নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়া পুরসভার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে চালু হল হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার। এর ফলে উপকৃত হবে পার্শ্ববর্তী পাঁচটি ওয়ার্ড। এর পাশাপাশি নির্মীয়মাণ সেন্টারগুলির কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুরসভা। শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে সেন্টার চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্দিষ্ট করেছে তারা।
সোমবার হাওড়া পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চারবছরের কার্যকালের মেয়াদ সম্পূর্ণ হয়েছে। পুরসভার কাজ নিয়ে ম্যাগাজিন প্রকাশ হয়েছে এদিন। পদ্মপুকুর ট্রিটমেন্ট প্লান্টের কাছে উদ্বোধন হয়েছে নয়া হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারের। উপস্থিত ছিলেন পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী, হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ কিশলয় দত্ত, দক্ষিণ হাওড়ার বিধায়ক নন্দিতা চৌধুরী প্রমুখ।
এই সেন্টার সকাল ন’টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি ওষুধ পাবেন বাসিন্দারা। পরবর্তীকালে এটিকে পলিক্লিনিকে পরিণত করার চিন্তাভাবনা করছে পুরসভা। পুরসভার মুখ্য প্রশাসক বলেন, ‘আগামী দিনে শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার থাকবে। পুরসভার সমস্ত ইউপিএইচসি’র উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি হবে।’ এই মুহূর্তে হাওড়া শহরে ১৬টি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার ও ১৯টি আরবান প্রাইমারি হেলথ সেন্টার আছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর পর টিকিয়াপাড়ার সেন্টার চালু হবে। ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সেন্টার তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে। ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাইমারি হেলথ সেন্টারের পরিকাঠামো বৃদ্ধির কাজ চলছে। শহরের অংশ হলেও কোনা আমবাগান এলাকায় স্বাধীনতার এত বছর পরও গড়ে ওঠেনি কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সেখানেও দ্রুত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি পুরসভার।