দীপ্তিপ্রকাশ দে, আরামবাগ: হিমেল হাওয়া আর কনকনে ঠান্ডায় শহরের উত্তাপ কিছুটা বাড়িয়ে দিল আরামবাগ ডান্স অ্যাকাডেমির বাৎসরিক নৃত্যসন্ধ্যা। শনিবার শহরের রবীন্দ্রভবনে এই অনুষ্ঠান হয়। পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে বারবার হাততালির ঝড় ওঠে। অনেকেই জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছেন। চারশোর বেশি ছাত্রছাত্রী ২১তম বার্ষিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। খুদেদের পাশাপাশি নৃত্যশৈলীতে নজর কেড়েছেন ‘মমস গ্রুপের’ মায়েরাও। গান নির্বাচন থেকে উপস্থাপনা, সবেতেই ছিল অভিনবত্বের ছোঁয়া। সম্মিলিত নৃত্যের এক একটি পর্ব শেষ হয়েছে, আর মুগ্ধ হয়েছেন উপস্থিত দর্শকরা। খুদে শিল্পীদের ‘লুঙ্গি ডান্স’ থেকে রবীন্দ্রনৃত্য, বারবার আন্দোলিত করেছে দর্শকদের। গোটা অনুষ্ঠান দক্ষ হাতে পরিচালনা করেন আরামবাগ ডান্স অ্যাকাডেমির কর্ণধার, নৃত্যশিল্পী অভিষেক মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠান সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন স্নিতি ঘোষ।
Advertisement
ডান্স অ্যাকাডেমির অনুষ্ঠান মানেই অভিনব কিছু। তাই ফি বছরই তাদের বাৎসরিক উদ্যাপনের দিকে তাকিয়ে থাকেন শহরের মানুষ। মূল অনুষ্ঠানের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় তালিমপর্ব। নিখুঁত পেশাদারিত্বে সেই পর্বকে এগিয়ে নিয়ে যান প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার অভিষেক। এদিন মূল অনুষ্ঠানের সূচনা করেন আরামবাগ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা এই প্রতিষ্ঠানের সফল জন্মদাত্রী মমতা মুখোপাধ্যায়।
২০০১ সালে তাঁর হাত ধরেই ডান্স অ্যাকাডেমির জন্ম, যা আজ মহীরুহের চেহারা নিয়েছে। শনিবার নৃত্যানুষ্ঠান দেখতে শহরের শিল্প-সংস্কৃতি জগতের বহু মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার অনুষ্ঠান ছিল সম্পূর্ণ নির্মেদ। বড়দের পাশাপাশি হলুদ গাঁদার ফুল, কালা চশমা, গলতি সে মিসটেক থেকে লুঙ্গি ডান্স, বাহারী পোশাক পরে প্রতিটি গানের সঙ্গে দুর্দান্ত উপস্থাপনায় মন জয় করে নেয় খুদেশিল্পীরাও।
প্রতিষ্ঠানে কর্ণধার অভিষেক বলেন, নৃত্যসন্ধ্যায় লখনউ ঘরানার প্রখ্যাত কত্থকশিল্পী সায়নী চাভদা একক নৃত্য পরিবেশন করেন। তিনি আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে কত্থক শেখাবেন। এটা আমাদের কাছে পরম প্রাপ্তি। আমি নিজে কত্থক ও রবীন্দ্রনৃত্য শেখাই। এছাড়াও ক্লাসিক্যাল বিভাগে ভরতনাট্যম রয়েছে। রয়েছে বলিউড, কন্টেম্পোরারি, ফোক সহ ভারতীয় নৃত্যের একাধিক ধারা। বাইরে থেকে শিক্ষকরা আসেন। আগামী দিনে এই প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমার স্বপ্ন। পুরসভার ভাইস চেয়ারমান তথা এই অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মমতাদেবী বলেন, প্রায় আড়াই দশক আগে এই প্রতিষ্ঠান তৈরির কথা ভেবেছিলাম। এখন অ্যাকাডেমি অনেক বড় হয়েছে। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে নৃত্য শেখান। অভিষেক দক্ষতার সঙ্গে অ্যাকাডেমি পরিচালনা করছে। সকলের ভালোবাসায় আরও বড় হবে এই প্রতিষ্ঠান, এটুকুই আশা।
২০০১ সালে তাঁর হাত ধরেই ডান্স অ্যাকাডেমির জন্ম, যা আজ মহীরুহের চেহারা নিয়েছে। শনিবার নৃত্যানুষ্ঠান দেখতে শহরের শিল্প-সংস্কৃতি জগতের বহু মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার অনুষ্ঠান ছিল সম্পূর্ণ নির্মেদ। বড়দের পাশাপাশি হলুদ গাঁদার ফুল, কালা চশমা, গলতি সে মিসটেক থেকে লুঙ্গি ডান্স, বাহারী পোশাক পরে প্রতিটি গানের সঙ্গে দুর্দান্ত উপস্থাপনায় মন জয় করে নেয় খুদেশিল্পীরাও।
প্রতিষ্ঠানে কর্ণধার অভিষেক বলেন, নৃত্যসন্ধ্যায় লখনউ ঘরানার প্রখ্যাত কত্থকশিল্পী সায়নী চাভদা একক নৃত্য পরিবেশন করেন। তিনি আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে কত্থক শেখাবেন। এটা আমাদের কাছে পরম প্রাপ্তি। আমি নিজে কত্থক ও রবীন্দ্রনৃত্য শেখাই। এছাড়াও ক্লাসিক্যাল বিভাগে ভরতনাট্যম রয়েছে। রয়েছে বলিউড, কন্টেম্পোরারি, ফোক সহ ভারতীয় নৃত্যের একাধিক ধারা। বাইরে থেকে শিক্ষকরা আসেন। আগামী দিনে এই প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমার স্বপ্ন। পুরসভার ভাইস চেয়ারমান তথা এই অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মমতাদেবী বলেন, প্রায় আড়াই দশক আগে এই প্রতিষ্ঠান তৈরির কথা ভেবেছিলাম। এখন অ্যাকাডেমি অনেক বড় হয়েছে। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে নৃত্য শেখান। অভিষেক দক্ষতার সঙ্গে অ্যাকাডেমি পরিচালনা করছে। সকলের ভালোবাসায় আরও বড় হবে এই প্রতিষ্ঠান, এটুকুই আশা।



