সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতির পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। তারউপর এলাকার বিজেপি বিধায়কের দেখা মেলে না। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে বিধানসভা এলাকায় বিরাট শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের স্থানীয় সদস্য তৃণমূলের মণীষা রায়।
Advertisement
শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব গত বিধানসভা নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি থেকে পরাজিত হওয়ার পর থেকে এলাকার উন্নয়নের কাজ থমকে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী হয়ে তিনি এই এলাকার রাস্তা, নিকাশি ব্যবস্থা, পথবাতি সহ বিস্তর কাজ করেছিলেন। কিন্তু তারপর আর নতুন করে কোনও কাজ হয়নি। রাস্তা, নালা বেহাল হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় দীর্ঘদিনের দাবি থাকার পরেও রাস্তা, নর্দমা হয়নি।
অবহেলিত পোড়াঝারে ৫২ লক্ষ টাকায় রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি এলাকায় মণীষা নতুন নর্দমা ও রাস্তা তৈরির কাজও এনেছেন। অধিকারপল্লি ও চতুরাগছে হাইড্র্যান্ট তৈরির কাজ চলছে। অম্বিকানগরে নিকাশি ব্যবস্থা সেভাবে ছিল না। পরিষদ থেকে ৩০০ মিটার নর্দমা তৈরির জন্য ৩৯ লক্ষ টাকার অনুমোদন এনেছেন। রাম মজদুর কলোনিতে ১০ লক্ষ টাকায় ওয়াটার এটিএম বসিয়েছেন। বিকাশনগরে গোর্খা কমিউনিটি হলে পানীয় জলের সমস্যার সমাধানে ওয়াটার এটিএম বসবে। শালুগাড়া রাজ ফাঁপড়িতে রাস্তা হচ্ছে।
মণীষা বলেন, এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিস্তর সমস্যার মধ্যে রয়েছে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে রাস্তা, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থার কাজের উপর জোর দিয়েছি। সেই মতো জেলা পরিষদ থেকে কাজ আদায় করে আনছি।
এদিকে, এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বক্তব্য, দলের ব্লক সভাপতি না থাকার ফলে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধির কাজে চাপ বাড়ছে। মণীষা রায় সেই শূন্যতা পূরণ করছেন। বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
অবহেলিত পোড়াঝারে ৫২ লক্ষ টাকায় রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। ফুলবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি এলাকায় মণীষা নতুন নর্দমা ও রাস্তা তৈরির কাজও এনেছেন। অধিকারপল্লি ও চতুরাগছে হাইড্র্যান্ট তৈরির কাজ চলছে। অম্বিকানগরে নিকাশি ব্যবস্থা সেভাবে ছিল না। পরিষদ থেকে ৩০০ মিটার নর্দমা তৈরির জন্য ৩৯ লক্ষ টাকার অনুমোদন এনেছেন। রাম মজদুর কলোনিতে ১০ লক্ষ টাকায় ওয়াটার এটিএম বসিয়েছেন। বিকাশনগরে গোর্খা কমিউনিটি হলে পানীয় জলের সমস্যার সমাধানে ওয়াটার এটিএম বসবে। শালুগাড়া রাজ ফাঁপড়িতে রাস্তা হচ্ছে।
মণীষা বলেন, এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিস্তর সমস্যার মধ্যে রয়েছে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে রাস্তা, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থার কাজের উপর জোর দিয়েছি। সেই মতো জেলা পরিষদ থেকে কাজ আদায় করে আনছি।
এদিকে, এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বক্তব্য, দলের ব্লক সভাপতি না থাকার ফলে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধির কাজে চাপ বাড়ছে। মণীষা রায় সেই শূন্যতা পূরণ করছেন। বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।



