নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: খাতায়-কলমে এলাকায় সজলধারা প্রকল্পের কাজ হয়েছে। ঠিকাদার টাকাও পেয়ে গিয়েছে। অথচ বাস্তবে কাজই হয়নি। হাঁসখালি ব্লকে বিজেপি পরিচালিত ময়ূরহাট-২ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছেন তাদেরই চার সদস্য। শুধু তাই নয়, ওই চারজন এনিয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন। পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিলের টাকা নয়ছয় করার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। অভিযোগকারীদের মধ্যে দু’জন আবার পঞ্চায়েতের সঞ্চালক। নদীয়ার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।
Advertisement
ওই পঞ্চায়েতের প্রধান দেবব্রত দাস বলেন, ওই এলাকায় জমির সমস্যা ছিল। তাই স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের কথামতো সাধারণ সভার বৈঠকে প্রস্তাব পাস করে সজলধারাটি শ্মশানের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত অফিসের ছাদ মেরামত করানোয় নিজস্ব তহবিল থেকে টাকা দেওয়া হয়েছে। আসলে আমাদের সদস্যদের মধ্যে সমস্যা চলছে।
গতবছর জুলাই মাসে বেড় হাঁসখালিতে মুরারীমোহন রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে সজলধারা প্রকল্প গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এজন্য ১৫ অর্থ কমিশনের ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৮৯৩ টাকার টেন্ডার ডাকা হয়। কিন্তু এই চার বিজেপি সদস্যের অভিযোগ, ওই এলাকার ৫০০মিটারের মধ্যে কোনও সজলধারা নেই। এক কিমি দূরে শ্মশানের কাছে একটি সজলধারা আছে। অথচ এনিয়ে খোঁজ নিতে গেলে তাঁদের বলা হয়, কাজ শেষ হয়েছে।
তাঁদের আরও অভিযোগ, পঞ্চায়েতের এক সদস্য তাঁর মায়ের নামে ভুয়ো বিল জমা করেছে। পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৮হাজার টাকা ওই সদস্যের মায়ের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। কেন টাকা দেওয়া হল প্রশ্ন করলে বলা হচ্ছে, পঞ্চায়েত অফিসের ছাদ মেরামত ও হাঁসখালি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাছে সজলধারার সামনে গেট করতে ওই টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু ওই ছাদ মেরামত অন্য কেউ করেছে। যে গেটের কথা বলা হচ্ছে, তা স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা ৫৫০০ টাকায় বানিয়েছেন।
বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তথা সঞ্চালক স্বপ্না বৈদ্য বলেন, সজলধারা না হলেও বিল পেমেন্ট হয়ে যাচ্ছে। ওরা বলছে, শ্মশানের কাছে সজলধারা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এক কিলোমিটার দূরে কেন প্রকল্প সরিয়ে নেওয়া হবে? এমন তো হওয়ার কথা নয়। তাই আমরা অভিযোগ জানিয়েছি। অপর সঞ্চালক সুনন্দা বিশ্বাস বলেন, পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিল থেকে চক্রান্ত করে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমাদের বুথে কোনও কাজ দেওয়া হচ্ছে না। ছাদ মেরামতের কাজ অন্য লোকে করেছে। কিন্তু বিল এক পঞ্চায়েত সদস্যের মায়ের নামে করা হয়েছে। ময়ূরহাট-২ অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সদস্য অপূর্ব ঘোষ বলেন, পুরো পঞ্চায়েত দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। কিছু আধিকারিকও জড়িত। আমরা এর আগেও একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এবার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে সমস্যা হওয়ায় নিজেদের কেচ্ছা নিজেরাই সামনে নিয়ে এল। বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ এর জবাব দেবেন।
গতবছর জুলাই মাসে বেড় হাঁসখালিতে মুরারীমোহন রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে সজলধারা প্রকল্প গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এজন্য ১৫ অর্থ কমিশনের ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৮৯৩ টাকার টেন্ডার ডাকা হয়। কিন্তু এই চার বিজেপি সদস্যের অভিযোগ, ওই এলাকার ৫০০মিটারের মধ্যে কোনও সজলধারা নেই। এক কিমি দূরে শ্মশানের কাছে একটি সজলধারা আছে। অথচ এনিয়ে খোঁজ নিতে গেলে তাঁদের বলা হয়, কাজ শেষ হয়েছে।
তাঁদের আরও অভিযোগ, পঞ্চায়েতের এক সদস্য তাঁর মায়ের নামে ভুয়ো বিল জমা করেছে। পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৮হাজার টাকা ওই সদস্যের মায়ের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। কেন টাকা দেওয়া হল প্রশ্ন করলে বলা হচ্ছে, পঞ্চায়েত অফিসের ছাদ মেরামত ও হাঁসখালি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাছে সজলধারার সামনে গেট করতে ওই টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু ওই ছাদ মেরামত অন্য কেউ করেছে। যে গেটের কথা বলা হচ্ছে, তা স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা ৫৫০০ টাকায় বানিয়েছেন।
বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তথা সঞ্চালক স্বপ্না বৈদ্য বলেন, সজলধারা না হলেও বিল পেমেন্ট হয়ে যাচ্ছে। ওরা বলছে, শ্মশানের কাছে সজলধারা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এক কিলোমিটার দূরে কেন প্রকল্প সরিয়ে নেওয়া হবে? এমন তো হওয়ার কথা নয়। তাই আমরা অভিযোগ জানিয়েছি। অপর সঞ্চালক সুনন্দা বিশ্বাস বলেন, পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিল থেকে চক্রান্ত করে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমাদের বুথে কোনও কাজ দেওয়া হচ্ছে না। ছাদ মেরামতের কাজ অন্য লোকে করেছে। কিন্তু বিল এক পঞ্চায়েত সদস্যের মায়ের নামে করা হয়েছে। ময়ূরহাট-২ অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সদস্য অপূর্ব ঘোষ বলেন, পুরো পঞ্চায়েত দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। কিছু আধিকারিকও জড়িত। আমরা এর আগেও একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এবার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে সমস্যা হওয়ায় নিজেদের কেচ্ছা নিজেরাই সামনে নিয়ে এল। বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ এর জবাব দেবেন।



