সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়াজুড়ে গ্যাসে চলা মারুতি ভ্যানগুলি পুলকার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই মারুতি ভ্যানগুলিতে ছোট ছোট পড়ুয়াদের চাপিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে স্কুলে স্কুলে। বহু গাড়ির নথিপত্র ও চালকের লাইসেন্স ঠিক নেই। তাও ঝুঁকি নিয়েই সেইসব গাড়িগুলি চলছে। শুক্রবার এমনই দু’টি মারুতি ভ্যান আটক করে কাটোয়া মহকুমা পরিবহণ দপ্তর। তাদের জরিমানাও করা হয়। এদিন কাটোয়া শহরে স্কুলভ্যান লেখা মারুতি গাড়ি ঢুকতেই এআরটিও তাদের আটকায়। তারা এআরটিওকে গাড়ির সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এমনকী একজন গাড়ির চালকের লাইসেন্সও ঠিক ছিল না। তাঁকেও জরিমানা করা হয়।
Advertisement
এনিয়ে কাটোয়া মহকুমা আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিক অরুণাভ শর্মা বলেন, ওইসব পুলকারে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর আগে অভিভাবকদের সবকিছু খতিয়ে দেখা উচিত। আমরা অভিযান চালিয়ে যাব।
জানা গিয়েছে, কাটোয়া শহরে বেশ কয়েকটি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে এমন বহু মারুতি গাড়ি করে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকের কাগজপত্র ঠিক নেই। কেউ কেউ আবার একই নম্বর দিয়ে ভুল লাইসেন্স বের করে গাড়ি চালাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে? কাটোয়া আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তর লাগাতার বেআইনি পুলকারগুলির বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। তারপরেও বন্ধ হচ্ছে না। প্রশ্ন উঠছে গ্যাসের গাড়িতে স্কুল পড়ুয়াদের চাপানো নিয়ে। তাতে দুর্ঘটনা ঘটলে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া উপায় থাকবে না। অভিভাবকদের একাংশ বলছেন, স্কুল থেকেই গাড়ি ঠিক করে দেওয়া হয়। আর বিপদ ঘটলে তখন স্কুল কর্তৃপক্ষ দায় নেবে না। আমরা একপ্রকার বাধ্য হয়েই ওইসব গাড়িতেই বাচ্চাদের পাঠাতে বাধ্য হই।
জানা গিয়েছে, কাটোয়া শহরে বেশ কয়েকটি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে এমন বহু মারুতি গাড়ি করে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকের কাগজপত্র ঠিক নেই। কেউ কেউ আবার একই নম্বর দিয়ে ভুল লাইসেন্স বের করে গাড়ি চালাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে? কাটোয়া আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তর লাগাতার বেআইনি পুলকারগুলির বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। তারপরেও বন্ধ হচ্ছে না। প্রশ্ন উঠছে গ্যাসের গাড়িতে স্কুল পড়ুয়াদের চাপানো নিয়ে। তাতে দুর্ঘটনা ঘটলে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া উপায় থাকবে না। অভিভাবকদের একাংশ বলছেন, স্কুল থেকেই গাড়ি ঠিক করে দেওয়া হয়। আর বিপদ ঘটলে তখন স্কুল কর্তৃপক্ষ দায় নেবে না। আমরা একপ্রকার বাধ্য হয়েই ওইসব গাড়িতেই বাচ্চাদের পাঠাতে বাধ্য হই।



