সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বিএলএলআরও-র সই সিল জাল করে নকল রয়্যালটি চালান নিয়ে পাথর পাচারের সময় নলহাটি থানার পুলিসের জালে ধরা পড়ল তিন জন। বৃহস্পতিবার ভোরে নলহাটির মুর্শিদাবাদ সীমানা নাকপুর চেকপোস্টের কাছে পাথর বোঝাই লরি আটকের পাশাপাশি তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম প্রকাশ ঘোষ, সেমিনূর শেখ ওরফে শ্যাম ও নইমূল হক। সকলের বাড়ি নলহাটির খানপুর গ্রামে। যদিও গাড়িতে থাকা আরও একজন পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাটি বলেন, বিচারক দুজনকে তিনদিনের পুলিস হেফাজত ও একজনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
রাজস্ব ফাঁকি দিতে শিল্পাঞ্চল থেকে ট্রাক্টরে করে পাথর এনে রাস্তার ধারে মজুত করা হচ্ছিল। পরে সেখান থেকে ডাম্পার, লরিতে বোঝাই করে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পাচার চলছিল। সম্প্রতি নলহাটি ও মুরারইয়ের চাতরায় এমন বেশ কিছু জায়গায় অভিযান চালিয়ে পাথর বাজেয়াপ্ত করে পুলিস প্রশাসন। চাতরার ঘটনায় কয়েকজনের নামে এফআইআরও করেন বিএলএলআরও। যদিও পুলিস কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি। অভিযোগ, পাথর পাচারে যুক্তদের অধিকাংশই শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত।
এরই মধ্যে এবার নকল রয়্যালটি চালান তৈরি করে পাথর পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিস জানিয়েছে, এদিন ভোরে রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের নাকপুর চেকপোস্টের কাছে পাথর বোঝাই একটি লরি আটক করে তারা। লরিটিতে ৪০ টন পাথর ছিল। তারা রয়্যালটির চালান দেখতে চায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেটি নকল। বিএলএলআরওর সই সিল জাল করা হয়েছে। এরপরই লরিতে থাকা চালক খালাসি সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একজন পালিয়ে যায়। পাথর বোঝাই লরিটি আটক করা হয়। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বীরভূমে বালি পাচার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলাশাসককে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই বালি, পাথর পাচার রুখতে অভিযান শুরু করেছে পুলিস প্রশাসন। কিন্তু তারপরও নানা কায়দায় পাচারে মরিয়া মাফিয়ারা।
এরই মধ্যে এবার নকল রয়্যালটি চালান তৈরি করে পাথর পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিস জানিয়েছে, এদিন ভোরে রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের নাকপুর চেকপোস্টের কাছে পাথর বোঝাই একটি লরি আটক করে তারা। লরিটিতে ৪০ টন পাথর ছিল। তারা রয়্যালটির চালান দেখতে চায়। যদিও পুলিসের দাবি, সেটি নকল। বিএলএলআরওর সই সিল জাল করা হয়েছে। এরপরই লরিতে থাকা চালক খালাসি সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একজন পালিয়ে যায়। পাথর বোঝাই লরিটি আটক করা হয়। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বীরভূমে বালি পাচার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলাশাসককে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই বালি, পাথর পাচার রুখতে অভিযান শুরু করেছে পুলিস প্রশাসন। কিন্তু তারপরও নানা কায়দায় পাচারে মরিয়া মাফিয়ারা।



