Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

গত এক বছরে কমেছে নতুন লাইন পাতার কাজ, আরটিআইয়ের জবাবে জানাল রেল

দেশজুড়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে গেজ পরিবর্তন এবং ডবলিংয়ের সংখ্যা। কিন্তু মাত্র এক বছরের ব্যবধানে লক্ষণীয়ভাবে কমে গিয়েছে দেশজুড়ে নতুন রেল লাইন পাতার কাজ।

গত এক বছরে কমেছে নতুন লাইন পাতার কাজ, আরটিআইয়ের জবাবে জানাল রেল
  • ২৬ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে গেজ পরিবর্তন এবং ডবলিংয়ের সংখ্যা। কিন্তু মাত্র এক বছরের ব্যবধানে লক্ষণীয়ভাবে কমে গিয়েছে দেশজুড়ে নতুন রেল লাইন পাতার কাজ। ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে সারা দেশে ২৭৭ কিলোমিটার নতুন লাইন পাতার কাজ করেছে মন্ত্রক। কিন্তু ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৯১ কিলোমিটারে। সম্প্রতি একটি আরটিআইয়ের জবাবে এহেন ছবি সামনে এসেছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, এসংক্রান্ত বিষয় জানতে চেয়ে সম্প্রতি তথ্য জানার অধিকার আইনে (আরটিআই) আবেদন করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা সমাজকর্মী চন্দ্রশেখর গৌড়। ওই আরটিআইয়ের জবাবে উল্লিখিত পরিসংখ্যান পেশ করেছে রেলমন্ত্রক। তাতে দেখা যাচ্ছে, নতুন রেল লাইন পাতা, গেজ পরিবর্তন এবং ডবলিং মিলিয়ে ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে মোট ১ হাজার ৬৫৩ কিলোমিটারের কাজ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯১৬ কিলোমিটারে। গেজ পরিবর্তন ৩৭ কিলোমিটার থেকে বেড়ে হয়েছে ১৯২ কিলোমিটার। ডবলিং ১ হাজার ৩৩৮ কিলোমিটার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ হাজার ৫৩৩ কিলোমিটার। কিন্তু নতুন রেল লাইন পাতার কাজ একধাক্কায় কেন এতটা কমিয়ে দেওয়া হল, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চর্চা শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে অবশ্য রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে মন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে খবর, ট্রেন চলাচলের সার্বিক পরিকাঠামোগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে কাজ চলছে।
সম্প্রতি বিহারের কিউল-ঝাঁঝাঁ রেলওয়ে শাখায় ৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ থার্ড লাইন তৈরির অনুমোদন দিয়েছে মোদি সরকার। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ৯৬২ কোটি টাকা। এই প্রকল্প দিল্লি থেকে বাংলামুখী রেল যাত্রীদের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ পূর্ব-মধ্য রেলের অন্তর্গত কিউল-ঝাঁঝাঁ রেলওয়ে শাখা দিল্লি-কলকাতা রুটের একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য সংযোগস্থল। দিল্লি-কলকাতা রেলপথ এমনিতেই ‘হাই ডেনসিটি নেটওয়ার্ক’ (এইচডিএন) হিসাবে চিহ্নিত। অর্থাৎ, এই রেলপথে ট্রেন চলাচলের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত বেশি। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, বিহারের অনুমোদিত সংশ্লিষ্ট থার্ড লাইনের কাজ শেষ হলে দিল্লি-কলকাতা রেল রুটে ট্রেনের ‘ভিড়’ লক্ষণীয়ভাবে কমে যাবে। যার সুবিধা পাবেন রেল যাত্রীরা। পাশাপাশি, পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও ট্রেনের গতি আগের তুলনায় বৃদ্ধি পাবে।

সম্পর্কিত সংবাদ