সংবাদদাতা, রামপুরহাট: দাবি মানতে চাননি রেলকর্তারা। উল্টে অপমানিত হতে হয়েছে। যেকোনও দিন কয়েক হাজার মানুষকে একত্রিত করে রেল অবরোধে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে বৈঠক থেকে বেরিয়ে এলেন নলহাটি নাগরিক মঞ্চের সদস্যরা। একইভাবে বৈঠক ছাড়েন এলাকার বিধায়ক রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিংও।
Advertisement
আপ ও ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা, কুলিক ও ডাউন উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজ, স্টেশনের উন্নয়ন ও করোনাকালে বন্ধ থাকা বারাণসী এক্সপ্রেস, বর্ধমান-মালদহ লোকাল, দানাপুর ফাস্ট প্যাসেঞ্জার, বারহারোয়া-শিয়ালদহ বামদেব প্যাসেঞ্জার ও রামপুরহাট সাহেবগঞ্জ লোকাল চালুর দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে নলহাটি নাগরিক মঞ্চ। গত দু’বছরে বেশ কয়েকবার অবরোধের ডাক দিলেও রেলকর্তাদের আশ্বাসে সরে আসে। কিন্তু রেল দাবি পূরণ না করায় ১ডিসেম্বর রেল অবরোধ করে নাগরিক মঞ্চ। যার জেরে ওইদিন বর্ধমান সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। ওইদিন এডিআরএম এবং সিনিয়র ডিসিএম মঞ্চের সদস্যদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। কিন্তু শুধুমাত্র ডাউন উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজের মৌখিক আশ্বাস ছাড়া কোনও দাবি মানতে চাননি তাঁরা। ক্ষুব্ধ মঞ্চের সদস্যরা বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। যদিও সেই আন্দোলনে পরে এক মাস পেরিয়ে গেলেও ডাউন উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হয়নি। উল্টে রেল অবরোধ করায় মঞ্চের পদাধিকারীদের কেস দিয়েছে রেল। এরই মধ্যে রেলকে চিঠি দিয়ে ১২ফেব্রুয়ারির পর যে কোনওদিন অবরোধ করা হবে বলে রেলকে চিঠি দিয়ে জানায় মঞ্চ। সেইমতো গত বৃহস্পতিবার ডিভিশনাল সিকিউরিটি কমিশনার ও ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজারের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়। তাতে বলা হয় ১১ ফেব্রুয়ারি হাওড়ায় ডিআরএম লেভেলে মিটিংয়ে মঞ্চের সদস্যদের উপস্থিত থাকতে। সেইমতো মঙ্গলবার বিকেলে মঞ্চের পদাধিকারী ও এলাকার বিধায়ক মিটিংয়ে হাজির হন। অভিযোগ, মিটিংয়ে ডিআরএম থাকার কথা থাকলেও তিনি ছিলেন না। এডিআরএম এবং সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশন ম্যানেজার উপস্থিত ছিলেন।
মঞ্চের সহ সম্পাদক রাজেন্দ্র মিশ্র বলেন, কোনও দাবিই তাঁরা মানতে চাননি। স্টেশনের উন্নয়ন করবেন, কিন্তু উল্লেখিত কোনও ট্রেনের স্টপেজ দিতে পারবেন না বলে জানান। তাই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসি। তবে রেলকর্তাদের বলা হয়েছে, আর কোনও রিমাইন্ডার চিঠি দেব না। যে কোনও মুহূর্তে রেল অবরোধ করা হবে। পারলে আটকে নেবেন।
মঞ্চের সভাপতি সনকা বিশ্বাস বলেন, বৈঠকে আমাদের অপমান করা হয়েছে। রেলকর্তারা তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বন্দেভারতকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে বলেন। ডাউন উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজ ও বর্ধমান-মালদহ লোকাল চালু করার জন্য উপরমহলে চিঠি করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু সেই সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্র তাঁরা দেখাতে পারেননি। এভাবে ডেকে অপমান করার কোনও মানে হয় না। ফলে আমরা বেরিয়ে চলে আসি। মাধ্যমিক পরীক্ষার পর যে কোনও মুহূর্তে আমরা রেল অবরোধ করব। বিধায়ক বলেন, নলহাটির জনগণের কোনও দাবি মানতে চায়নি রেল। উল্টে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে। ফলে বৈঠক ছেড়ে চলে আসি।
এব্যাপারে পূর্বরেলের জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত বলেন, বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে জানি না। তবে যে কোনও দাবিদাওয়া জানানোর নির্দিষ্ট ফোরাম রয়েছে। তার মধ্যে থেকেই সমাধান করতে হবে। রেল অবরোধ করে যাত্রীদের অযথা হয়রান না করাই ভালো।
মঞ্চের সহ সম্পাদক রাজেন্দ্র মিশ্র বলেন, কোনও দাবিই তাঁরা মানতে চাননি। স্টেশনের উন্নয়ন করবেন, কিন্তু উল্লেখিত কোনও ট্রেনের স্টপেজ দিতে পারবেন না বলে জানান। তাই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসি। তবে রেলকর্তাদের বলা হয়েছে, আর কোনও রিমাইন্ডার চিঠি দেব না। যে কোনও মুহূর্তে রেল অবরোধ করা হবে। পারলে আটকে নেবেন।
মঞ্চের সভাপতি সনকা বিশ্বাস বলেন, বৈঠকে আমাদের অপমান করা হয়েছে। রেলকর্তারা তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বন্দেভারতকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে বলেন। ডাউন উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজ ও বর্ধমান-মালদহ লোকাল চালু করার জন্য উপরমহলে চিঠি করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু সেই সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্র তাঁরা দেখাতে পারেননি। এভাবে ডেকে অপমান করার কোনও মানে হয় না। ফলে আমরা বেরিয়ে চলে আসি। মাধ্যমিক পরীক্ষার পর যে কোনও মুহূর্তে আমরা রেল অবরোধ করব। বিধায়ক বলেন, নলহাটির জনগণের কোনও দাবি মানতে চায়নি রেল। উল্টে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে। ফলে বৈঠক ছেড়ে চলে আসি।
এব্যাপারে পূর্বরেলের জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত বলেন, বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে জানি না। তবে যে কোনও দাবিদাওয়া জানানোর নির্দিষ্ট ফোরাম রয়েছে। তার মধ্যে থেকেই সমাধান করতে হবে। রেল অবরোধ করে যাত্রীদের অযথা হয়রান না করাই ভালো।



