নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার, সংবাদদাতা, দিনহাটা, দেওয়ানহাট, মাথাভাঙা: বুধবার সিতাইয়ের ভোট ময়দানে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-নেতাদের চোখে পড়লেও বিজেপির নির্বাচনী ক্যাম্প চোখে পড়েনি। শুধু তাই নয়, এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপককুমার রায় তাঁর নিজের বুথেই এজেন্ট দিতে পারেননি। বিরোধীরা রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেলেও নস্যাৎ করে দিয়েছে জোড়াফুল শিবির। কোচবিহারের তৃণমূল এমপি জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া জানান, বিরোধীরা জনবিচ্ছিন্ন। তাই সহানুভূতি পেতে উল্টোপাল্টা বিবৃতি দিয়ে হাওয়া গরম করার চেষ্টা করেছে। মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই ভোট দিয়েছে। ২৩ নভেম্বর ভোটের ফলে সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, সিতাই বিধানসভা আসনে ৩০০টি বুথ। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ২৪০টি বুথে এজেন্ট দিয়েছিল বিজেপি।
Advertisement
সিতাইয়ের বিজেপি প্রার্থী দীপককুমার রায়ের বাড়ি পূর্ব সিতাই গ্রামে। সিতাই এইডেড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬২ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। বুধবার সকালে ভোট দিয়েছেন দীপকবাবু।
পদ্ম প্রার্থী বলেন, সিতাইতে ভয়ঙ্কর পরিবেশ তৈরি করেছে তৃণমূল। আমাদের কর্মীদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার বুথে যাঁকে এজেন্ট করা হয়েছিল তাঁকে ভয় দেখানো হয়েছে। তাই তিনি যাননি। সন্ত্রাসের আবহে ভোট হয়েছে। মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। যদিও তৃণমূল বিজেপির এসব দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, সিতাইয়ে ভালো ভোট হয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে।
অন্যদিকে, দিনভর দাপিয়ে ভোট করালেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সিতাই ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৯টি বুথের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি বুথে এজেন্ট দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। যদিও এদিন কোনও বুথেই এজেন্ট বসাতে পারেনি তারা। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, মঙ্গলবার রাত থেকে ভয় দেখানো, বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ফলে ভোট করাতে এজেন্ট কিংবা কর্মীদের জোর করে বুথে পাঠানো হয়নি।
সিতাই উপ নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী দীপককুমার রায়ের নামেই আরএক দীপককুমার রায় দাঁড়ান নির্দল প্রার্থী হিসেবে। তাঁর প্রতীক ছিল ‘ফুলকপি’। দু’জনেরই বাড়ি সিতাই ব্লকে। ভোটের দিন দুই দীপককে দেখা গেল দু’রকম মুডে। বিজেপির দীপক তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেন। তবে অন্য মেজাজে দেখা যায় নির্দলের দীপককে। চামটার একটি বুথে বসেছিলেন নির্দলের দীপক। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী সঙ্গীতা রায় আসতেই তাঁর হাতে জলের বোতল এগিয়ে দেন। নির্দল প্রার্থীর কাছ থেকে জল খেয়ে সঙ্গীতা ধন্যবাদ জানান তাঁকে। দু’জন সেখানে কিছুক্ষণ আড্ডাও দেন। নির্দলের দীপককুমার রায় বলেন, বিরোধীরা যেখানে এজেন্ট দিতে পারছে না, সেখানে আমি অধিকাংশ বুথেই এজেন্ট দিয়েছি। নির্বাচনে হার-জিৎ আছে। তবে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলাম এতেই খুশি আমি।
পদ্ম প্রার্থী বলেন, সিতাইতে ভয়ঙ্কর পরিবেশ তৈরি করেছে তৃণমূল। আমাদের কর্মীদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার বুথে যাঁকে এজেন্ট করা হয়েছিল তাঁকে ভয় দেখানো হয়েছে। তাই তিনি যাননি। সন্ত্রাসের আবহে ভোট হয়েছে। মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। যদিও তৃণমূল বিজেপির এসব দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, সিতাইয়ে ভালো ভোট হয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে।
অন্যদিকে, দিনভর দাপিয়ে ভোট করালেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সিতাই ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৯টি বুথের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি বুথে এজেন্ট দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। যদিও এদিন কোনও বুথেই এজেন্ট বসাতে পারেনি তারা। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, মঙ্গলবার রাত থেকে ভয় দেখানো, বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ফলে ভোট করাতে এজেন্ট কিংবা কর্মীদের জোর করে বুথে পাঠানো হয়নি।
সিতাই উপ নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী দীপককুমার রায়ের নামেই আরএক দীপককুমার রায় দাঁড়ান নির্দল প্রার্থী হিসেবে। তাঁর প্রতীক ছিল ‘ফুলকপি’। দু’জনেরই বাড়ি সিতাই ব্লকে। ভোটের দিন দুই দীপককে দেখা গেল দু’রকম মুডে। বিজেপির দীপক তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেন। তবে অন্য মেজাজে দেখা যায় নির্দলের দীপককে। চামটার একটি বুথে বসেছিলেন নির্দলের দীপক। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী সঙ্গীতা রায় আসতেই তাঁর হাতে জলের বোতল এগিয়ে দেন। নির্দল প্রার্থীর কাছ থেকে জল খেয়ে সঙ্গীতা ধন্যবাদ জানান তাঁকে। দু’জন সেখানে কিছুক্ষণ আড্ডাও দেন। নির্দলের দীপককুমার রায় বলেন, বিরোধীরা যেখানে এজেন্ট দিতে পারছে না, সেখানে আমি অধিকাংশ বুথেই এজেন্ট দিয়েছি। নির্বাচনে হার-জিৎ আছে। তবে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলাম এতেই খুশি আমি।



