সংবাদদাতা, ডোমকল: বৃষ্টি হলেই স্কুল চত্বরে জমে জল। নিকাশির ব্যবস্থা না থাকায় বাড়ে দুর্ভোগ। পিঠে ব্যাগ নিয়ে নোংরা জমা জল পেরিয়ে স্কুলে যেতে পড়ুয়াদের। জমা জলে ভোগান্তি হয় স্কুলের শিক্ষক থেকে মিড ডে মিলের রাঁধুনিদেরও। দু’এক পশলা বৃষ্টিতেই জল জমে এমনই চেহারা নেয় সাগরপাড়ার খয়রামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪০ নম্বর বড়বিলা প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বর। দীর্ঘদিন ধরে জল যন্ত্রণায় দুর্ভোগ পোহালেও স্থানীয় পঞ্চায়েত-প্রশাসনের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। অভিযোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার জানানোর পরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও সোমবার খয়রামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিঠুন বিশ্বাসকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, জল জমার বিষয়টি তাঁদের নজরে ছিল না। তাঁদের তরফে দ্রুত ওই জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে জল না জমে, তার জন্য স্থায়ীভাবে নিকাশির ব্যবস্থা করা হবে।
Advertisement
সাগরপাড়ার প্রসন্ননগর যাওয়ার রাস্তায় বড়বিলা এলাকায় রাস্তার ধারেই অবস্থিত ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুলের ছাত্রের সংখ্যা একশোর আশপাশে। স্কুল চত্বর খানিকটা নিচু হওয়ায় দু’এক পশলা বৃষ্টিতেই স্কুল চত্বরে জল জমে যায়। নিকাশির কোনও ব্যবস্থা না থাকায় ওই জল নিষ্কাশন করা যায় না। পঞ্চায়েতের তরফেও নিকাশির কোনও ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়নি। এদিকে স্কুল সূত্রে খবর, এ বছর তাঁদের স্কুলে কম্পোজিট ফান্ডে টাকা দেওয়া হয়নি। ওই জল নিষ্কাশনের মতো টাকা আপাতত তাঁদের কাছে নেই। এদিকে, নিকাশি না থাকার কারণে একটু বৃষ্টিতেই স্কুল চত্বর পুরোপুরি জলের তলায় চলে যায়। দীর্ঘদিন ধরে ওই জল জমে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তারপরেও রাস্তার জল পেরিয়ে স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়া থেকে শিক্ষকদের। অভিযোগ তারপরেও প্রশাসন ওই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়নি। স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্র বলে, স্কুলের মধ্যে নোংরা জল জমে আছে। প্রতিদিন ওই নোংরা জল পেরিয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়। এভাবে যেতে গিয়ে আমাদের স্কুল ড্রেসে নোংরা লেগে যায়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনারুল ইসলাম বলেন, হাল্কা বৃষ্টি হলেই স্কুল চত্বরে জল জমে যায়। ওই নোংরা জলের ওপর দিয়েই আমাদের চলাফেরা করতে হয়। কর্দমাক্ত জলের ওপর দিয়ে যাওয়া আসা করতে গিয়ে বাচ্চারা অনেক সময় পড়ে যায়। আমরা একাধিক জায়গায় জানিয়েছি, তার পরেও সুরাহা হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ীভাবে নিকাশির একটা ব্যবস্থা করা হলে, তবেই এলাকার সবাই উপকৃত হব।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনারুল ইসলাম বলেন, হাল্কা বৃষ্টি হলেই স্কুল চত্বরে জল জমে যায়। ওই নোংরা জলের ওপর দিয়েই আমাদের চলাফেরা করতে হয়। কর্দমাক্ত জলের ওপর দিয়ে যাওয়া আসা করতে গিয়ে বাচ্চারা অনেক সময় পড়ে যায়। আমরা একাধিক জায়গায় জানিয়েছি, তার পরেও সুরাহা হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ীভাবে নিকাশির একটা ব্যবস্থা করা হলে, তবেই এলাকার সবাই উপকৃত হব।



