সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ১৫দিন পরই বিয়ে হতো। তাই কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিল পাত্রপাত্রী দু’জনই। কিন্তু চারহাত আর এক হল না। তার আগেই বাসের ধাক্কায় দু’জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। বৃহস্পতিবার বোলপুর-রাজগ্রাম রাজ্য সড়কের নলহাটির পাইকপাড়া গ্রামের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া, মহম্মদবাজার, নলহাটি ও রামপুরহাটে পৃথক দুর্ঘটনায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। দু’জন জখম হয়েছেন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, পাইকপাড়ায় মৃত যুগলের নাম জ্যোর্তিময় দাস(২২) ও রাসমণি দাস (১৮)। পেশায় রাজমিস্ত্রি জ্যোর্তিময়ের বাড়ি রামপুরহাট থানার সাদিনপুর গ্রামে। রাসমণির বাড়ি নলহাটির কানিওর গ্রামে। এবছর রাসমণি মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। ৭মার্চ তাঁদের বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে হবু স্ত্রীকে স্কুটারে চাপিয়ে নলহাটিতে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন জ্যোর্তিময়। সন্ধ্যা নাগাদ কানিওর গ্রামে হবু স্ত্রীকে বাড়িতে দিয়ে আসতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পাইকপাড়ার আদিবাসীপাড়ার কাছে মুরারই থেকে নলহাটির দিকে আসা একটি বেসরকারি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের স্কুটারে ধাক্কা মারে। দু’জনই গুরুতর জখম হন। স্থানীয়রা তাঁদের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। জ্যোতির্ময়ের আত্মীয় কালীপদ দাস বলেন, বিয়ের সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। পুলিস বাসটি আটক করেছে। চালক পলাতক।
শুক্রবার ভোরে নলহাটি-কুশমোর রাস্তায় গোপালপুর পশুহাটের কাছে বালিবোঝাই ডাম্পার ধাক্কা মারল টোটোয়। এতে টোটো চালক ও এক মহিলা যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আরও দুই যাত্রী জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম নেশফুল হক(৫৫) ও নাম নফিসা বিবি (৬৫)। নেশফুলের বাড়ি নলহাটি পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে। নফিসা বিবি নলহাটির ডাঙাপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ডাম্পারটি নলহাটির দিকে যাচ্ছিল। উল্টোদিক থেকে আসা টোটোয় চালক সহ পাঁচজন ছিলেন। পুলিস ডাম্পারটি আটক করেছে। চালক ও খালাসি পলাতক।
বৃহস্পতিবার রাতে মহম্মদবাজারের ডামরা গ্রামের কাছে টোটো উল্টে প্রৌঢ় চালকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বাণেশ্বর লেটের(৫৭) বাড়ি ডামরা গ্রামে। টোটোয় কোনও যাত্রী ছিল না। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা বাণেশ্বরবাবুকে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ রামপুরহাটের বড়শাল গ্রামের কাছে বাইক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের(৪৩) বাড়ি তারাপীঠের পাণ্ডাপাড়ায়। তিনি তারাপীঠ মন্দিরের সেবাইত ছিলেন। বড়শাল হনুমান মন্দিরের কাছে হাম্প পেরোনোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর বাইক উল্টে যায়। হেলমেটবিহীন সোমনাথবাবু রাস্তায় ছিটকে পড়েন। খবর পেয়ে দমকলের গাড়ি তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে হবু স্ত্রীকে স্কুটারে চাপিয়ে নলহাটিতে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন জ্যোর্তিময়। সন্ধ্যা নাগাদ কানিওর গ্রামে হবু স্ত্রীকে বাড়িতে দিয়ে আসতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পাইকপাড়ার আদিবাসীপাড়ার কাছে মুরারই থেকে নলহাটির দিকে আসা একটি বেসরকারি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের স্কুটারে ধাক্কা মারে। দু’জনই গুরুতর জখম হন। স্থানীয়রা তাঁদের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। জ্যোতির্ময়ের আত্মীয় কালীপদ দাস বলেন, বিয়ের সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। পুলিস বাসটি আটক করেছে। চালক পলাতক।
শুক্রবার ভোরে নলহাটি-কুশমোর রাস্তায় গোপালপুর পশুহাটের কাছে বালিবোঝাই ডাম্পার ধাক্কা মারল টোটোয়। এতে টোটো চালক ও এক মহিলা যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আরও দুই যাত্রী জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম নেশফুল হক(৫৫) ও নাম নফিসা বিবি (৬৫)। নেশফুলের বাড়ি নলহাটি পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে। নফিসা বিবি নলহাটির ডাঙাপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ডাম্পারটি নলহাটির দিকে যাচ্ছিল। উল্টোদিক থেকে আসা টোটোয় চালক সহ পাঁচজন ছিলেন। পুলিস ডাম্পারটি আটক করেছে। চালক ও খালাসি পলাতক।
বৃহস্পতিবার রাতে মহম্মদবাজারের ডামরা গ্রামের কাছে টোটো উল্টে প্রৌঢ় চালকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বাণেশ্বর লেটের(৫৭) বাড়ি ডামরা গ্রামে। টোটোয় কোনও যাত্রী ছিল না। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা বাণেশ্বরবাবুকে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ রামপুরহাটের বড়শাল গ্রামের কাছে বাইক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের(৪৩) বাড়ি তারাপীঠের পাণ্ডাপাড়ায়। তিনি তারাপীঠ মন্দিরের সেবাইত ছিলেন। বড়শাল হনুমান মন্দিরের কাছে হাম্প পেরোনোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর বাইক উল্টে যায়। হেলমেটবিহীন সোমনাথবাবু রাস্তায় ছিটকে পড়েন। খবর পেয়ে দমকলের গাড়ি তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।



