Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাতসকালে বাড়ির দরজায় রক্তমাখা সদ্যোজাত উদ্ধার

মঙ্গলবার সাতসকালে রক্তমাখা সদ্যোজাত শিশু উদ্ধার হল দত্তপুকুর থানার জয়পুলের কাছে। স্থানীয় বাসিন্দা খুরশিদ আলমের বাড়ির দরজায় কে বা কারা শিশুপুত্রটিকে ফেলে যান।

সাতসকালে বাড়ির দরজায় রক্তমাখা সদ্যোজাত উদ্ধার
  • ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মঙ্গলবার সাতসকালে রক্তমাখা সদ্যোজাত শিশু উদ্ধার হল দত্তপুকুর থানার জয়পুলের কাছে। স্থানীয় বাসিন্দা খুরশিদ আলমের বাড়ির দরজায় কে বা কারা শিশুপুত্রটিকে ফেলে যান। খবর পেয়ে দত্তপুকুর থানার পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায় বারাসত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। এখানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

Advertisement

মঙ্গলবার সকাল ছ’টা নাগাদ উঠে বাড়ির গেট খোলেন খুরশিদ আলম। তখন তিনি দেখেন, ওড়নায় জড়ানো এক সদ্যোজাত শিশু তাঁরই বাড়ির গেটের সামনে পড়ে রয়েছে। ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থা তার। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকার বাসিন্দারা জড়ো হন খুরশিদের বাড়ির সামনে। মানবিকতার টানে রক্তমাখা সেই সদ্যোজাতকে উদ্ধার করে খুরশিদ বাড়িতে নিয়ে আসেন। তুলে দেন স্ত্রীর কোলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। চিকিৎসার জন্য খুরশিদ আলম এবং তাঁর স্ত্রী সদ্যোজাতকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে খুরশিদের বাড়িতে আসেন দত্তপুকুর ২ পঞ্চায়েতের প্রধান রমা মিত্র ঘোষ।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোরে রাস্তার ধারে একটি চারচাকার গাড়ি দাঁড়িয়েছিল। গাড়ি থেকে এক মহিলাকেও নামতে দেখেন এক ব্যক্তি। কিন্তু তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। তবে ঘটনা দেখে তাঁর দাবি, সম্ভবত ওই মহিলাই এই কাজটি করেছেন। খুরশিদ বললেন, অমানবিক ঘটনা। শীতের মধ্যে এভাবে সদ্যোজাতকে পড়ে থাকতে দেখে মায়া হয়। সদ্যোজাত যদি আমার কাছে থাকে, তাহলে আপত্তি নেই। খুরশিদের স্ত্রী বলেন, নিজের সন্তানের মতো ফুটফুটে শিশুটিকে মানুষ করতে চাই। প্রধান রমাদেবী বলেন, কোনও মা বিপাকে পড়েই হয়তো এই অমানবিক কাজ করেছেন। এদিকে, দত্তপুকুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  প্রতীকী চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ