Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভারী বৃষ্টি নেই, গরমে কাহিল উত্তরবঙ্গ, ব্যাঙের বিয়ের হিড়িক

বৃষ্টিতে ভাসছে দক্ষিণবঙ্গ। কিন্তু অসহ্য গরমে কাহিল উত্তরবঙ্গ। বিক্ষিপ্তভাবে কিছু জায়গায় বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রার তেমন হেরফের হচ্ছে না।

ভারী বৃষ্টি নেই, গরমে কাহিল উত্তরবঙ্গ, ব্যাঙের বিয়ের হিড়িক
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদাতা: বৃষ্টিতে ভাসছে দক্ষিণবঙ্গ। কিন্তু অসহ্য গরমে কাহিল উত্তরবঙ্গ। বিক্ষিপ্তভাবে কিছু জায়গায় বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রার তেমন হেরফের হচ্ছে না। ফলে গরমে হাঁসফাঁস করছে কোচবিহার থেকে মালদহ পর্যন্ত প্রতিটি জেলাই। পাহাড়েও হাফহাতা শার্ট, টি-শার্ট পরে ঘোরাঘুরি করছেন স্থানীয় বাসিন্দা সহ পর্যটকরা। সকলেই এখন জোর বৃষ্টির প্রার্থনা করছেন। এজন্য এদিন ফালকাটা ব্লকের বগরিবাড়িতে ব্যাঙের বিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। দু’সপ্তাহের মধ্যে এ ধরনের অনুষ্ঠান হল দু’টি। কয়েকদিন আগে হলদিবাড়িতে ব্যাঙের বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। 

Advertisement

মঙ্গলবার সকাল থেকেই শিলিগুড়িতে তীব্র ছিল রোদের তেজ। দুপুরে সানগ্লাস, গ্লাভস পরে রাস্তায় বের হতে হয়। বিকেলে অবশ্য গোটা আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যাওয়ার পর সামান্য বৃষ্টি হয়। তাতে সাময়িক স্বস্তি মিলেছে। 
আলিপুরদুয়ার জেলার অবস্থাও ছিল এক। দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ে কয়েক পশলা বৃষ্টি হলেও গরমের দাপট সেভাবে কমেনি। দু’দিন ধরে কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় বৃষ্টির দেখা নেই। অসহ্য গরমে হাঁসফাঁস করছেন দুই জেলার বাসিন্দারা। 
এদিকে, গৌড়বঙ্গের মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরে মেঘ জমলেও বৃষ্টি হয়নি। সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে গরমের দাপট অস্বাভাবিক। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই দিনাজপুর ও মালদহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সযাক্রমে ৩৫, ৩৪ এবং ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ও আশপাশের অঞ্চলে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।  
এদিকে, অনেকদিন ধরেই ভারী বৃষ্টি হচ্ছে না। ফলে আমন ধান রোপণ করতে পারছেন না কৃষকরা। তাই বৃষ্টির প্রার্থনায় মঙ্গলবার রাতে ফালাকাটা ব্লকের বগরিবাড়ির কালীমন্দিরের সামনে স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন করেন। ব্যান্ডপার্টি এনে ব্যাঙের বিয়ে দেওয়া হয়। বরযাত্রীও এসেছিল। ছিল খাওয়াদাওয়ার আয়োজন। উদ্যোক্তা স্থানীয় বাসিন্দা রঞ্জন বসাক, মাধব রায় ও সুশীলা রায় বলেন, মানুষের বিয়ের মতোই আয়োজন করা হয়েছিল। পুরোহিত পুরুষোত্তম ভট্টাচার্য বিয়ে দেন। বিয়ের পর ভাত, ডাল, সব্জি, মুরগির মাংস পাত পেড়ে খান সকলে।

সম্পর্কিত সংবাদ