নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: আবাস যোজনায় গরিবদের বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলে বিডিও-র চেম্বারে ঢুকে হুজ্জুতির করলেন বিজেপি নেতা। মঙ্গলবার দুপুরে নন্দীগ্রাম-১ বিডিও অফিসে এনিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।
Advertisement
পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ তথা বিজেপি নেতা সাহেব দাস ২০-২৫জনকে নিয়ে অফিসের ভিতর ঢুকে ব্যাপক ঝামেলা করেন বলে অভিযোগ। চেম্বারের মধ্যে চিৎকার চেঁচামেচি চলায় গোটা বিডিও অফিসে হুলস্থূল পড়ে যায়। কর্মীরা ছোটাছুটি করে বিডিও-র চেম্বারের সামনে জড়ো হন। চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ পৌঁছায় বাইরেও। এদিন পঞ্চায়েত সমিতিতে সাধারণ সভার মিটিং ছিল। সেই মিটিং শুরু হওয়ার আগেই এদিন বিজেপি নেতা বিডিও-র চেম্বারে ঢুকে ধুন্ধুমার বাধিয়ে দেন।
বিডিও সৌমেন বণিক বলেন, কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সাহেব দাস এদিন বেশ কয়েকজনকে নিয়ে অফিসে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, কাঁচাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় গরিব মানুষজনের নাম নেই। এনিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেন।
নন্দীগ্রাম-১ব্লকে প্রায় সাত হাজার বাড়িতে সার্ভে সম্পূর্ণ হয়েছে। এই মুহূর্তে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’র নম্বরে ফোন করা ব্যক্তিদের বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা হচ্ছে। ব্লক প্রশাসনের এক অফিসার বলেন, কাঁচাবাড়ি থাকা কেউ তালিকার বাইরে থাকলে সরাসরি আবেদন জানাতে পারতেন। সেক্ষেত্রে তাঁদের বাড়ি সার্ভে করার সুযোগ ছিল। অযথা অফিসে এসে হুজ্জুতি কেন?
এনিয়ে বিজেপি নেতা সাহেব দাসকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। এসএমএসেরও জবাব দেননি। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, আবাস ইস্যুতে বিডিও অফিসে যাওয়ার বিষয়ে আমার কাছে কোনও খবর ছিল না। আমি খোঁজখবর নিচ্ছি।
বিডিও সৌমেন বণিক বলেন, কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সাহেব দাস এদিন বেশ কয়েকজনকে নিয়ে অফিসে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, কাঁচাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় গরিব মানুষজনের নাম নেই। এনিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেন।
নন্দীগ্রাম-১ব্লকে প্রায় সাত হাজার বাড়িতে সার্ভে সম্পূর্ণ হয়েছে। এই মুহূর্তে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’র নম্বরে ফোন করা ব্যক্তিদের বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা হচ্ছে। ব্লক প্রশাসনের এক অফিসার বলেন, কাঁচাবাড়ি থাকা কেউ তালিকার বাইরে থাকলে সরাসরি আবেদন জানাতে পারতেন। সেক্ষেত্রে তাঁদের বাড়ি সার্ভে করার সুযোগ ছিল। অযথা অফিসে এসে হুজ্জুতি কেন?
এনিয়ে বিজেপি নেতা সাহেব দাসকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। এসএমএসেরও জবাব দেননি। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, আবাস ইস্যুতে বিডিও অফিসে যাওয়ার বিষয়ে আমার কাছে কোনও খবর ছিল না। আমি খোঁজখবর নিচ্ছি।



