সংবাদদাতা, কাটোয়া: ‘মিশন ক্লিন গঙ্গা’ প্রকল্পে কাটোয়া শহরে সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্প গড়ে তুলতে চলেছে পুরসভা। প্রকল্প নির্মাণের কাজ করবে কেএমডিএ। এতে শহরের নিকাশি নালার নোংরা জল শোধন করে ভাগীরথীতে ফেলা হবে। নদীর জলকে দূষণের হাত থেকে মুক্ত করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরজন্য ১৫৪ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর সাহা বলেন, শহরের নিকাশির জল শোধন করে গঙ্গায় ফেলা হবে। তার জন্যই এই সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। তাছাড়া বর্ষায় শহরে আর জল জমার আশঙ্কাও থাকবে না।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি গড়ে তোলা হবে। তারজন্য কয়েকটি জলাধার তৈরি করা হবে। যাতে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিকাশির জল এখানে এসে জমা হয়ে শোধন করে গঙ্গায় ফেলা যায়। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আরও একটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট আগে থেকেই আছে। যদিও সেই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাছাড়া সেখানে শহরের সমস্ত ওয়ার্ডের নিকাশির জল যায় না। সেই জন্যই নতুন সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট গড়া হবে। এতে শহরের বেশির ভাগ ওয়ার্ডের নিকাশির জল শোধন করা সম্ভব হবে। অবশ্য ১৪, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের জল ভাগীরথীতে ফেলা হয় না।
পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বরুণ পাল বলেন, নিকাশির জল এখানে এসে জমা হবে। তারপর শোধন করে সেটা গঙ্গায় ফেলা হবে। তারজন্য আমরা ডিপিআর পাঠিয়ে দিয়েছি। শহরের নিকাশি নালাগুলিরও হাল ফিরবে।
২০০৯-১০ আর্থিক বছরে কাটোয়া শহরের মোট ছ’টি ওয়ার্ডের নিকাশি নালার বর্জ্য সহ দূষিত জল পরিশোধন করে ভাগীরথীতে ফেলার জন্য গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যানে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি করা হয়েছিল। ৭.৭ একর জমির উপর ৩৩ লক্ষ টাকা খরচ করে ওই প্রকল্পটি করা হয়েছে। কাটোয়ার ওই প্ল্যান্টের জমির জন্য প্রথমে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা খরচ করেছিল রাজ্য সরকার। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে বেশ কিছুটা কাজ অর্ধ সমাপ্ত করেই তড়িঘড়ি কাটোয়া পুরসভাকে এই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট হস্তান্তরের জন্য রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ চিঠি দেয়। কিন্তু সেসময় কাটোয়া পুরসভা ওই অর্ধসমাপ্ত প্ল্যান্ট নিতে অস্বীকার করে এবং রাজ্য জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগকে জানিয়ে দেয়। ২০১৭ সালে পুনরায় পুরসভাকে হস্তান্তরের জন্য চিঠি দেয়। যথারীতি একই প্রশ্ন করে চিঠি দিয়ে কাটোয়া পুরসভা অর্ধসমাপ্ত প্ল্যান্ট নিতে অস্বীকার করে। পরে কাটোয়ার তৎকালীন চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে ও দপ্তরের মন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের ৮ সদস্যের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। ঠিক হয়, শহরের নোংরা জল একটি নালার মাধ্যমে এসে রিজার্ভারে জমা হবে। তারপর সেখানে সেই নোংরা জল পরিশোধন হয়ে গঙ্গায় ফেলা হবে। পরবর্তীকালে পুরনো প্রকল্পটি পিএইচই পুরসভাকে হস্তান্তরিত করেছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি গড়ে তোলা হবে। তারজন্য কয়েকটি জলাধার তৈরি করা হবে। যাতে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিকাশির জল এখানে এসে জমা হয়ে শোধন করে গঙ্গায় ফেলা যায়। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আরও একটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট আগে থেকেই আছে। যদিও সেই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাছাড়া সেখানে শহরের সমস্ত ওয়ার্ডের নিকাশির জল যায় না। সেই জন্যই নতুন সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট গড়া হবে। এতে শহরের বেশির ভাগ ওয়ার্ডের নিকাশির জল শোধন করা সম্ভব হবে। অবশ্য ১৪, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের জল ভাগীরথীতে ফেলা হয় না।
পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বরুণ পাল বলেন, নিকাশির জল এখানে এসে জমা হবে। তারপর শোধন করে সেটা গঙ্গায় ফেলা হবে। তারজন্য আমরা ডিপিআর পাঠিয়ে দিয়েছি। শহরের নিকাশি নালাগুলিরও হাল ফিরবে।
২০০৯-১০ আর্থিক বছরে কাটোয়া শহরের মোট ছ’টি ওয়ার্ডের নিকাশি নালার বর্জ্য সহ দূষিত জল পরিশোধন করে ভাগীরথীতে ফেলার জন্য গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যানে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি করা হয়েছিল। ৭.৭ একর জমির উপর ৩৩ লক্ষ টাকা খরচ করে ওই প্রকল্পটি করা হয়েছে। কাটোয়ার ওই প্ল্যান্টের জমির জন্য প্রথমে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা খরচ করেছিল রাজ্য সরকার। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে বেশ কিছুটা কাজ অর্ধ সমাপ্ত করেই তড়িঘড়ি কাটোয়া পুরসভাকে এই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট হস্তান্তরের জন্য রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ চিঠি দেয়। কিন্তু সেসময় কাটোয়া পুরসভা ওই অর্ধসমাপ্ত প্ল্যান্ট নিতে অস্বীকার করে এবং রাজ্য জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগকে জানিয়ে দেয়। ২০১৭ সালে পুনরায় পুরসভাকে হস্তান্তরের জন্য চিঠি দেয়। যথারীতি একই প্রশ্ন করে চিঠি দিয়ে কাটোয়া পুরসভা অর্ধসমাপ্ত প্ল্যান্ট নিতে অস্বীকার করে। পরে কাটোয়ার তৎকালীন চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে ও দপ্তরের মন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের ৮ সদস্যের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। ঠিক হয়, শহরের নোংরা জল একটি নালার মাধ্যমে এসে রিজার্ভারে জমা হবে। তারপর সেখানে সেই নোংরা জল পরিশোধন হয়ে গঙ্গায় ফেলা হবে। পরবর্তীকালে পুরনো প্রকল্পটি পিএইচই পুরসভাকে হস্তান্তরিত করেছে।



