Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নলহাটিতে রেলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে নেশার ঠেক

নলহাটিতে রেলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে নেশার ঠেক
  • ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নলহাটিতে রেলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারগুলিতে বসছিল নেশার ঠেক। চলছিল নানা আসামাজিক কাজকর্ম। স্থানীয় বাসিন্দারা সোচ্চার হতেই বুধবার অভিযান চালিয়ে কোয়ার্টারগুলি সিল করে দিল আরপিএফ।  
Advertisement
ইংরেজ শাসনকালে নলহাটি জংশন চত্বরে বেশকিছু কোয়ার্টার গড়ে তোলা হয়েছিল। যেগুলির অধিকাংশ জীর্ণ এবং বসবাসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। দেখলে কেউ ভাবতেই পারবেন না যে, একসময় এখানে রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বসবাস করতেন। কিন্তু, কয়েকবছর ধরে রেলের কিছু স্বার্থান্বেষী ও অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে বেদখল হয়ে পড়েছিল। নেশাখোরদের আড্ডা ও অসমাজিক কার্যকলাপ চলছিল। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় মানুষজন এই অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। তাছাড়া অনেকেই সেখানে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অলিখিত মাসিক ভাড়ার ভিত্তিতে আবাসনগুলিতে অনেকে বসবাস করছেন। সেই ভাড়ার টাকা পাচ্ছে না রেল। আবার পরিত্যক্ত আবাসনগুলিতে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে অসামাজিক কাজ। মদ, জুয়ার আসর বসছে। 
স্থানীয়রা এনিয়ে সোচ্চার হতেই দিন কয়েক আগে আবাসনগুলি খালি করার জন্য নির্দেশিকা সাঁটিয়ে যায় রেল। এদিন অভিযান চালিয়ে আবাসগুলি সিল করে দিল আরপিএফ। নলহাটি আরপিএফ ইন্সপেক্টর সকলদেব কুমার বলেন, ১৫টি মতো কোয়ার্টার ছিল। তার মধ্যে তিনটিতে জিআরপি কর্মীরা রয়েছেন। বাকিগুলি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল। সেখানে আসামাজিক কাজকর্ম চলছিল। অনেকে অবৈধভাবে বসবাস করছিল। ফ্রিতে জল ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করছিল। রেলের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছিল। তাছাড়া যে কোনও সময় অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারত। সেক্ষেত্রে রেলকেই বিড়ম্বনায় পড়তে হত। সেই আশঙ্কায় এদিন ১২টি কোয়ার্টার সিল করে দেওয়া হল। পরবর্তী নির্দেশ এলে বাকি তিনটিও খালি করে সিল করে দেওয়া হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ