সংবাদদাতা, রাজগঞ্জ: পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর মৃতদেহ উদ্ধার হল এক ব্যক্তির। বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মিলল সাহিরুল ইসলামের (৫২) দেহ। রবিবার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজগঞ্জ ব্লকের সন্ন্যাসীকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সর্দারপাড়ায়। ঘটনায় শোকস্তব্ধ এলাকা।
Advertisement
পরিবার সূত্রে খবর, সর্দারপাড়ার এই ব্যক্তি বুধবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের লোকেরা বহু খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর খোঁজ পাননি। রবিবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের পুকুরে একটি দেহ ভাসতে দেখেন। এরপর তারা ছুটে এসে দেহ শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে আসে রাজগঞ্জ থানার পুলিস। তারা দেহটি উদ্ধার করে রাজগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্য রমজান আলি বলেন, বুধবার থেকে ও নিখোঁজ ছিল। পরিবারের লোকেরা খোঁজাখুঁজি করেও ওকে পায়নি। এদিন ওকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে এই মৃত্যু হল তা জানা নেই। পুলিস এসেছিল। মৃতদেহ নিয়ে গিয়েছে। ছোটবেলা থেকে সাহিরুল কাকু ওরফে (পাইলট) এখানে থাকতেন। সকলের সঙ্গেই ওঁর ভালো সম্পর্ক। কারও সঙ্গে শত্রুতা নেই। প্রত্যেকদিন তিনি ওই পুকুরেই স্নান করতেন। কী করে এই ঘটনা ঘটল, গ্রামের কেউ বুঝতে পারছেন না।
এই ব্যাপারে সন্ন্যাসীকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবা খানুম বলেন, দুঃখজনক ঘটনা। কী করে হল, তা জানা নেই। রাজগঞ্জ থানার আইসি অনুপম মজুমদার বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে ওই ব্যক্তি মারা গেলেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পরিবারের সদস্য রমজান আলি বলেন, বুধবার থেকে ও নিখোঁজ ছিল। পরিবারের লোকেরা খোঁজাখুঁজি করেও ওকে পায়নি। এদিন ওকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে এই মৃত্যু হল তা জানা নেই। পুলিস এসেছিল। মৃতদেহ নিয়ে গিয়েছে। ছোটবেলা থেকে সাহিরুল কাকু ওরফে (পাইলট) এখানে থাকতেন। সকলের সঙ্গেই ওঁর ভালো সম্পর্ক। কারও সঙ্গে শত্রুতা নেই। প্রত্যেকদিন তিনি ওই পুকুরেই স্নান করতেন। কী করে এই ঘটনা ঘটল, গ্রামের কেউ বুঝতে পারছেন না।
এই ব্যাপারে সন্ন্যাসীকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবা খানুম বলেন, দুঃখজনক ঘটনা। কী করে হল, তা জানা নেই। রাজগঞ্জ থানার আইসি অনুপম মজুমদার বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে ওই ব্যক্তি মারা গেলেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।



