নিউ জার্সি: বিশ্বকাপের মাঝপথেই খুশির খবর নেইমারের। পঞ্চমবার বাবা হতে চলেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিয়ো পোস্টে সেকথা নিজেই জানান তিনি। অথচ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যে খবর এল, তাতে মোটেই খুশি হতে পারবেন না সাম্বা অনুরাগীরা। চোটের কারণে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বাকি দু’টি ম্যাচেও অনিশ্চিত নেইমার। অথচ সোমবারই বল পায়ে অনুশীলনে ফেরার কথা ছিল ব্রাজিলিয়ান তারকার। সেই মতো চোটের জায়গায় এমআরআই করা হয়। তাতে দেখা দিয়েছে, পেশির চোট এখনো পুরোপুরি সারেনি। এমন পরিস্থিতিতে হার্ড ট্রেনিং করলে ফের চোট বাড়তে পারে। তাই নেইমারকে নিয়ে কোনোরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কোচ কার্লো আনসেলোত্তি। ফলে হাইতি ম্যাচ তো বটেই, স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধেও তাঁকে বাইরে রেখেই দল সাজাতে হতে পারে তাঁকে।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই মরক্কোর কাছে আটকে গিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। হাকিমিদের বিরুদ্ধে যোগ্য প্লে-মেকারের অভাবে ভুগতে হয় হলুদ জার্সিধারীদের। মনে করা হয়েছিল, নেইমার ফিরলে সেই সমস্যা অনেকটাই মিটবে। তবে আপাতত সে গুড়ে বালি। তাই হাইতি ম্যাচের আগে দল নিয়ে ফের নতুন করে ভাবনাচিন্তা করতে হবে কোচ কার্লো আনসেলোত্তিকে। নেইমার অবশ্য দ্রুত মাঠে ফিরতে মরিয়া। আগামী কয়েকদিন আলাদাই রিহ্যাব করবেন তিনি। তারপর ফের এমআরআই করা হবে। রিপোর্ট সন্তোষজনক হলে তবেই মূল দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরবেন।
এদিকে, বিশ্বকাপের শুরুতেই ব্রাজিল ড্রেসিং-রুমের অন্দরের কথা যেভাবে প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে বেশ বিরক্ত দেশের প্রাক্তনীরা। বিশেষ করে মরক্কোর বিরুদ্ধে আটকে যেতেই একে অপরকে দোষারোপের খেলায় মেতেছিলেন ভিনিসিয়াস-কাসেমিরোরা। সেই প্রসঙ্গে কড়া সমালোচনা করেছেন বড়ো রোনাল্ডো। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এখনকার ফুটবলাররা ছোটো বাচ্চাদের মতো কান্নাকাটি করে। আমাদের সময় এই সংস্কৃতি ছিল না। একটাই লক্ষ্য ছিল, দেশের জার্সিতে সেরাটা উজাড় করে দেওয়া।’