নিজস্ব প্রতিনিধি, নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামের বৃন্দাবনচক গ্রামে তৃণমূল কর্মী মহাদেব বিশাই খুনে তিন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতরা হল শোভন সেনা, অর্জুন সেনা ও অরুণ মাইতি। সোমবার ধৃতদের হলদিয়া এসিজেএম কোর্টে তোলা হলে বিচারক আট দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। ওই ঘটনায় মোট ৩৯জনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়। সেই তালিকায় ৭ ও ৮নম্বরে যথাক্রমে শোভন ও অর্জুনের নাম রয়েছে। যদিও ধৃত অরুণের নাম এফআইআরে নেই। কিন্তু, নন্দীগ্রাম থানার পুলিসের দাবি, ২৫ডিসেম্বর রাতে বৃন্দাবনচক গ্রামে খুনের সময় ঘটনাস্থলে অরুণের উপস্থিত থাকার প্রমাণ আছে। তার দাদা অনুপ মাইতি ওই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বেপাত্তা।
Advertisement
মহাদেববাবুকে খুনের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পালের। এছাড়াও ওই ঘটনায় নন্দীগ্রাম-১পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির চার কর্মাধ্যক্ষ স্বদেশ দাস অধিকারী, সাহেব দাস, ভিক্টর মণ্ডল ও অশেষ পাল অভিযুক্ত। মণ্ডল কমিটির সভাপতি ধনঞ্জয় ঘড়া, শ্যামাপ্রসাদ মাইতিদের নাম এফআইআরে রয়েছে। নন্দীগ্রাম-১ব্লকে বিজেপির প্রথমসারির একাধিক নেতার নাম এফআইআরে রয়েছে। এরফলে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছে পদ্মপার্টি। সাংগঠনিক কর্মসূচি ঠিকমতো নিতে পারছে না বিজেপি। রবিবার নন্দীগ্রাম-২ব্লকের মনোহরপুরে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছিল বিজেপি। বিধায়কের উপস্থিতিতে হাতে গোনা কয়েকজন উপস্থিত হন। প্রায় শ’খানেক চেয়ার পেতে রাখার পরও লোকজন না থাকায় জড়ো করে দেন কর্মীরা।
খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের বেশিরভাগই অন্য রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এরআগে ২৮ডিসেম্বর ওড়িশার হোটেল থেকে পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ সাবিত্রী দাসের স্বামী চন্দন দাসকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। তারপরই অভিযুক্ত নেতাদের নিয়ে আরও সতর্ক হয়েছে বিজেপি।
খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পুলিসের উপর চাপ বাড়ছে। কারণ, মাত্র ১৭দিনের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে দু’জন তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছেন। দু’টি খুনের ঘটনাতেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের নাম জড়িয়েছে। এই ইস্যুতে থানার আইসি বদল হয়েছে। তাই চাপে রয়েছে পুলিস।
নন্দীগ্রামে খুনোখুনির এই রাজনীতি থেকে পরিত্রাণ চাইছে সাধারণ মানুষ। ৮ডিসেম্বর তমলুক ও হলদিয়া মহকুমার সর্বত্র তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ব্যাঙ্কের ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে মিটলেও নন্দীগ্রামে বোমাবাজি হয়। সকালের বোমাবাজির পর রাতে সেই ঘটনার রেশ ধরেই সাতখণ্ড জালপাই গ্রামে খুন হন তৃণমূল কর্মী বিষ্ণুপদ মণ্ডল। ওই ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানার পুলিসের উপর একগুচ্ছ অভিযোগ এনে আনে শাসক দল। যে কারণে হলদিয়ার মহকুমা পুলিস অফিসারকে ওই খুনের ঘটনার তদন্তকারী অফিসার করা হয়। তার রেশ মিটতে না মিটতেই আবার বৃন্দাবনচকে খুন হন মহাদেববাবু। খুনোখুনির এই রাজনীতির শেষ কবে, এই প্রশ্ন তুলছেন নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষজন।
তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের কাছে পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপির খুনোখুনির রাজনীতি করছে। আড়াই সপ্তাহের মধ্যে দু’জন কর্মী খুন হয়ে গেলেন। আমরা দু’টি ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার চাইছি। তা নাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। বিজেপির জেলা সভানেত্রী তাপসী মণ্ডল বলেন, বৃন্দাবনচক গ্রামে খুনের সঙ্গে রাজনীতির বিন্দুমাত্র যোগ নেই। তারপরও প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ৩৯জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। সেই তালিকায় অধিকাংশ আমাদের পার্টি নেতৃত্ব। আইনি পথে বিজেপি এর মোকাবিলা করবে।
খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের বেশিরভাগই অন্য রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এরআগে ২৮ডিসেম্বর ওড়িশার হোটেল থেকে পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ সাবিত্রী দাসের স্বামী চন্দন দাসকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। তারপরই অভিযুক্ত নেতাদের নিয়ে আরও সতর্ক হয়েছে বিজেপি।
খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পুলিসের উপর চাপ বাড়ছে। কারণ, মাত্র ১৭দিনের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে দু’জন তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছেন। দু’টি খুনের ঘটনাতেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের নাম জড়িয়েছে। এই ইস্যুতে থানার আইসি বদল হয়েছে। তাই চাপে রয়েছে পুলিস।
নন্দীগ্রামে খুনোখুনির এই রাজনীতি থেকে পরিত্রাণ চাইছে সাধারণ মানুষ। ৮ডিসেম্বর তমলুক ও হলদিয়া মহকুমার সর্বত্র তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ব্যাঙ্কের ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে মিটলেও নন্দীগ্রামে বোমাবাজি হয়। সকালের বোমাবাজির পর রাতে সেই ঘটনার রেশ ধরেই সাতখণ্ড জালপাই গ্রামে খুন হন তৃণমূল কর্মী বিষ্ণুপদ মণ্ডল। ওই ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানার পুলিসের উপর একগুচ্ছ অভিযোগ এনে আনে শাসক দল। যে কারণে হলদিয়ার মহকুমা পুলিস অফিসারকে ওই খুনের ঘটনার তদন্তকারী অফিসার করা হয়। তার রেশ মিটতে না মিটতেই আবার বৃন্দাবনচকে খুন হন মহাদেববাবু। খুনোখুনির এই রাজনীতির শেষ কবে, এই প্রশ্ন তুলছেন নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষজন।
তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের কাছে পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপির খুনোখুনির রাজনীতি করছে। আড়াই সপ্তাহের মধ্যে দু’জন কর্মী খুন হয়ে গেলেন। আমরা দু’টি ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার চাইছি। তা নাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। বিজেপির জেলা সভানেত্রী তাপসী মণ্ডল বলেন, বৃন্দাবনচক গ্রামে খুনের সঙ্গে রাজনীতির বিন্দুমাত্র যোগ নেই। তারপরও প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ৩৯জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। সেই তালিকায় অধিকাংশ আমাদের পার্টি নেতৃত্ব। আইনি পথে বিজেপি এর মোকাবিলা করবে।



