নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: ডোডেয়ারহাটে তৃণমূল নেতা অমর রায়কে গুলি করে খুনের ঘটনার আট দিনের মাথায়ও পুলিস কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এনিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গত শনিবার ডাউয়াগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কুন্তলা রায়ের ছোট ছেলে অমর রায় বাড়ি থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে ডোডেয়ারহাটে মাংস কিনতে গিয়েছিলেন। সেখানেই দুষ্কৃতীরা তাঁকে প্রকাশ্য দিবালোকে জনবহুল হাটের মধ্যে গুলি করে খুন করে। এই ঘটনায় আরও একজন জখম হন। মৃতের মা প্রধান কুন্তলা রায় এই ঘটনায় প্রথমে সিবিআই তদন্ত ও পরে পুলিসের উপর ভরসা রেখে প্রয়োজনে সিআইডি তদন্ত দাবি করেছিলেন। কিন্তু ঘটনার পর থেকে পুলিস কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে।
ডোডেয়ারহাটের খুনের ঘটনার পর থেকেই ওই এলাকা তথা পুণ্ডিবাড়ি ও কোতোয়ালি থানার একটা অংশে পরপর খুনের ঘটনার প্রসঙ্গ উঠে আসতে শুরু করেছে।এদিকে শনিবার ডাউয়াগুড়িতে মৃত অমর রায়ের বাবা, মা ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি তথা কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা।
রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ঘটনার সময় আমি কলকাতায় ছিলাম। তাই কোচবিহারে ফিরে এদিন পার্থ, খোকন মিয়াঁদের নিয়ে ওঁদের বাড়ি গিয়েছিলাম। শোকস্তব্ধ পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছি। পার্থপ্রতিম রায় বলেন, অপরাধীদের ধরতে হবে। যারা গুলি করেছে তাদের যেমন ধরতে হবে তেমনি ষড়যন্ত্রকারীদেরও ধরতে হবে। এর পিছনে কী কারণ রয়েছে সেটা বের করতে হবে। এদিন অমর রায়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁরাও একই দাবি করেছেন।
নিজস্ব চিত্র।