Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এখনই আসছে না নয়া স্ট্রিপ, বিলে দেখাতে হবে নতুন দাম, ৫ থেকে ১১ শতাংশ দাম কমছে ওষুধের

আজ ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার থেকে দেশজুড়ে কমছে ওষুধের দাম। সর্বোচ্চ খুচরো মূল্যে সর্বনিম্ন ৪.৭৭ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১১.০২ শতাংশ দাম কমছে।

এখনই আসছে না নয়া স্ট্রিপ, বিলে দেখাতে হবে নতুন দাম, ৫ থেকে ১১ শতাংশ দাম কমছে ওষুধের
  • ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার থেকে দেশজুড়ে কমছে ওষুধের দাম। সর্বোচ্চ খুচরো মূল্যে সর্বনিম্ন ৪.৭৭ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১১.০২ শতাংশ দাম কমছে। ওষুধ শিল্পমহল সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া জিএসটি সংস্কারের সুবাদে প্রায় ৯৫ শতাংশ ওষুধের ক্ষেত্রেই জিএসটি ১২ শতাংশ থেকে কমে হচ্ছে ৫ শতাংশ। বাকি প্রায় ৫ শতাংশ ওষুধের জিএসটি ৫ শতাংশ থেকে কমে হচ্ছে শূন্য।এছাড়াও যৎসামান্য কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে জিএসটি আরও কমছে। সেইসব ওষুধের ক্ষেত্রে জিএসটি ১৮ শতাংশ থেকে কমে হচ্ছে ৫ শতাংশ এবং ১২ শতাংশ থেকে কমে হচ্ছে শূন্য। আক্ষরিক অর্থে ৭, ৫, ১৩ বা ১২ শতাংশ জিএসটি কমলেও ক্রেতারা এর সুবিধা পাবেন ওষুধভেদে যথাক্রমে ৬.২৫, ৪.৭৭, ১১.০২ এবং ১০.৭২ শতাংশ। 

Advertisement

দোকানদার মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, নয়া জিএসটি কার্যকর হলে প্রতি ১ হাজার টাকার ওষুধে আগের থেকে ৮০ থেকে ১০০ টাকা খরচ কমবে। 
তাই বা কম কীসের? বলছিলেন নিউটাউনবাসী সিনিয়র আইটি পেশাদার ময়ূখ চক্রবর্তী বললেন, আমার বা পরিবারের প্রতিমাসে রুটিন ওষুধপত্র কিনতে হয় না। কিন্তু বিপদেআপদে ডাক্তার দেখালে তখন তো হাজার হাজার টাকার ওষুধ কিনতেই হয়। প্রতি হাজারে ৮০-১০০ টাকা মাসে গড়ে ৮-১০ শতাংশ। তাছাড়া ভর্তি হতে হলে হাসপাতালে ফার্মাসির বিলেও কিছুটা রেহাই পাব বলে আশা রাখি।
সিনিয়র রেলকর্মী সাঁতরাগাছির গৌতম পাত্র বলেন, ভালোই হল। গড়ে প্রতি মাসে আমার ও বোনের জন্য চার হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়। নয়া জিএসটি কার্যকর হলে অনেক টাকা বাঁচবে। তবে নীতি নির্ধারকদের আমার একটা প্রশ্ন আছে। ওষুধের মতো অপরিহার্য পণ্যে আপনারা এতদিন এত চড়া জিএসটি রেখেছিলেন কেন? আর এখনই-বা ৫ শতাংশ জিএসটি বজায় রাখলেন কেন? ওষুধের জিএসটি শূন্য হবে—সেটাই স্বাভাবিক। এর সঙ্গে জিএসটি কমালাম, মানুষকে দয়া দাক্ষিণ্য করলাম, এর কোনও সম্পর্কই নেই।
দেশজুড়ে ওষুধের দামের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইজিং অথরিটি (এনপিপিএ) সূত্রে জানা গিয়েছে, তবে এখনই নতুন দামের প্রিন্ট নিয়ে ওষুধ আসছে না। তা হতে হতে প্রায় তিনমাস সময় লাগবে। ততদিন ওষুধ নিমার্তারা নতুন ওষুধ আনলে তাতে নয়া দামের স্টিকার ফেলতে পারবেন। তবে ওষুধের খুচরো এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা পুরোনো স্টকের ওষুধ বেচলে, নয়া জিএসটির নিয়ম মেনে নতুন দামে বেচতে হবে। সেই দাম বিলে দেখাতে হবে। তারা স্টিকার দিতে পারবেন না ওষুধের স্ট্রিপে। শহরের অন্যতম বড় ওষুধ চেইনের কর্ণধার সোমনাথ ঘোষ বলেন, আজ সোমবার থেকে আমাদের এক নতুন পরীক্ষা। ক্রেতারা যাতে সরকার নির্ধারিত নতুন দামে ওষুধ পায়, তা দেখতে এবং মাথা ঠান্ডা করে প্রয়োজনে মানুষকে বোঝাতে বলেছি কর্মীদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ