নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: রাতের অন্ধকারে চাষের জমিতে ঢোকানো হচ্ছে নোনা জল। নন্দীগ্রাম-২ব্লকের খোদামবাড়ি-২পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকার ধান, আলু ও সব্জি জমি জলের তলায় রয়েছে। শনিবার সকালে মনোহরপুর, জয়েনপুর, গোপালপুর, বয়াল-১পঞ্চায়েতের চিরঞ্জীবপুর প্রভৃতি গ্রামের লোকজন দেখেন, মাঠে হাঁটুসমান নোনা জল। এই ঘটনার নেপথ্যে ফিশারি কারবারিদের হাত থাকতে পারে বলে স্থানীয় চাষিদের অভিযোগ। নন্দীগ্রাম-২ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ভেনামি চিংড়ির চাষ হয়। ফিসারির জল শুকিয়ে এখন নতুন করে জল ঢুকিয়ে চিংড়ির পোনা ছাড়ার সময়। তাই রাতের অন্ধকারে হলদি নদীতে জোয়ারের সময় তেরপেখ্যায় একাধিক স্লুইস গেট খুলে জল ঢোকানো হচ্ছে। এরফলে শুকিয়ে থাকা ভেড়িতে ভেনামি চাষের উপযোগী জল ভর্তি হচ্ছে। উল্টো দিকে, এই ঘটনায় সঙ্কটে পড়ছেন ধান, আলু এবং সব্জি চাষিরা।
Advertisement
শনিবার সকালে ওই সমস্যা নিয়ে বহু চাষি খোদামবাড়ি-২ পঞ্চায়েত প্রধান গোপাল জানার কাছে হাজির হন। হাঁটু সমান নোনা জলে চাষে ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে চাষিরা জানান। মনোহরপুর গ্রামের গুরুপদ মাইতি, বুদ্ধদেব জানা, গুরুপদ জানা বলেন, ভেড়ি কারবারিদের দাপটে এমনিতেই চাষের জমি কমছে। যত্রতত্র মাছের ভেড়ি গজিয়ে উঠছে। রাতে স্লুইস গেট তুলে জোয়ারের জল ঢোকানো হচ্ছে। চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
খোদামবাড়ি-২পঞ্চায়েত প্রধান এদিন গোটা বিষয়টি থানার আইসি, বিডিও এবং ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তাকে জানিয়েছেন। গোপালবাবু বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করা হচ্ছে। এরফলে ধান, আলু ও সব্জি চাষে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ভেড়ি কারবারিদের দাপটে সাধারণ চাষবাস লাটে উঠে যাচ্ছে। এভাবে চাষিদের উপর চাপ বাড়িয়ে ভেড়ি করার জন্য অনুমতি দিতে বাধ্য করা হয়। নন্দীগ্রাম-২বিডিও সুপ্রতিম আচার্য বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। এনিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
খোদামবাড়ি-২পঞ্চায়েত প্রধান এদিন গোটা বিষয়টি থানার আইসি, বিডিও এবং ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তাকে জানিয়েছেন। গোপালবাবু বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করা হচ্ছে। এরফলে ধান, আলু ও সব্জি চাষে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ভেড়ি কারবারিদের দাপটে সাধারণ চাষবাস লাটে উঠে যাচ্ছে। এভাবে চাষিদের উপর চাপ বাড়িয়ে ভেড়ি করার জন্য অনুমতি দিতে বাধ্য করা হয়। নন্দীগ্রাম-২বিডিও সুপ্রতিম আচার্য বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। এনিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



