সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নলহাটিতে জাতীয় সড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাহসিকতার জন্য তিনজন সিভিক ভলান্টিয়ারকে সংবর্ধনা দেওয়া হল। নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছিনতাইবাজ দলের এক দুষ্কৃতীকে তাঁরা ধরে ফেলে। এদিন নলহাটি থানার পুলিসের পক্ষ থেকে তাঁদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের সংবর্ধনা দেন পুলিস আধিকারিকরা। এই ঘটনার কিনারায় রাজ্যের বিভিন্ন থানার পাশাপাশি বিহার ও উত্তরপ্রদেশের পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। ধৃত দুষ্কৃতীকে বৃহস্পতিবার রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাটি বলেন, বিচারক ধৃতের ১৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
Advertisement
বুধবার নলহাটিতে জাতীয় সড়কে অভিনব কায়দায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মোড়গ্রাম মোড়ে বাসের অপেক্ষায় থাকা রামপুরহাটের এক দম্পতির সঙ্গে সেনাকর্মী পরিচয় দিয়ে আলাপ করে এক যুবক। এমন সময় কাস্টমসের স্টিকার সাঁটানো গাড়িতে লিফ্ট দেওয়ার নাম করে ওই দম্পতিকে তুলে তাঁদের কাছ থেকে টাকা, সোনার আংটি, দুটি এটিএম কার্ড কেড়ে নেয় দুষ্কৃতীরা। পরে দম্পতিকে কলিঠা গ্রামের কাছে নামিয়ে তারা পালিয়ে যায়। ওই দম্পতি কলিঠা মোড়ে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারকে জানান। পরে লোহাপুরে জাতীয় সড়কে ডিউটিতে থাকা মুরসালিম শেখ, হুমায়ুন কবির ও শিস মহম্মদ নামে তিন সহকর্মীকে জানান। সেই তিনজন জাতীয় সড়কে গার্ডরেল লাগিয়ে দেন। ছিনতাইকারীদের গাড়ির চালক বুঝতে পেরে লোহাপুর বাজারের ভিতর দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সেই সময় লোহাপুর রেলগেট পড়েছিল। সিভিক ভলান্টিয়াররা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের পিছু ধাওয়া করেন। দুষ্কৃতীরা সেখান থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে স্থানীয় একটি গ্রামের গলিতে গাড়িটি লুকানোর চেষ্টা করে। সেখান থেকেই সিভিক ভলান্টিয়াররা গাড়ি সহ চালক মহম্মদ সানোয়ারকে ধরে ফেলে। যদিও ততক্ষণে গাড়িতে থাকা আরও দুই দুষ্কৃতী গা ঢাকা দেয়।
তাঁরা যেভাবে উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়িটির পিছু নিয়ে ধরে একজনকে ধরেছেন তা প্রশংসার যোগ্য। সেজন্য ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ারকে এদিন পুলিসের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা পেয়ে খুশি ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁরা জানান, এই সংবর্ধনা তাঁদের আগামীদিনে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে। প্রাথমিক জেরায় পুলিস জানতে পেরেছে সেনাকর্মী পরিচয় দেওয়া যুবক ধৃতের ভাই সাহানে আলম। বাড়ি বিহারের মজ্জফরপুরে। পুলিস সূত্রের খবর, জেল হেফাজতে ধৃতের টিআই প্যারেড করা হবে। এরপর তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিস।
পুলিস তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে গাড়িটি ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। গাড়িটির প্রকৃত মালিক কে সেটা জানতে সেখানকার পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ধৃতের নামে বিহার, উত্তরপ্রদেশ বা রাজ্যের কোনও থানায় অভিযোগ রয়েছে কীনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে পলাতক দুই দুষ্কৃতীর খোঁজে তল্লাশি চলছে।
তাঁরা যেভাবে উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়িটির পিছু নিয়ে ধরে একজনকে ধরেছেন তা প্রশংসার যোগ্য। সেজন্য ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ারকে এদিন পুলিসের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা পেয়ে খুশি ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁরা জানান, এই সংবর্ধনা তাঁদের আগামীদিনে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে। প্রাথমিক জেরায় পুলিস জানতে পেরেছে সেনাকর্মী পরিচয় দেওয়া যুবক ধৃতের ভাই সাহানে আলম। বাড়ি বিহারের মজ্জফরপুরে। পুলিস সূত্রের খবর, জেল হেফাজতে ধৃতের টিআই প্যারেড করা হবে। এরপর তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিস।
পুলিস তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে গাড়িটি ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। গাড়িটির প্রকৃত মালিক কে সেটা জানতে সেখানকার পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ধৃতের নামে বিহার, উত্তরপ্রদেশ বা রাজ্যের কোনও থানায় অভিযোগ রয়েছে কীনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে পলাতক দুই দুষ্কৃতীর খোঁজে তল্লাশি চলছে।



