সংবাদদাতা, ডোমকল: নেই চরে যাতায়াতের রাস্তা। আজও মূল ভূখণ্ড থেকে গ্রামে যাতায়াতের জন্য প্রায় তিন কিলোমিটার চরের হাঁটাপথ পেরোতে হয় বাসিন্দাদের। জলঙ্গির বাংলাদেশ ঘেঁষা উদয়নগর খণ্ড কলোনি ও চর পরাশপুরের যাতায়াতের এটাই চিত্র।
Advertisement
ভৌগলিকভাবে চর পরাশপুর ও উদয়নগর খণ্ড কলোনি আর দশটা গ্রামের থেকে আলাদা। নৌকায় পদ্মার সরু নালা পেরিয়ে বিএসএফের জবাবদিহির শেষে কিলোমিটার তিনেক বালিপথ উজিয়ে ঢুকতে হয় এই দুই চরে। চরের ওপারে বাংলাদেশ। মাঝে নেই কাঁটাতারের বেড়া। এইরকম ভৌগলিক অবস্থান হওয়ায় এই দুই চরে সাধারণ মানুষের যাতায়াত পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ করে বিএসএফ। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এমনিতেই শিক্ষা-স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা থেকে তারা বঞ্চিত রয়েছে। কিন্তু সমস্যাটা তার থেকেও যে কারণে বড় তা হল রাস্তা তৈরি না হওয়া। আজও মূল ভূখণ্ড থেকে চরে যাতায়াতের কোনও রাস্তা গড়ে ওঠেনি। বছরের বেশিরভাগ সময়েই তাদের কখনও হেঁটে কখনও নৌকায় চলাচল করতে হয়। চর থেকে মূল ভুখণ্ডে আসতে হলে আজও তাদের ধূ ধূ চরের প্রায় কিলোমিটার তিনেক বালিপথে উজিয়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। নিত্যদিন তাতে ভীষণ দুর্ভোগ পোহাতে হয় গ্রামের বাসিন্দাদের। গ্রামের বাসিন্দা আলম শেখ বলেন, নিত্যদিন বাজারঘাট করতে আমাদের মূল ভুখণ্ডে যেতে হয়। চরের এই বালিপথে যাতায়াত করতে যে কী দুর্ভোগ পোহাতে হয় তা চরের লোকরাই জানে। কিন্তু কী আর করা যাবে, আমরা জন্মেছি চরের মাটিতে। কষ্ট কপালে নিয়েই জন্মেছি আমরা। তা নাহলে চলাচলের রাস্তাটুকুও আমাদের কপালে জোটে না?
সমস্যা মেনে নিয়েছেন ওই চরের বাসিন্দা তথা ঘোষপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আজাদ আলিও। তিনি বলেন, কিছু করার নেই। অনেক জায়গায় ওই রাস্তা তৈরির জন্য ঘুরেছি। কিছুতেই কিছু হয়নি।
জলঙ্গির বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওই রাস্তা তৈরির জন্য বেশ কয়েকবার আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। অত দুর্গম চরে রাস্তা করতে গিয়ে অনেক বাধা এসেছিল। পাশপাশি রাস্তা তৈরির জন্য জমি চিহ্নিত করার সময় অনেকের নিজের জমি পড়ে যাচ্ছিল। তাতে কেউ কেউ বাধা দিয়েছিল। এইরকম বেশকিছু কারণে আমরা ওই রাস্তা করতে পারিনি। তবে নতুন করে ওই রাস্তা তৈরির জন্য ভাবা হচ্ছে। আশা করি খুব শীঘ্রই ওই রাস্তার জন্য কিছু একটা করতে পারব।
সমস্যা মেনে নিয়েছেন ওই চরের বাসিন্দা তথা ঘোষপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আজাদ আলিও। তিনি বলেন, কিছু করার নেই। অনেক জায়গায় ওই রাস্তা তৈরির জন্য ঘুরেছি। কিছুতেই কিছু হয়নি।
জলঙ্গির বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওই রাস্তা তৈরির জন্য বেশ কয়েকবার আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। অত দুর্গম চরে রাস্তা করতে গিয়ে অনেক বাধা এসেছিল। পাশপাশি রাস্তা তৈরির জন্য জমি চিহ্নিত করার সময় অনেকের নিজের জমি পড়ে যাচ্ছিল। তাতে কেউ কেউ বাধা দিয়েছিল। এইরকম বেশকিছু কারণে আমরা ওই রাস্তা করতে পারিনি। তবে নতুন করে ওই রাস্তা তৈরির জন্য ভাবা হচ্ছে। আশা করি খুব শীঘ্রই ওই রাস্তার জন্য কিছু একটা করতে পারব।



