সংবাদদাতা, রামপুরহাট: চুটিয়ে প্রাইভেটে প্র্যাকটিস করছেন। অথচ সরকারের কাছ থেকে নন প্র্যাকটিসিং অ্যালাউন্স (এনপিএ) নিচ্ছেন। তাঁরা অভয়ার মৃত্যুকে ঢাল করে সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রথম সারিতে ছিলেন। মিথ্যাচারের আশ্রয় নেওয়া এমন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন।
Advertisement
রাজ্যের সরকারি চিকিত্সকদের মধ্যে একটা বড় অংশ খাতায় কলমে ‘নন-প্র্যাকটিসিং’ হয়েও নিয়মিত বাইরে রোগী দেখেন এবং টাকাও নিয়ে থাকেন। মেডিক্যাল কলেজের পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত ছোট সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারবাবুদের মধ্যেই প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার প্রবণতা রয়েছে। তাঁরা একদিকে বেতনের সঙ্গে বেসিকের ২৫ শতাংশ হারে এনপিএ যেমন নিচ্ছেন প্রতি মাসে, অন্যদিকে তেমনি কাজের ক্ষেত্রে আদৌ নন-প্র্যাকটিসিং থাকছেন না। এর আগে একাধিকবার চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগে উত্তাল হয়েছে রামপুরহাট মেডিক্যাল চত্বর। সব ক্ষেত্রেই মৃতের পরিবার দাবি তুলে এসেছে, সরকারি হাসপাতাল ছেড়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিসেই বেশি ব্যস্ত রয়েছেন চিকিৎসকরা। এমনকী মেডিক্যালে ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগীরা হঠাৎ হঠাৎ করে গায়েব হয়ে যাচ্ছেন। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ থানায় এফআইআর করে দায় সারছে। পুলিসও এই নিয়ে তদন্ত চালায় না বলে অভিযোগ। অথচ সেই রোগীর চিকিৎসা চলছে মেডিক্যাল লাগোয়া নার্সিংহোমে। শুধু তাই নয়, মেডিক্যালের যে চিকিৎসকের অধীনে ওই রোগী ভর্তি হচ্ছেন, তিনিই নার্সিংহোমে ওই রোগীর চিকিৎসা করছেন। এর নেপথ্যে রয়েছে দালাল চক্র।
এনিয়ে রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যে চিকিৎসকের অধীনে রোগী ভর্তি হচ্ছেন, ওয়ার্ডে সেই চিকিৎসকের বদলে রাউন্ড দিচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ওই চিকিৎসক চেম্বার অথবা নার্সিংহোমে ব্যস্ত থাকছেন।
নিয়মানুযায়ী আরএমও, এসআর, হাউস স্টাফ, পিজিটিরা নন প্র্যাকটিসিং। প্র্যাকটিস করতে পারেন, প্রফেসর, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসররা। কিন্তু তাঁদের স্বাস্থ্যভবনের অনুমতি লাগবে। সেক্ষেত্রে নন প্র্যাকটিস অ্যালাউন্স পাবেন না। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আরএমও, এসআর ও কিছু চিকিৎসক চুটিয়ে বাইরের চেম্বার ও নার্সিংহোমে প্র্যাকটিস করছেন। এই চিকিৎসকদের বড় একটা অংশ অভয়ার জাস্টিসকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী নানা বক্তব্য ও নিজেদের দাবি আদায়ে প্রথম সারিতে অংশ নিয়েছিলেন।
মেডিক্যালের সামনে জাতীয় সড়কের দু’ধারে নার্সিংহোম ও চেম্বারগুলির সামনে এমন অনেকের নামে বড় বড় সাইনবোর্ডও ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। যখন মেডিক্যালে কর্মবিরতি চলেছে, তখনও তাঁরা প্রাইভেটে প্র্যাকটিস করেছেন বলে অভিযোগ। রামপুরহাটে এসআর-দের একটা অংশ সেই সময় স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে বাইরে চিকিৎসা ও অপারেশন করে ১২ কোটি টাকা আয় করেছেন। স্বভাবতই তাঁদের নৈতিকতা ও সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। প্রশ্ন উঠছে, আর জি করের ঘটনাকে সামনে রেখে কারা মানবদরদী সাজছিলেন? সেই সময় লাগাতার আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকেই বলছেন, ভুল লোকেদের পাশে হেঁটেছিলাম, আজ বুঝতে পারছি।
রামপুরহাট মেডিক্যালের এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, যাঁরা নন প্র্যাকটিসিং বেতন পান, তাঁরা প্রাইভট প্র্যাকটিস করতে পারেন না। এখন সেরকম কিছু আছে কিনা জানি না। এটা নিজেদের সততার বিষয়।
এদিকে মিথ্যাচারের আশ্রয় নেওয়া সেইসব চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে আইএমএ। সংগঠনের রামপুরহাট মহকুমার সভাপতি অশোক চট্টোপাধ্যায় বলেন, এমন অনেকে আছেন, যাঁরা নন প্র্যাকটিসিং পে তোলার পরও প্র্যাকটিস করছেন। কিছুদিন আগে তাঁরাই স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নানা বড়বড় কথা বলেছিলেন। সরকারের উচিত তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
এনিয়ে রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যে চিকিৎসকের অধীনে রোগী ভর্তি হচ্ছেন, ওয়ার্ডে সেই চিকিৎসকের বদলে রাউন্ড দিচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ওই চিকিৎসক চেম্বার অথবা নার্সিংহোমে ব্যস্ত থাকছেন।
নিয়মানুযায়ী আরএমও, এসআর, হাউস স্টাফ, পিজিটিরা নন প্র্যাকটিসিং। প্র্যাকটিস করতে পারেন, প্রফেসর, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসররা। কিন্তু তাঁদের স্বাস্থ্যভবনের অনুমতি লাগবে। সেক্ষেত্রে নন প্র্যাকটিস অ্যালাউন্স পাবেন না। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আরএমও, এসআর ও কিছু চিকিৎসক চুটিয়ে বাইরের চেম্বার ও নার্সিংহোমে প্র্যাকটিস করছেন। এই চিকিৎসকদের বড় একটা অংশ অভয়ার জাস্টিসকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী নানা বক্তব্য ও নিজেদের দাবি আদায়ে প্রথম সারিতে অংশ নিয়েছিলেন।
মেডিক্যালের সামনে জাতীয় সড়কের দু’ধারে নার্সিংহোম ও চেম্বারগুলির সামনে এমন অনেকের নামে বড় বড় সাইনবোর্ডও ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। যখন মেডিক্যালে কর্মবিরতি চলেছে, তখনও তাঁরা প্রাইভেটে প্র্যাকটিস করেছেন বলে অভিযোগ। রামপুরহাটে এসআর-দের একটা অংশ সেই সময় স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে বাইরে চিকিৎসা ও অপারেশন করে ১২ কোটি টাকা আয় করেছেন। স্বভাবতই তাঁদের নৈতিকতা ও সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। প্রশ্ন উঠছে, আর জি করের ঘটনাকে সামনে রেখে কারা মানবদরদী সাজছিলেন? সেই সময় লাগাতার আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকেই বলছেন, ভুল লোকেদের পাশে হেঁটেছিলাম, আজ বুঝতে পারছি।
রামপুরহাট মেডিক্যালের এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, যাঁরা নন প্র্যাকটিসিং বেতন পান, তাঁরা প্রাইভট প্র্যাকটিস করতে পারেন না। এখন সেরকম কিছু আছে কিনা জানি না। এটা নিজেদের সততার বিষয়।
এদিকে মিথ্যাচারের আশ্রয় নেওয়া সেইসব চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে আইএমএ। সংগঠনের রামপুরহাট মহকুমার সভাপতি অশোক চট্টোপাধ্যায় বলেন, এমন অনেকে আছেন, যাঁরা নন প্র্যাকটিসিং পে তোলার পরও প্র্যাকটিস করছেন। কিছুদিন আগে তাঁরাই স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নানা বড়বড় কথা বলেছিলেন। সরকারের উচিত তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।



