসিয়ে রেখে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন পুলিস আধিকারিকরা।
অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বরাবরই ব্লক সভাপতির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনার পরেই জেলা প্রশাসনের তরফে পুলিসকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তারপরই পুলিস সুপারের তরফে ব্লক সভাপতিকে ডাকা হয়। এসপি বলেন, নওদার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সফিউজ্জামানকে প্রশাসনিক কিছু ব্যাপারে ডাকা হয়েছিল।



