সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: দিনে-দুপুরে নাগর নদী থেকে মাটি কেটে পাচার করছে মাফিয়ারা। আর্থমুভার দিয়ে মাটি কেটে ১০-১২ টি ট্রাক্টরে তা পাচার করে দেওয়া হচ্ছে রায়গঞ্জের বিভিন্ন জায়গায়। এমনকী, পড়শি রাজ্য বিহারেও। রায়গঞ্জের শীতগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণমুড়ি এলাকায় এভাবে নদী থেকে মাটি কেটে পাচার করে দেওয়া হলেও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ।
Advertisement
মাফিয়ারা নদীর পাড়ের মাটি এভাবে কেটে নিয়ে যাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা এলেই নাগরের দুপাড় ডুবে যায়। এভাবে লাগাতার মাটি কাটতে থাকলে নদীর গতিপথে বদল আসবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। যেভাবে নদীর মাটি কাটা হচ্ছে তাতে নিজের কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল মহম্মদ। নাগর নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি পাচার নতুন বিষয় নয়। আগেও একাধিকবার নাগর নদী থেকে মাটি পাচার হয়েছে। তারপরও কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না এই অবৈধ কারবার? প্রশাসনের আধিকারিকরা বলছেন, যে জায়গায় মাটি কাটা হচ্ছে সেটি রায়গঞ্জে। কিন্তু মাফিয়াদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বিহার হয়ে ঢুকতে হয়। যার ফলে পদক্ষেপ নিতে সমস্যা হচ্ছে। রায়গঞ্জ ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সৌমেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভূমিদপ্তর আশ্বাসেও যে কিছু হওয়ার নয়, তা ভালোমতোই জানেন স্থানীয়রা।
তাঁদের বক্তব্য, মাটি পাচারের সঙ্গে এলাকার প্রভাবশালীরা জড়িত। স্থানীয়রা অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রতিবাদ করলে হুমকিও দেওয়া হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, নদীর পাশে আমার জমি। এর আগে মাটি কাটতে বারণ করেছিলাম। আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। শীতগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পলি বিশ্বাস বর্মন বলেন, আমাদের নজরে এলেই পুলিসকে জানানো হয়। প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলব।
ভূমিদপ্তর আশ্বাসেও যে কিছু হওয়ার নয়, তা ভালোমতোই জানেন স্থানীয়রা।
তাঁদের বক্তব্য, মাটি পাচারের সঙ্গে এলাকার প্রভাবশালীরা জড়িত। স্থানীয়রা অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রতিবাদ করলে হুমকিও দেওয়া হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, নদীর পাশে আমার জমি। এর আগে মাটি কাটতে বারণ করেছিলাম। আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। শীতগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পলি বিশ্বাস বর্মন বলেন, আমাদের নজরে এলেই পুলিসকে জানানো হয়। প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলব।



