নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: নওদার সর্বাঙ্গপুরে গুলি চালানোর ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতরা হল তমাল শেখ, এম এ আল্লারাখা, রুবেল শেখ, রাহুল শেখ, রাহুল মণ্ডল। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি নওদা থানা এলাকায়। শনিবার বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হলে তাদের ১৩ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। জেলার পুলিস সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব বলেন, আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, নওদা পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ তমালের বিরুদ্ধে দু’টি ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। গত শনিবার সর্বাঙ্গপুরে গুলি চালানোর ঘটনার পাশাপাশি গত বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত সমিতির কোষাধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিডিও অফিসের মধ্যেই ক্যাশিয়ারকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের তরফে পুলিসকে কঠোর ব্যবস্থা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি সর্বাঙ্গপুরে গুলি চালানোর ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নওদার তৃণমূল বিধায়িকা শাহিনা মমতাজ খান দাবি করেন, অভিযুক্তরা সকলেই ব্লক তৃণমূলের সভাপতির অনুগামী। নওদাকে ওরাই অশান্ত করে রেখেছে। যদিও ব্লক সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ বলেন, মানুষ জানে, নওদা ব্লকে একমাত্র তৃণমূল সংগঠন আমরাই করি। বিধায়িকাকে এলাকার মানুষ কাছে পায় না। পাশাপশি এখানে আমরা কোনও প্রশাসনিক কাজে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিই না। তাই দলের অনেকেরই আমাদের উপর রাগ আছে।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহিদুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, বিধায়িকা ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছেন। যাদের উপর ভর করে উনি জিতেছেন, আজ তাঁদেরই বিপদে ফেলার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
নওদার তৃণমূল বিধায়িকা শাহিনা মমতাজ খান দাবি করেন, অভিযুক্তরা সকলেই ব্লক তৃণমূলের সভাপতির অনুগামী। নওদাকে ওরাই অশান্ত করে রেখেছে। যদিও ব্লক সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ বলেন, মানুষ জানে, নওদা ব্লকে একমাত্র তৃণমূল সংগঠন আমরাই করি। বিধায়িকাকে এলাকার মানুষ কাছে পায় না। পাশাপশি এখানে আমরা কোনও প্রশাসনিক কাজে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিই না। তাই দলের অনেকেরই আমাদের উপর রাগ আছে।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহিদুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, বিধায়িকা ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছেন। যাদের উপর ভর করে উনি জিতেছেন, আজ তাঁদেরই বিপদে ফেলার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।



