সংবাদদাতা, করণদিঘি: এখন আর রাতবিরেতে লুকিয়ে নয়, দিনের বেলায় আর্থমুভার নামিয়ে দেদার চলছে বালি ও মাটি পাচার। পুজোর ছুটির জন্য ভূমি দপ্তর বন্ধ থাকায় পোয়াবারো মাফিয়াদের।
Advertisement
নাগর নদে মঙ্গলবার দেখা গেল মাফিয়াদের রমরমা কারবার। আর্থ মুভার দিয়ে বালি ও মাটি তুলে ট্রাক্টরে করে বিভিন্ন এলাকায় দেদার পাচার চলছে। রায়গঞ্জ থানার জগদীশপুর ২ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের পাচভায়া ঘাট ও করণদিঘি থানার আলতাপুর ১ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতের পূর্ব রাঘবপুর মাটি মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্য। নদের জল কমতেই তাদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। রায়গঞ্জ ব্লক ও করণদিঘি ব্লকের সীমানা এই নাগর নদ। দুই ধারেই মাটি আর বালি মাফিয়ার দৌরাত্ম্য। নদের পাশে থাকা চাষিদের জমি থেকে জোর করেই মাটি তোলা হয়। বাধা দিতে গেলে দেওয়া হয় প্রাণে মারার হুমকি। ফলে সবকিছু দেখেও চুপ থাকতে হয় বাসিন্দাদের।
বালি ও মাটি তুলে নেওয়ায় নাগরের গতিপথ বদলাতে শুরু করেছে। চাষের জমি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় অনেকেই এখন জমিহারা। তাঁদের মধ্যে এবার বাড়ছে বাস্তুহারা হওয়ার আশঙ্কা। জগদীশপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মনোরঞ্জন মাহালদারের এক একর জমি আছে নাগরের পাশে। সেখান থেকে জোর করে মাটি তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। চাষ করতে গেলে বাধা দেয় মাফিয়ারা। এছাড়া জমির খতিয়ান থেকে নাম কেটে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।
করণদিঘির ভূমি দপ্তরে আধিকারিক সুমি ভট্টাচার্য বলেন, মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বেশকয়েকটি ট্রাক্টর ও বালির গাড়ি ধরা হয়েছিল। পুজোর জন্য অফিস বন্ধ থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাফিয়ারা কারবার চালাচ্ছে। দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির ওবিসি মোর্চার সভাপতি অমিত সাহা পাচারের রমরমার জন্য আবার শাসক দলকে দায়ী করেছেন। তাঁর কথায়, নাগর থেকে বালি ও মাটি পাচারের রুট বোতলবাড়ি রাজ্য সড়ক ও ৩৪ নং জাতীয় সড়ক। জাতীয় সড়ক ধরে জেলা প্রশাসনের কর্তা এবং পুলিস আধিকারিকরা নিয়মিত যাতায়াত করেন। পুলিসের টহল থাকার পরেও মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হচ্ছে না শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যরা জড়িত বলে। এপ্রসঙ্গে আলতাপুর ১ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান আমিনা খাতুনের মন্তব্য, শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্য জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন। পুলিস ও ভূমি দপ্তরের আধিকারিককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। হেমতাবাদের বিধায়ক ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন বলেছেন, মাটি কাটার বিষয়টি খোঁজ নিয়ে পুলিস, প্রশাসন ও ভূমি দপ্তরে আধিকারিককে জানাব। - নিজস্ব চিত্র
বালি ও মাটি তুলে নেওয়ায় নাগরের গতিপথ বদলাতে শুরু করেছে। চাষের জমি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় অনেকেই এখন জমিহারা। তাঁদের মধ্যে এবার বাড়ছে বাস্তুহারা হওয়ার আশঙ্কা। জগদীশপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মনোরঞ্জন মাহালদারের এক একর জমি আছে নাগরের পাশে। সেখান থেকে জোর করে মাটি তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। চাষ করতে গেলে বাধা দেয় মাফিয়ারা। এছাড়া জমির খতিয়ান থেকে নাম কেটে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।
করণদিঘির ভূমি দপ্তরে আধিকারিক সুমি ভট্টাচার্য বলেন, মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বেশকয়েকটি ট্রাক্টর ও বালির গাড়ি ধরা হয়েছিল। পুজোর জন্য অফিস বন্ধ থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাফিয়ারা কারবার চালাচ্ছে। দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির ওবিসি মোর্চার সভাপতি অমিত সাহা পাচারের রমরমার জন্য আবার শাসক দলকে দায়ী করেছেন। তাঁর কথায়, নাগর থেকে বালি ও মাটি পাচারের রুট বোতলবাড়ি রাজ্য সড়ক ও ৩৪ নং জাতীয় সড়ক। জাতীয় সড়ক ধরে জেলা প্রশাসনের কর্তা এবং পুলিস আধিকারিকরা নিয়মিত যাতায়াত করেন। পুলিসের টহল থাকার পরেও মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হচ্ছে না শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যরা জড়িত বলে। এপ্রসঙ্গে আলতাপুর ১ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান আমিনা খাতুনের মন্তব্য, শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্য জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন। পুলিস ও ভূমি দপ্তরের আধিকারিককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। হেমতাবাদের বিধায়ক ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন বলেছেন, মাটি কাটার বিষয়টি খোঁজ নিয়ে পুলিস, প্রশাসন ও ভূমি দপ্তরে আধিকারিককে জানাব। - নিজস্ব চিত্র



