সন্দীপন দত্ত, মালদহ: সরকারি হাসপাতালগুলিতে মাঝেমধ্যে পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমন অভিযোগ ওঠা একেবারে বন্ধ করতে তত্পর স্বাস্থ্য প্রশাসন।
সন্দীপন দত্ত, মালদহ: সরকারি হাসপাতালগুলিতে মাঝেমধ্যে পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমন অভিযোগ ওঠা একেবারে বন্ধ করতে তত্পর স্বাস্থ্য প্রশাসন।
ইন্ডিয়ান পাবলিক হেলথ স্ট্যান্ডার্ড (আইপিএইচএস) অনুযায়ী, এবার মালদহের প্রত্যেকটি ব্লক হাসপাতালে এসেনসিয়াল ড্রাগ লিস্ট (ইডিএল) বা জরুরি ওষুধের তালিকা মেনে পর্যাপ্ত যোগান রাখার নির্দেশ জারি হয়েছে। হাসপাতালে যাতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ না থাকে, তা নিশ্চিত করতে মাসে দু’বার করে ব্লক স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছ থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি বলেন, এখন থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ আছে কি না, মাসে দু’বার নিজ নিজ হাসপাতালের ফার্মাসিস্টদের কাছ থেকে তালিকা নেবেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে,জরুরি ওষুধের সংখ্যা এখন আগের থেকে অনেক বেড়ে গিয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তর জরুরি ওষুধের একটি নতুন তালিকা তৈরি করেছে। যেখানে ৪৮৬ রকমের ওষুধ রয়েছে। এখন থেকে ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সহ প্রত্যেকটি সরকারি হাসপাতালে এই ওষুধ শুধু মজুত রাখলেই হবে না, মেয়াদ উত্তীর্ণ হল কি না, তা নিয়মিত খেয়াল রাখতে হবে।
মালদহ জেলার এক স্বাস্থ্যকর্তা জানান, প্রায় পাঁচশো রকমের জরুরি ওষুধ প্রত্যেকটি ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মজুত রাখা হবে। মালদহ মেডিকেল কলেজ ছাড়াও গাজোলে একটি স্টেট জেনারেল হাসপাতাল ও চাঁচলে একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে। বিপুল ওষুধ ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কোথাও যাতে রোগীকে ভুলবশত মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়া না হয়, সেটা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক টিবি রোগীকে একটি সরকারি হাসপাতাল থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়া হয়। বিষয়টি নজরে পড়তেই হইচই শুরু হয়। তারপরেই ওষুধের বিষয়টি নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে।