নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করায় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর উপর অতর্কিতে হামলা চালাল দলেরই এক কর্মী। রবিবার সকালে নন্দীগ্রাম-১ব্লকের মহেশপুর বাজারে ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এদিন সকালে মহেশপুর বাজারে ভাইফোঁটার বাজার করতে গিয়েছিলেন সঞ্জয় মণ্ডল। তখনই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁর স্ত্রী শোভনা মণ্ডল গোকুলনগর পঞ্চায়েতের শিমুলকুণ্ডু বুথে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। পঞ্চায়েতে বিজেপির উপপ্রধান সহ দলের ১০জন সদস্য দুর্নীতির অভিযোগ জানিয়ে জেলাশাসক এবং বিডিওকে চিঠি দেন। ৩৫লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগে পঞ্চায়েতের সচিবকে জেলে যেতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার বিক্ষুব্ধ বিজেপির নেতা-কর্মীরা বৃন্দাবনচক হাইস্কুলে বৈঠক করে দলছাড়ার ব্যাপারেও আলোচনা করেন। তারপরই রবিবার সঞ্জয়বাবুর উপর অতর্কিতে হামলার ঘটনা ঘটে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী সঞ্জয়বাবু একটি নার্সারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। এদিন সকালে ভাইফোঁটা উপলক্ষ্যে কেনাকাটা সারতে মহেশপুর বাজারে যান। সেখানে একটি দোকানে এককাপ চা দিতে বলে অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময়বিজেপি কর্মী সমীর পণ্ডা এসে তাঁকে ধাক্কাধাক্কি করেন। সঞ্জয়বাবু ও তাঁর স্ত্রী দলবিরোধী কাজে জড়িত বলে গালিগালাজ করা হয়। চায়ের দোকানে অতর্কিতে হামলা চালানোয় সকলেই হকচকিয়ে যান। তাঁরা কোনও রকমে সঞ্জয়বাবুকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
ওই ঘটনার খবর পেয়ে পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ, বিজেপি নেতা দেবাশিস দাস তাঁর বাড়ি যান। তিনি সঞ্জয়বাবুকে নিয়ে নন্দীগ্রাম থানায় যান। সেখানে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সঞ্জয়বাবু বলেন, আমি একজন বিজেপি কর্মী। আমার স্ত্রী দলেরই পঞ্চায়েত সদস্যা। রবিবার মহেশপুর বাজারে ভাইফোঁটার বাজার করতে গিয়েছিলাম। সেখানেই এক বিজেপি কর্মী আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার পর আক্রমণ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পাশাপাশি গোটা বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, মহেশপুর বাজারে কী হয়েছে তা নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।
গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির মোট সদস্য ১৬জন। গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্নীতি ইস্যুতে বিজেপি সদস্যরা আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। একদিকে পঞ্চায়েতের প্রধান দীনবন্ধু মণ্ডল। তাঁর পক্ষে দলের আর পাঁচ সদস্য আছেন। অপরদিকে, উপপ্রধান নমিতা গিরি সহ ১০জন সদস্য রয়েছেন। উপপ্রধান সহ ওই ১০জন সদস্য সর্বপ্রথম গোকুলনগর পঞ্চায়েতে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয় প্রকাশ্যে আনেন। অভিযোগ, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আরও ১৫লক্ষ টাকা লুট হয়েছে। এছাড়া নিজস্ব তহবিলের ১৪লক্ষ টাকার হিসাব নেই। বোর্ড গঠনের মাত্র এক বছরে গোকুলনগরে ৪৯লক্ষ টাকার গরমিল নিয়ে নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে।
বিজেপি সূত্রের খবর, দলের অফিসিয়াল গোষ্ঠী প্রধানের পক্ষে রয়েছে। যেকারণে উপপ্রধান সহ অন্যরা পার্টির কোপে পড়তে পারেন। তাই তাঁরা শনিবার গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বৃন্দাবনচক হাইস্কুলে মিটিংয়ে বসেন। সেখানে অশোক করণ, দেবাশিস দাসের মতো বিজেপি নেতারাও ছিলেন। আগামী দিনে গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজকর্ম কীভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দল ছাড়ার ব্যাপারেও কথাবার্তা হয়। তার ফলে বিজেপি-র বিক্ষুব্ধরা দলের অফিসিয়াল গোষ্ঠীর টার্গেট হচ্ছেন বলে অনেকে মনে করছেন।
ওই ঘটনার খবর পেয়ে পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ, বিজেপি নেতা দেবাশিস দাস তাঁর বাড়ি যান। তিনি সঞ্জয়বাবুকে নিয়ে নন্দীগ্রাম থানায় যান। সেখানে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সঞ্জয়বাবু বলেন, আমি একজন বিজেপি কর্মী। আমার স্ত্রী দলেরই পঞ্চায়েত সদস্যা। রবিবার মহেশপুর বাজারে ভাইফোঁটার বাজার করতে গিয়েছিলাম। সেখানেই এক বিজেপি কর্মী আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার পর আক্রমণ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পাশাপাশি গোটা বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, মহেশপুর বাজারে কী হয়েছে তা নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।
গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির মোট সদস্য ১৬জন। গ্রাম পঞ্চায়েতে দুর্নীতি ইস্যুতে বিজেপি সদস্যরা আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। একদিকে পঞ্চায়েতের প্রধান দীনবন্ধু মণ্ডল। তাঁর পক্ষে দলের আর পাঁচ সদস্য আছেন। অপরদিকে, উপপ্রধান নমিতা গিরি সহ ১০জন সদস্য রয়েছেন। উপপ্রধান সহ ওই ১০জন সদস্য সর্বপ্রথম গোকুলনগর পঞ্চায়েতে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয় প্রকাশ্যে আনেন। অভিযোগ, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আরও ১৫লক্ষ টাকা লুট হয়েছে। এছাড়া নিজস্ব তহবিলের ১৪লক্ষ টাকার হিসাব নেই। বোর্ড গঠনের মাত্র এক বছরে গোকুলনগরে ৪৯লক্ষ টাকার গরমিল নিয়ে নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে।
বিজেপি সূত্রের খবর, দলের অফিসিয়াল গোষ্ঠী প্রধানের পক্ষে রয়েছে। যেকারণে উপপ্রধান সহ অন্যরা পার্টির কোপে পড়তে পারেন। তাই তাঁরা শনিবার গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বৃন্দাবনচক হাইস্কুলে মিটিংয়ে বসেন। সেখানে অশোক করণ, দেবাশিস দাসের মতো বিজেপি নেতারাও ছিলেন। আগামী দিনে গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজকর্ম কীভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দল ছাড়ার ব্যাপারেও কথাবার্তা হয়। তার ফলে বিজেপি-র বিক্ষুব্ধরা দলের অফিসিয়াল গোষ্ঠীর টার্গেট হচ্ছেন বলে অনেকে মনে করছেন।



