নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: এলাকায় মেলা বসেছে। সেকারণে কাটোয়ার শ্রীখণ্ড এলাকার স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিজেদের সুবিধার জন্য দু’দিন দুপুরের পর স্কুল ছুটি দিয়েছিলেন। কিন্তু এভাবে কোনও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিজেদের খেয়ালে স্কুল ছুটি দিতে পারেন না। মঙ্গলবার তাঁদের বিদ্যালয় সংসদের অফিসে ডেকে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন চেয়ারম্যান মধুসূদন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তাঁরা এই ধরনের ভুল করবেন না বলে লিখিত দিয়েছেন। সরকারি নিয়ম ভাঙায় তাঁদের শোকজ করা হবে। তাতে সন্তুষ্ট না হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে কেউ স্কুল ছুটি দিতে পারেন না।
Advertisement
কয়েকদিন আগে শ্রীখণ্ডে নরহরি মেলা বসে। স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়ার কারণে এলাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই খবর করতে যাওয়ায় ‘বর্তমান’ এর সাংবাদিককে হেনস্তা করা হয়। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে পেন-খাতা শোভা পায়। কিন্তু কাউকে প্রকাশ্যে মারধর করলে তিনি আইনের চোখে দোষী। সাধারণত রকবাজরা এমনটা করে থাকেন।
শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন শ্রীখণ্ড পঞ্চায়েত এলাকার ন’টি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বর্ধমানে ডেকে পাঠানো হয়। তাঁদেরকে কড়া ভাষায় সতর্ক করা হয়েছে। কেন তাঁরা নিজেদের খেয়ালে এই সিদ্ধান্ত নিলেন তা জানতে চাওয়া হয়। এমনিতেই বহু স্কুলের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সরকারি স্কুলের উপর নির্ভর না করে অনেক অভিভাবক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছেন। তারপর শ্রীখণ্ড এলাকার স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের এমন ‘কীর্তি’ চলতে থাকলে অভিভাবকরা আরও বেশি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকবেন বলে অভিভাবকদের দাবি। বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, পুজোর ছুটিতে স্কুলগুলিতে লম্বা সময় ছুটি ছিল। তারপরও কেন আবার ছুটির প্রয়োজন হল সেটা বুঝে উঠতে পারছি না। প্রতিযোগিতার এই যুগে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আরও বেশি করে দায়িত্ববান হতে হবে।
শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের শ্যামসায়রের একটি স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা নজর কেড়েছে। তাঁরা নিজেদের বেতন থেকে পড়ুয়াদের ব্রেকফাস্ট দিচ্ছেন। আধুনিক ক্লাসরুম তৈরি করেছেন। পড়ুয়ারা অনেক এগিয়ে গিয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন খোদ জেলাশাসক আয়েশা রানি এ। সেখানে শ্রীখণ্ডের স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষিক- শিক্ষিকাদের কীর্তি দেখে অনেকেই তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন। তবে শিক্ষাদপ্তর এদিন তাঁদের সমঝে দিয়েছে। ওই এলাকার দেবকুণ্ডু অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শুভ্রসূচি সাহার মেজাজ অবশ্য এখনও তুঙ্গে রয়েছে। এদিনের বৈঠক প্রসঙ্গে তাঁকে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, যা বলার সংসদের চেয়ারম্যানকে বলেছি। ওঁর কাছে জেনে নিন। চেয়ারম্যান বলেন, ছুটি দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ঠিক কাজ করেননি। এমনটা কাম্য নয়।
শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন শ্রীখণ্ড পঞ্চায়েত এলাকার ন’টি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বর্ধমানে ডেকে পাঠানো হয়। তাঁদেরকে কড়া ভাষায় সতর্ক করা হয়েছে। কেন তাঁরা নিজেদের খেয়ালে এই সিদ্ধান্ত নিলেন তা জানতে চাওয়া হয়। এমনিতেই বহু স্কুলের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সরকারি স্কুলের উপর নির্ভর না করে অনেক অভিভাবক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছেন। তারপর শ্রীখণ্ড এলাকার স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের এমন ‘কীর্তি’ চলতে থাকলে অভিভাবকরা আরও বেশি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকবেন বলে অভিভাবকদের দাবি। বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, পুজোর ছুটিতে স্কুলগুলিতে লম্বা সময় ছুটি ছিল। তারপরও কেন আবার ছুটির প্রয়োজন হল সেটা বুঝে উঠতে পারছি না। প্রতিযোগিতার এই যুগে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আরও বেশি করে দায়িত্ববান হতে হবে।
শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের শ্যামসায়রের একটি স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা নজর কেড়েছে। তাঁরা নিজেদের বেতন থেকে পড়ুয়াদের ব্রেকফাস্ট দিচ্ছেন। আধুনিক ক্লাসরুম তৈরি করেছেন। পড়ুয়ারা অনেক এগিয়ে গিয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন খোদ জেলাশাসক আয়েশা রানি এ। সেখানে শ্রীখণ্ডের স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষিক- শিক্ষিকাদের কীর্তি দেখে অনেকেই তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন। তবে শিক্ষাদপ্তর এদিন তাঁদের সমঝে দিয়েছে। ওই এলাকার দেবকুণ্ডু অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শুভ্রসূচি সাহার মেজাজ অবশ্য এখনও তুঙ্গে রয়েছে। এদিনের বৈঠক প্রসঙ্গে তাঁকে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, যা বলার সংসদের চেয়ারম্যানকে বলেছি। ওঁর কাছে জেনে নিন। চেয়ারম্যান বলেন, ছুটি দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ঠিক কাজ করেননি। এমনটা কাম্য নয়।



