নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নাম বিভ্রাটে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা অনিশ্চিত তমলুকের রাজকুমারী সান্ত্বনাময়ী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী স্বস্তিকা মাইতির। প্রধান শিক্ষিকা শর্মিষ্ঠা আদক সহ আরও তিনজন সহশিক্ষিকা ১ফেব্রুয়ারি এই সমস্যা সমাধানে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিসে যান। সেখানে কোনও আশ্বাস পাননি। মেধাবী ওই ছাত্রী যাতে এবছর পরীক্ষায় বসতে পারে সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ চাইছেন তমলুক শহরের ঐতিহ্যবাহী এই স্কুলের শিক্ষিকারা। হলদিয়া, কাঁথি এবং তমলুকের আরও তিনটি স্কুলে এভাবে মোট চার পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট নিয়ে সমস্যা হয়েছে।
Advertisement
এবছর ওই স্কুল থেকে মোট ২৩১জন ছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। গত ৩০জানুয়ারি মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড প্রত্যেক স্কুলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রাজকুমারী সান্ত্বনাময়ী গার্লস হাইস্কুলের স্বস্তিকার অ্যাডমিট কার্ড দেখে মুষড়ে পড়েছেন সকলে। কারণ, ফর্ম ফিলআপের সময় শ্যামল মাইতির মেয়ে স্বস্তিকা ড্রপ আউট হওয়া স্বস্তিকার নামের পাশে সই করে দিয়েছিল। তার ফলে ড্রপ আউট হওয়া স্বস্তিকার নামে অ্যাডমিট চলে এসেছে। স্কুলে না আসা ওই ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বাবার নাম অ্যাডমিটে রয়েছে। গোটা ঘটনায় ওই ছাত্রী ও তার পরিবারও হতাশ। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ঠিকমতো চেক না করায় এই ত্রুটি থেকে গিয়েছে।
প্রধান শিক্ষিকা বলেন, আমাদের ওই ছাত্রী যাতে নতুন করে অ্যাডমিট কার্ড পায় সেজন্য আমরা পর্ষদ সভাপতি ও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইছি। ফর্ম ফিলআপের জন্য ড্রপ আউট হওয়ার ছাত্রীর নামের পাশে স্বস্তিকা সই করে দেওয়ায় এই সমস্যা তৈরি হয়। আমরা এই সমস্যা সমাধানে পর্ষদ অফিসেও গিয়েছি। আশা করি, ছাত্রীর ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এই সমস্যা সমাধান করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, স্কুলের গাফিলতির জেরেই এই সমস্যা হয়েছে। ৭জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইন পোর্টাল খোলা ছিল। তারমধ্যে স্কুল এই ভুল সংশোধন করে নিতে পারত। কিন্তু, সেটা ওরা করেনি। এখন ট্রেন স্টেশন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর দু’-চারজন যাত্রীর জন্য তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। পরীক্ষার প্রাক-মুহূর্তে পোর্টাল খুললে পরীক্ষা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হবে। কোথাও প্রশ্নপত্র ঘাটতি হতে পারে। তখন একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমরা কেউই তেমনটা হোক, চাই না।
প্রধান শিক্ষিকা বলেন, আমাদের ওই ছাত্রী যাতে নতুন করে অ্যাডমিট কার্ড পায় সেজন্য আমরা পর্ষদ সভাপতি ও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইছি। ফর্ম ফিলআপের জন্য ড্রপ আউট হওয়ার ছাত্রীর নামের পাশে স্বস্তিকা সই করে দেওয়ায় এই সমস্যা তৈরি হয়। আমরা এই সমস্যা সমাধানে পর্ষদ অফিসেও গিয়েছি। আশা করি, ছাত্রীর ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এই সমস্যা সমাধান করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, স্কুলের গাফিলতির জেরেই এই সমস্যা হয়েছে। ৭জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইন পোর্টাল খোলা ছিল। তারমধ্যে স্কুল এই ভুল সংশোধন করে নিতে পারত। কিন্তু, সেটা ওরা করেনি। এখন ট্রেন স্টেশন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর দু’-চারজন যাত্রীর জন্য তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। পরীক্ষার প্রাক-মুহূর্তে পোর্টাল খুললে পরীক্ষা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হবে। কোথাও প্রশ্নপত্র ঘাটতি হতে পারে। তখন একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমরা কেউই তেমনটা হোক, চাই না।



