সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটের পর এবার নলহাটিতেও জাল ডিসিআরের হদিশ পেল পুলিস। রবিবার রাতে নলহাটির পাথর শিল্পাঞ্চল যাওয়ার রাস্তা কোঠাতলা মোড় থেকে জাল ডিসিআর সহ ছ’টি পাথর বোঝাই লরি আটক করে পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয় ছ’টি গাড়ির চালককে। ধৃতরা হল, মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের বাসিন্দা জিয়াবক্স মোল্লা, বিলাল মোল্লা। নলহাটির মাঠকলিঠার বাসিন্দা ইউসুফ শেখ, মুরারইয়ের ডুরিয়া গ্রামের শামিমউদ্দিন শেখ ও নদীয়ার কালীগঞ্জ থানার আমডাঙার বাসিন্দা ইয়াকুব শেখ। সোমবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাটি বলেন, বিচারক ধৃত জিয়াবক্স, সামিমউদ্দিন ও ইয়াকুবের তিনদিনের পুলিস ও বাকিদের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।
Advertisement
জেলার অন্যতম বৃহৎ পাথর শিল্পাঞ্চল নলহাটি। এখানে পাথরের চিপস বোঝাই গাড়ি থেকে রয়্যালটি আদায় করা হয়। সেই মতো গেটও বসানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও জাল ডিসিআরের মাধ্যমে পাথরের অবৈধ কারবার চলছে। যার জেরে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি যাচ্ছিল সরকারের। পুলিস জানিয়েছে, সোর্সের মাধ্যমে নির্দিষ্ট খবর পেয়ে রবিবার রাতে কোঠাতলা মোড়ে চেকিং শুরু করে পুলিস। তাতেই একের পর এক জাল ডিসিআর সহ লরি ধরা পড়তে শুরু করে। আটক করা প্রতিটি গাড়িতে ৩৫ টন করে পাথরের চিপস বোঝাই ছিল। গাড়িগুলির ডিসিআর জাল। সেগুলিতে বিএলএলআরওর সই ও সিল জাল করা হয়েছে। এরপরই চালকদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের জেরা করে কোথা থেকে এই জাল ডিসিআর পেয়েছে তা জানার চেষ্টা করা হবে। যদিও স্থানীয় সূত্রের দাবি, এলাকারই কয়েকজন জাল ডিসিআরের কারবার চালাচ্ছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশের পর পুলিস তৎপর হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই কারবারের মাথাদের কাছে পৌঁছনোর সাহস দেখাচ্ছে না পুলিস। তিনি বলেন, একজন চালকের পক্ষে কোনটা জাল, কোনটা আসল তা বোঝা মুশকিল।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের নলহাটি থানার নাকপুর চেকপোস্টের কাছে জাল ডিসিআর সহ পাথর বোঝাই একটি লরি আটক করে পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে। অন্যদিকে রবিবার সকালে জাল ডিসিআর চক্রের চারজনকে পুলিস গ্রেপ্তার করে রামপুরহাট থানার পুলিস। যারা পাথর শিল্পাঞ্চল যাওয়ার রাস্তায় মুদির দোকানের আড়ালে জাল ডিসিআর বিক্রি করছিল। তাদের জেরা করে রামপুরহাটের এক ছাপাখানার মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়।
সব মিলিয়ে বীরভূম জেলাজুড়ে যে অবৈধ পাথরের কারবার শুরু হয়েছে তা একের পর এক ধরপাকড়েই প্রমাণিত হচ্ছে। জাল ডিসিআর বন্ধ করতে পারলে জেলার রাজস্ব আদায় কয়েকশো কোটি টাকা বেড়ে যাবে বলে মনে করছে প্রশাসনেরই একটা অংশ।
পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের জেরা করে কোথা থেকে এই জাল ডিসিআর পেয়েছে তা জানার চেষ্টা করা হবে। যদিও স্থানীয় সূত্রের দাবি, এলাকারই কয়েকজন জাল ডিসিআরের কারবার চালাচ্ছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশের পর পুলিস তৎপর হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই কারবারের মাথাদের কাছে পৌঁছনোর সাহস দেখাচ্ছে না পুলিস। তিনি বলেন, একজন চালকের পক্ষে কোনটা জাল, কোনটা আসল তা বোঝা মুশকিল।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের নলহাটি থানার নাকপুর চেকপোস্টের কাছে জাল ডিসিআর সহ পাথর বোঝাই একটি লরি আটক করে পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে। অন্যদিকে রবিবার সকালে জাল ডিসিআর চক্রের চারজনকে পুলিস গ্রেপ্তার করে রামপুরহাট থানার পুলিস। যারা পাথর শিল্পাঞ্চল যাওয়ার রাস্তায় মুদির দোকানের আড়ালে জাল ডিসিআর বিক্রি করছিল। তাদের জেরা করে রামপুরহাটের এক ছাপাখানার মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়।
সব মিলিয়ে বীরভূম জেলাজুড়ে যে অবৈধ পাথরের কারবার শুরু হয়েছে তা একের পর এক ধরপাকড়েই প্রমাণিত হচ্ছে। জাল ডিসিআর বন্ধ করতে পারলে জেলার রাজস্ব আদায় কয়েকশো কোটি টাকা বেড়ে যাবে বলে মনে করছে প্রশাসনেরই একটা অংশ।



