নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর নিখোঁজ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করল পুলিস। তাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক তরুণকে। পুলিস সূত্রে খবর, মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে রবিবার দুপুরে জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাপাড়া থেকে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গেই ছিল ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী।
Advertisement
গত শুক্রবার জলপাইগুড়ির গড়ালবাড়ি এলাকায় স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যায় ওই ছাত্রী। পরে জানা যায়, ওই এলাকার এক তরুণও বেপাত্তা। এরপরই ছাত্রীর পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করে। ওই তরুণ তাঁদের মেয়েকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ জানান তাঁরা। অভিযোগ পেয়ে দ্রুত তদন্ত শুরু করে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিস। শনিবার দুপুরে পুলিস এলাকাতেও যায়। পুলিস সূত্রে খবর, ওই তরুণের এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। থানায় থাকাকালীন তার মোবাইলে ফোন আসে অভিযুক্ত তরুণের। তারপরই মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে পুলিস।
জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, গড়ালবাড়ি এলাকার এক নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হবে।
এদিন থানা চত্বরে দাঁড়িয়ে উদ্ধার হওয়া ছাত্রীর বাবা বলেন, প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও মেয়ে স্কুলে গিয়েছিল। ফেরার পথে আমার সঙ্গে রাস্তায় দেখা হয়। আমি তাড়াতাড়ি মেয়েকে বাড়ি চলে যেতে বলি। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ পর বাড়ি ফিরে দেখি, মেয়ে আসেনি। তখনই খোঁজাখুজি শুরু করি। পরে জানতে পারি, এলাকার একটি ছেলেও বেপাত্তা। তখনই আমাদের সন্দেহ হয়, ওই ছেলেই আমার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এরপর গোটা বিষয়টি পুলিসকে জানাই।
এদিকে, অভিযুক্ত তরুণের নামে আগেও পুলিসের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। সম্প্রতি চুরির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারও করে কোতোয়ালি থানার পুলিস। এর আগে ওই তরুণের পরিবার জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন সরকারপাড়ায় ভাড়াবাড়িতে থাকত। বছর খানেক আগে গড়ালবাড়িতে যায়। প্রতিবেশীরাও জানিয়েছেন, ওই তরুণের আচরণ মোটেই ভালো নয়।
জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, গড়ালবাড়ি এলাকার এক নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হবে।
এদিন থানা চত্বরে দাঁড়িয়ে উদ্ধার হওয়া ছাত্রীর বাবা বলেন, প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও মেয়ে স্কুলে গিয়েছিল। ফেরার পথে আমার সঙ্গে রাস্তায় দেখা হয়। আমি তাড়াতাড়ি মেয়েকে বাড়ি চলে যেতে বলি। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ পর বাড়ি ফিরে দেখি, মেয়ে আসেনি। তখনই খোঁজাখুজি শুরু করি। পরে জানতে পারি, এলাকার একটি ছেলেও বেপাত্তা। তখনই আমাদের সন্দেহ হয়, ওই ছেলেই আমার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এরপর গোটা বিষয়টি পুলিসকে জানাই।
এদিকে, অভিযুক্ত তরুণের নামে আগেও পুলিসের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। সম্প্রতি চুরির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারও করে কোতোয়ালি থানার পুলিস। এর আগে ওই তরুণের পরিবার জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন সরকারপাড়ায় ভাড়াবাড়িতে থাকত। বছর খানেক আগে গড়ালবাড়িতে যায়। প্রতিবেশীরাও জানিয়েছেন, ওই তরুণের আচরণ মোটেই ভালো নয়।



