Bartaman Logo
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিঠারি কাণ্ড: সুরিন্দর কোলি হরিদ্বারে এসেছিলেন নাম ভাঁড়িয়ে

হরিদ্বারের ভুপতওয়ালায় এক চায়ের দোকানে শুক্রবার ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় নিঠারির ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ও নরমাংস ভক্ষণ মামলার মূল অভিযুক্ত সুরিন্দর কোলির দেহ।

নিঠারি কাণ্ড: সুরিন্দর কোলি হরিদ্বারে এসেছিলেন নাম ভাঁড়িয়ে
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

হরিদ্বার: হরিদ্বারের ভুপতওয়ালায় এক চায়ের দোকানে শুক্রবার ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় নিঠারির ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ও নরমাংস ভক্ষণ মামলার মূল অভিযুক্ত সুরিন্দর কোলির দেহ।  জানা গিয়েছে, নাম ভাঁড়িয়ে হরিদ্বারে থাকছিলেন তিনি। জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থা করতে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন হরিদ্বারের রোশনাবাদের জয় কাশ্যপ নামে এক যুবক। তবে সুরিন্দরের আসল পরিচয় জানা ছিল না তাঁর। জয় পুলিশকে জানিয়েছেন, মাত্র ২৫ দিন আগে এক বন্ধুর বাড়িতে সুরিন্দরের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। নিজেকে আলমোরার বাসিন্দা সদা রাম বলে পরিচয় দিয়েছিলেন সুরিন্দর। জয়ের কাছে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন করেন।  

Advertisement

রোশনাবাদে সুরিন্দরকে একটি দোকান দেখে দিয়েছিলেন কাশ্যপ। তবে সেই দোকানমালিক পরিচয়পত্র চাওয়ায় সুরিন্দর সেখানে কয়েকদিন থেকে হরিদ্বারে চলে যান। সেখানে আবার ধর্মেন্দ্র কৌশিক তথা ধর্মেন্দ্র ভাই নামে একজনের সাহায্য নিয়ে একটি চায়ের দোকান শুরু করেন সুরিন্দর। জয় জানিয়েছেন, হরিদ্বারে চলে যাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে সুরিন্দরের আর কোনো কথা হয়নি। তবে তিনি শুনেছিলেন যে ধর্মেন্দ্র ভাইয়ের নামে কেনা এক দোকানে চায়ের ব্যবসা শুরু করেছেন সদা রাম। 
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর দেড় মাস আগে সুরিন্দর হরিদ্বারে এসেছিলেন। প্রথমে তিনি এক কারখানায় নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি পান। সেই চাকরি ছাড়ার পর ধর্মেন্দ্রর সাহায্য নিয়ে তিনি একটি ফ্ল্যাটে নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি নেন। তবে সেই চাকরিও ছেড়ে দেন। তখনই কাশ্যপের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। হরিদ্বার শহরের সার্কেল অফিসার শিশুপাল সিং নেগি জানান, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসাবে ধরেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট মেলেনি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ