Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে নিউ মার্কেট! ভোল বদলাতে ব্যয় ২৬ কোটি টাকা

বিগত ১৫০ বছরের স্মৃতি বিজড়িত কলকাতার নিউ মার্কেট।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে নিউ মার্কেট! ভোল বদলাতে ব্যয় ২৬ কোটি টাকা
  • ১৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিগত ১৫০ বছরের স্মৃতি বিজড়িত কলকাতার নিউ মার্কেট। ১৮৭৪ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন কলকাতা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান স্যর স্টুয়ার্ট হগের হাত ধরে গড়ে উঠেছিল এই মার্কেট। এই ঐতিহাসিক মার্কেটের বর্তমান অবস্থা নিয়ে চিন্তিত সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বাজার সংস্কারের দাবি বারবার তুলে আসছেন। তাই অগ্রাধিকার সহকারে নিউ মার্কেট সংস্কারের জন্য ২৬ কোটি ১৮ লক্ষ ২৪৩ টাকা বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে বলে সোমবার বিধানসভায় জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এই কাজ কীভাবে করা হবে, তার সুনির্দিষ্ট দিশা পেতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে একটি সমীক্ষা করানো হচ্ছে বলেও জানান ফিরহাদ।

Advertisement

সোমবার রাজ্য বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে কলকাতার নিউ মার্কেটের সংস্কার নিয়ে কোনও পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চান কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার। এর জবাবে নিউ মার্কেট ও সংলগ্ন এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন পুরমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে ওই চত্বরে হকারের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কেটের ভিতরে কী কী সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে সমীক্ষা হচ্ছে। সমীক্ষার রিপোর্ট হাতে নিয়ে সংস্কারের কাজে নামা হবে। অতিরিক্ত প্রশ্ন করতে গিয়ে অপূর্ববাবু জানান, কাজের সূত্রে তিনি মাঝেমধ্যেই নিউ মার্কেট চত্বরে যান। সম্প্রতি সেখানকার বেশ কিছু ব্যবসায়ী তাঁর কাছে জানতে চান, নিউ মার্কেট কি পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে? তাহলে ক্রেতাদের অনেক সুবিধা হবে। গরমে হাঁসফাঁস করতে হবে না। এ প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, ‘নিউ মার্কেটে ক্রেতাদের যাতে কোনওরকম সমস্যায় না পড়তে হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।’ তাঁর এই বক্তব্যের পর সংশ্লিষ্ট মহল আশাবাদী যে আগামী দিনে নিউ মার্কেট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে শুধু নিউ মার্কেট নয়, কলকাতা এবং তার আশপাশের এলাকায় জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা বাজার বা মার্কেট কমপ্লেক্সগুলি নিয়েও যে তাঁরা যথেষ্ট চিন্তিত, স্পষ্ট করে দিয়েছেন ফিরহাদ। তাঁর কথায়, ‘বিভিন্ন পুরসভার অধীনস্থ বাজারগুলির সংস্কারের জন্য সবরকম ব্যবস্থা করছে রাজ্য। যেমন, পার্ক সার্কাস বাজার, বাঁশদ্রোণী বাজার, ল্যান্সডাউন মার্কেট সহ বেশ কয়েকটি বাজার সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বেসরকারি বাজারগুলির সংস্কারের বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। কারণ, মানুষ যাতে নিরাপদে বাজারহাট করতে পারে, তা দেখার দ্বায়িত্বও রাজ্যের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ