নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান ও সংবাদদাতা, কালনা: প্রেমিকার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল শামিম মণ্ডলের। প্রথমদিকে প্রেমিকা নয়ন ক্ষেত্রপাল তা জানত না। ওই আত্মীয়ার সঙ্গে শামিমের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে বলে ধারণাও তার ছিল না। সম্প্রতি সে বিষয়টি জানতে পারে। প্রেমিককে সে ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অনুরোধও করে। কিন্তু শামিম তাতে কর্ণপাত করেনি। তারপর থেকেই তাদের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। ওই যুবক তার আত্মীয়াকে ফোন করতে থাকেন। বুধবার সকালেও তিনি ফোন করেন। তাও নয়ন জানতে পারে। তারপরই প্রেমিকের বাড়িতে পৌঁছে যায়। ওই আত্মীয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে ফল ভালো হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসে। সে ফিরে যাওয়ার পর ওই যুবক নয়নের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। শামিমকে হাটপুকুর এলাকায় দেখতে পেয়ে প্রেমিকা ও তাঁর বাড়ির লোকজন তাঁর উপর হামলা করে। উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরে হাঁসুয়ার কোপ মেরে শামিমকে খুন করা হয়। মাথা, গলা, কপাল সহ বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করা হয়।
Advertisement
নয়ন পুলিসকে জেরায় জানিয়েছে, শামিমকে খুন করা ছাড়া তার সামনে আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না। ওই যুবক বেঁচে থাকলে তার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ার ক্ষতি করে দিতেন। সেটা তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে পারতেন না। ওই সম্পর্ক থেকে সরে আসার জন্য সে বারবার ওই যুবককে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু শামিম বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। ঘটনায় ধৃতদের বৃহস্পতিবার কালনা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক নয়ন ক্ষেত্রপাল ও তার বাবা ভজন ক্ষেত্রপালকে সাতদিন পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। মা চন্দনা ক্ষেত্রপালকে ১৪দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রায় সাত-আট বছর ধরে মৃত শামিমের সঙ্গে নয়নের সম্পর্ক ছিল। নয়ন তাঁকে আর্থিকভাবেও সহযোগিতা করেছিল। তাঁরা নিজেদের দিদি-ভাই পরিচয় দিতেন। বাড়ির লোকজনও সেটা জানতেন। যদিও বাইরে এই সম্পর্ক থাকলেও তাঁরা প্রেমে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে অভিযোগ। দুই বাড়ির মধ্যেও প্রথমদিকে সুসম্পর্ক ছিল। দুই বাড়িতেই প্রেমিক-প্রেমিকার যাতায়াত ছিল। শামিম প্রায় ছ’মাস ধরে প্রেমিকার সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করে। তখন থেকেই তাঁদের মধ্যে সমস্যা তৈরি হয়। নয়ন তারই আত্মীয়ার সঙ্গে ওই যুবকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানতে পেরে রুষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁদের মধ্যে ফাটল আরও বেড়ে যায়। কিছুদিন আগেও তাঁদের মধ্যে চরম অশান্তি হয়। কালনার মহকুমা পুলিস আধিকারিক রাকেশ চৌধুরী বলেন, খুনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জেরা করা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নয়ন নিজেই খুনের কথা শিকার করেছে। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, বারবার অশান্তি হওয়ায় আগে থেকেই শামিমকে মারার পরিকল্পনা করেছিল নয়ন। নৃশংসভাবে খুনের পরও তার কোনও হেলদোল নেই। এদিন আদালতে তোলার সময় নয়ন বলে, আমার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। গয়না বন্ধক রেখে টাকা দিয়েছি। সেই টাকাও দিচ্ছিল না। আমি ক্রিমিনালকে মেরেছি।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রায় সাত-আট বছর ধরে মৃত শামিমের সঙ্গে নয়নের সম্পর্ক ছিল। নয়ন তাঁকে আর্থিকভাবেও সহযোগিতা করেছিল। তাঁরা নিজেদের দিদি-ভাই পরিচয় দিতেন। বাড়ির লোকজনও সেটা জানতেন। যদিও বাইরে এই সম্পর্ক থাকলেও তাঁরা প্রেমে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে অভিযোগ। দুই বাড়ির মধ্যেও প্রথমদিকে সুসম্পর্ক ছিল। দুই বাড়িতেই প্রেমিক-প্রেমিকার যাতায়াত ছিল। শামিম প্রায় ছ’মাস ধরে প্রেমিকার সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করে। তখন থেকেই তাঁদের মধ্যে সমস্যা তৈরি হয়। নয়ন তারই আত্মীয়ার সঙ্গে ওই যুবকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানতে পেরে রুষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁদের মধ্যে ফাটল আরও বেড়ে যায়। কিছুদিন আগেও তাঁদের মধ্যে চরম অশান্তি হয়। কালনার মহকুমা পুলিস আধিকারিক রাকেশ চৌধুরী বলেন, খুনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জেরা করা হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নয়ন নিজেই খুনের কথা শিকার করেছে। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, বারবার অশান্তি হওয়ায় আগে থেকেই শামিমকে মারার পরিকল্পনা করেছিল নয়ন। নৃশংসভাবে খুনের পরও তার কোনও হেলদোল নেই। এদিন আদালতে তোলার সময় নয়ন বলে, আমার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। গয়না বন্ধক রেখে টাকা দিয়েছি। সেই টাকাও দিচ্ছিল না। আমি ক্রিমিনালকে মেরেছি।



