নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: বৃহস্পতিবার প্রেমিকের বাড়ি থেকে বধূর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নন্দীগ্রামে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতের নাম সুদেষ্ণা মণ্ডল(১৯)। গলায় ফাঁস লাগিয়ে ওই বধূকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মৃতার প্রেমিক ও তার মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতদের নাম শুভেন্দু জানা ও শঙ্করী জানা। বাড়ি নন্দীগ্রামের দ্বিতীয়খণ্ড জালপাই গ্রামে। মৃত যুবতীর মা জ্যোৎস্না মণ্ডল নন্দীগ্রাম থানায় ওই যুবক ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত হয়।
Advertisement
জানা গিয়েছে, মৃত সুদেষ্ণার বাপেরবাড়ি নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের হানুভুঁইয়া গ্রামে। ১৮বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বছর দু’য়েক আগে সুদেষ্ণাকে ফুসলিয়ে ধৃত শুভেন্দু একবার বাড়িতে নিয়ে যায়। এনিয়ে সালিশি সভা হয়। ওই সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সুদেষ্ণাকে তাঁর বাবা বাড়ি নিয়ে যান। মাস ছয়েক আগে বাড়ির লোকজন দেখাশোনা করে ওই যুবতীকে চণ্ডীপুর থানার হাঁসচড়ায় বিয়ে দেন। সেখানে তিন মাস সংসার করার পর ফের শুভেন্দু তাঁর খোঁজে হাঁসচড়ায় পৌঁছে যায়। সেখানে নানা কৌশলে সুদেষ্ণাকে স্বামীর সংসার থেকে তুলে আনে শুভেন্দু। বাড়িতে আনার পরই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত বলে অভিযোগ। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলতেও দিত না। বুধবার সন্ধ্যায় সুদেষ্ণা অত্যাচার সহ্য করে বেঁচে থাকার কথা হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর মাকে জানান। রাতে বাপেরবাড়ি থেকে ফোন আসার পরই অত্যাচার আরও বাড়ে বলে অভিযোগ। তারপর বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। ওই যুবতীকে ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান পুলিসের।
সুদেষ্ণার মা জ্যোৎস্নাদেবী বলেন, আমার মেয়েকে টিকটক ভিডিও বানানোর টোপ দিয়ে শুভেন্দু আকৃষ্ট করত। ওই যুবক মদ ও মাদক সেবন করে। প্রায় সন্ধ্যায় মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে ঝামেলা পাকায়। বছর দুয়েক আগে নাবালিকা অবস্থায় মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর আমরা প্রতিজ্ঞা করি, ওই ছেলের সঙ্গে কখনওই বিয়ে দেব না। তারপর দেখাশোনা করে হাঁসচড়ায় বিয়ে দিই। ভালোভাবে সংসার চলছিল। ওই যুবক মেয়ের খোঁজে সেখানে পৌঁছে যায়। তারপর নানা ছলচাতুরি করে মেয়েকে সেখান থেকে নিজের বাড়িতে তোলে। তখন থেকেই মেয়ের উপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলত। আমরা মেয়েকে হাঁসচড়ায় ওর স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু, ধৃত শুভেন্দু সেই সুযোগ দেয়নি। নন্দীগ্রাম থানার পুলিস জানিয়েছে, বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
সুদেষ্ণার মা জ্যোৎস্নাদেবী বলেন, আমার মেয়েকে টিকটক ভিডিও বানানোর টোপ দিয়ে শুভেন্দু আকৃষ্ট করত। ওই যুবক মদ ও মাদক সেবন করে। প্রায় সন্ধ্যায় মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে ঝামেলা পাকায়। বছর দুয়েক আগে নাবালিকা অবস্থায় মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর আমরা প্রতিজ্ঞা করি, ওই ছেলের সঙ্গে কখনওই বিয়ে দেব না। তারপর দেখাশোনা করে হাঁসচড়ায় বিয়ে দিই। ভালোভাবে সংসার চলছিল। ওই যুবক মেয়ের খোঁজে সেখানে পৌঁছে যায়। তারপর নানা ছলচাতুরি করে মেয়েকে সেখান থেকে নিজের বাড়িতে তোলে। তখন থেকেই মেয়ের উপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলত। আমরা মেয়েকে হাঁসচড়ায় ওর স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু, ধৃত শুভেন্দু সেই সুযোগ দেয়নি। নন্দীগ্রাম থানার পুলিস জানিয়েছে, বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



