সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: নকশালবাড়ি বিভিন্ন এলাকায় হানা দিল ভূমিদপ্তর। সোমবার নকশালবাড়ি ঢাকনাজোতের সরকারি গাইডলাইন অমান্য করে চলা বালির দুটি স্টকইয়ার্ড খতিয়ে দেখেন ভূমিদপ্তরের আধিকারিরা। নির্দেশিকা অনুযায়ী সমস্ত শর্ত পালন না করে সেগুলো চালানোর অভিযোগ ছিল। পরিদর্শন করে নকশালবাড়ি বিএলআরও দেবরাজ বাগ বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দুটি স্টক ইয়ার্ড পরিদর্শন করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
ভূমিদপ্তরের হানা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এলাকার শতাধিক ট্রাক্টরের মালিক ও চালকরা সেখানে ভিড় করেন। তাদের দাবি, স্টকইয়ার্ড বালি না দিলে তাদের পেট চলা দায় হয়ে পড়বে। এক ট্রাক্টর মালিক পলাশ সূত্রধর বলেন, বালির কাজ বন্ধ হলে গাড়ির ঋণ শোধ করা দায় হয়ে পড়বে। এছাড়া নকশালবাড়ির পশ্চিম বাবুপাড়ার খেমচি নদী দখল করে অবৈধ প্রাচীরে নির্মাণের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এলাকায় যান ভূমিদপ্তরের আধিকারিকরা। সেখানে স্থানীয়দের থেকে সমস্ত অভিযোগ শোনেন তাঁরা। যদিও পুরও ঘটনার রিপোর্ট তৈরি করে উপরমহলে পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন আধিকারিকরা।
এদিকে সরকারি দপ্তরের আধিকারিককে সামনে পেয়ে নদী দখল সংক্রান্ত একাধিক মৌখিক অভিযোগ জানান স্থানীয়রা। বিক্রম ঘোষ নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এলাকার নদীর অধিকাংশ জায়গায় দখল হয়েছে। যা আধিকারিককে জানিয়েছি। মঙ্গলবার পুরো বিষয় নিয়ে ভূমিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করব। যদিও বিএলআরও বলেন, নদী দখল করে নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে দেখে সেচদপ্তরে জানানো হয়েছে।
এদিকে সরকারি দপ্তরের আধিকারিককে সামনে পেয়ে নদী দখল সংক্রান্ত একাধিক মৌখিক অভিযোগ জানান স্থানীয়রা। বিক্রম ঘোষ নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এলাকার নদীর অধিকাংশ জায়গায় দখল হয়েছে। যা আধিকারিককে জানিয়েছি। মঙ্গলবার পুরো বিষয় নিয়ে ভূমিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করব। যদিও বিএলআরও বলেন, নদী দখল করে নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে দেখে সেচদপ্তরে জানানো হয়েছে।



