সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: নিকাশি নালার অর্ধেক কাজ করে টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ ঠিকাদার এবং বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে। যা ঘিরে শোরগোল পড়েছে। নালার জল উপচে পড়ে জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা কয়েকটি পরিবার। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল সদস্যরা গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্য ও ইঞ্জিনিয়ার অর্ধেক কাজ করাকে সায় দিচ্ছেন। যদিও তারা অভিযোগ নাকচ করেছেন।
Advertisement
ধূপগুড়ি মাগুরমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫/১১২ নম্বর পার্টে প্রায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে নালা নির্মাণ চলছে। সিডিউল অনুযায়ী সুবল রায়ের বাড়ি থেকে দীনেশ রায়ের বাড়ি পর্যন্ত নালাটি তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু সেই মতো কাজ না করে নালাটি খগেন রায়ের বাড়ি পর্যন্ত করা হয়েছে। ফলে দীনেশ রায়ের বাড়ি সহ পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি বাড়ি জলমগ্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নালার কাজ খুব নিম্নমানের হয়েছে বলে অভিযোগ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের লোহার রড সহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। ফলে বর্ষায় নালা ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুভাষ রায় বলেন, যা কাজ করার কথা ছিল তার অর্ধেক কাজও করেনি। সাধারণ মানুষ যাতে রাস্তার সিডিউল জানতে না পারেন, সেজন্য বোর্ড পর্যন্ত লাগানো হয়নি। অর্ধেক কাজ করেই ঠিকাদার বিল কেমন করে পায় সেটা দেখার। পরবর্তীতে আমরা জেলাশাসকের দারস্থ হব।
স্থানীয় বাসিন্দা বিশয়া রায় বলেন, সিডিউল অনুযায়ী আমাদের বাড়ি পর্যন্ত নালা তৈরি হওয়ার কথা। সেটা না হওয়ায় নালার জল আমাদের বাড়ি সহ পাশের বাড়িতে ঢুকবে। অপর এক এলাকাবাসী বলেন, নালা তৈরিতে খুব নিম্নমানের কাজ করা হয়েছে। কার মদতে অর্ধেক কাজ করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা হয়েছে। সেই প্রশ্নই ঘুরছে এলাকায়।
এই ব্যাপারে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য হরকান্ত রায় বলেন, যেভাবে নালা নির্মাণ হয়েছে, কোনওভাবেই জল ঢুকবে না। গ্রাম পঞ্চায়েত ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, অফিসে আসলে তথ্য দেব, ফোনে কিছু বলব না। আমি পিকনিকে রয়েছি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের লোহার রড সহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। ফলে বর্ষায় নালা ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুভাষ রায় বলেন, যা কাজ করার কথা ছিল তার অর্ধেক কাজও করেনি। সাধারণ মানুষ যাতে রাস্তার সিডিউল জানতে না পারেন, সেজন্য বোর্ড পর্যন্ত লাগানো হয়নি। অর্ধেক কাজ করেই ঠিকাদার বিল কেমন করে পায় সেটা দেখার। পরবর্তীতে আমরা জেলাশাসকের দারস্থ হব।
স্থানীয় বাসিন্দা বিশয়া রায় বলেন, সিডিউল অনুযায়ী আমাদের বাড়ি পর্যন্ত নালা তৈরি হওয়ার কথা। সেটা না হওয়ায় নালার জল আমাদের বাড়ি সহ পাশের বাড়িতে ঢুকবে। অপর এক এলাকাবাসী বলেন, নালা তৈরিতে খুব নিম্নমানের কাজ করা হয়েছে। কার মদতে অর্ধেক কাজ করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা হয়েছে। সেই প্রশ্নই ঘুরছে এলাকায়।
এই ব্যাপারে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য হরকান্ত রায় বলেন, যেভাবে নালা নির্মাণ হয়েছে, কোনওভাবেই জল ঢুকবে না। গ্রাম পঞ্চায়েত ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেন, অফিসে আসলে তথ্য দেব, ফোনে কিছু বলব না। আমি পিকনিকে রয়েছি।



