নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত বাবা। বয়স সত্তরোর্ধ্ব। তিন দিন ধরে ভর্তি জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে। ময়নাগুড়ির বাসিন্দা ওই রোগীর মেয়ের দাবি, অবস্থার উন্নতি হয়নি। বরং অবনতি হচ্ছে। যতবার চিকিৎসকদের কাছে জানতে চেয়েছেন, ততবার একটাই উত্তর এসেছে, ‘আগেই তো বলেছি, এখানে নিউরো বিভাগ নেই। ভরসা করে রাখতে পারলে রাখুন। না হলে রোগী নিয়ে যান।’ শনিবার এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন ওই রোগীর পরিজনরা।
Advertisement
জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দিন কয়েক আগেই মেডিক্যালের জরুরি বিভাগের সামনে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত বাবা নারায়ণ দাসকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছিলেন ছেলে সুপ্রিয় দাস। জিজ্ঞেস করতেই বললেন, সিটি স্ক্যানে দেখা গিয়েছে, বাবার মাথায় কিছুটা রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে। জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু কয়েকদিন পরও অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। ডাক্তারদের বলতেই তাঁরা পাল্টা বলে দিলেন, এখানে নিউরো সার্জেন নেই। যেমন ট্রিটমেন্ট চলছে তেমনই চলবে। বাধ্য হয়ে শিলিগুড়িতে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।
রোগীর পরিজনদের অভিযোগ, এধরনের ঘটনা রোজই ঘটছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাঁদের। তিন বছর হয়ে গেল জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ চালু হয়েছে। এখনও নিউরো, কার্ডিও সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু হয়নি। এমনকী এমআরআই পরিষেবা পর্যন্ত নেই। সেক্ষেত্রে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে রোগী ভর্তি থাকলেও সরকারি হাসপাতাল থেকে এমআরআই করাতে হলে রোগীকে হয় শিলিগুড়ি, নতুবা কোচবিহারে নিয়ে যেতে হয়। যা সম্ভব হয়ে ওঠে না। বাধ্য হয়ে জলপাইগুড়িতেই বেসরকারি জায়গা থেকে মোটা টাকা দিয়ে এমআরআই করাতে হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, গরিব মানুষের পক্ষে যা কার্যত অসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। তখন ধারদেনা করতে হয় তাঁদের। ফলে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসেও নতুন করে বোঝা চাপে মাথায়।
বিষয়টি নিয়ে মেডিক্যালের সুপার কল্যাণ খাঁ বলেন, বিভাগ চালুর বিষয়টি পুরোপুরি রাজ্যের ব্যাপার। সবটাই স্বাস্থ্যভবন জানে। তবে আমাদের পরিষেবা প্রদানে কোনও খামতি নেই। মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা যথেষ্টই দক্ষ। কেন রোগীর পরিবার এধরনের অভিযোগ তুলছে তা খতিয়ে দেখা হবে। এমআরআই চালু না হওয়া নিয়ে সুপার বলেন, এটুকুই বলতে পারি, হাসপাতালের তরফে আমরা বিষয়টি একাধিকবার উপর মহলে জানিয়েছি।
রোগীর পরিজনদের অভিযোগ, এধরনের ঘটনা রোজই ঘটছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাঁদের। তিন বছর হয়ে গেল জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ চালু হয়েছে। এখনও নিউরো, কার্ডিও সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু হয়নি। এমনকী এমআরআই পরিষেবা পর্যন্ত নেই। সেক্ষেত্রে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে রোগী ভর্তি থাকলেও সরকারি হাসপাতাল থেকে এমআরআই করাতে হলে রোগীকে হয় শিলিগুড়ি, নতুবা কোচবিহারে নিয়ে যেতে হয়। যা সম্ভব হয়ে ওঠে না। বাধ্য হয়ে জলপাইগুড়িতেই বেসরকারি জায়গা থেকে মোটা টাকা দিয়ে এমআরআই করাতে হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, গরিব মানুষের পক্ষে যা কার্যত অসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। তখন ধারদেনা করতে হয় তাঁদের। ফলে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসেও নতুন করে বোঝা চাপে মাথায়।
বিষয়টি নিয়ে মেডিক্যালের সুপার কল্যাণ খাঁ বলেন, বিভাগ চালুর বিষয়টি পুরোপুরি রাজ্যের ব্যাপার। সবটাই স্বাস্থ্যভবন জানে। তবে আমাদের পরিষেবা প্রদানে কোনও খামতি নেই। মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা যথেষ্টই দক্ষ। কেন রোগীর পরিবার এধরনের অভিযোগ তুলছে তা খতিয়ে দেখা হবে। এমআরআই চালু না হওয়া নিয়ে সুপার বলেন, এটুকুই বলতে পারি, হাসপাতালের তরফে আমরা বিষয়টি একাধিকবার উপর মহলে জানিয়েছি।



