Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

একসঙ্গে লড়াইয়ের ডাক নতুন জেলা সভাপতির, নির্বাচনের আগে বিভেদ ভোলার বার্তা তৃণমূলের

একসঙ্গে লড়াইয়ের ডাক নতুন জেলা সভাপতির, নির্বাচনের আগে বিভেদ ভোলার বার্তা তৃণমূলের
  • ৩১ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সভাপতি বদলের পর এই প্রথম বিষ্ণুপুরে সাংগঠনিক জেলাস্তরের সমস্ত নেতৃত্বকে নিয়ে শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের বৈঠক হয়। নতুন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্তের নেতৃত্বে শহরের যদুভট্ট মঞ্চে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি বিভেদ ভুলে একযোগে লড়াইয়ের বার্তা দেন। আগামী বিধানসভা ভোটে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত ৬টি কেন্দ্রেই ঘাসফুল ফোটানোর লক্ষ্যে এখন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায়। বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর ও বড়জোড়ার বিধায়ক যথাক্রমে তন্ময় ঘোষ, হরকালী প্রতিহার ও অলোক মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও জেলা, ব্লক ও পুরসভা স্তরের সমস্ত নেতৃত্ব এদিনের বৈঠকে যোগ দেন। 

Advertisement

সুব্রতবাবু বলেন, এদিনের বৈঠকে বিগত সবকিছু ভুলে এগিয়ে চলার ডাক দিয়েছি। অর্থাৎ পুরানো দ্বন্দ্ব মনোমালিন্য ভুলে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। তার অন্যথা হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। ২০২৬ সালে আমি বিষ্ণুপুরের ছ’টি সিট তুলে দিয়ে তার মর্যাদা রাখব। কোনওরকম দলবাজি বরদাস্ত করা হবে না। 
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার অধীনে থাকা ৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি বিরোধীদের দখলে চলে যায়। যদিও পরে বিষ্ণুপুর ও কোতুলপুরের দুই বিধায়ক তন্ময় ঘোষ এবং হরকালী প্রতিহার তৃণমূলে যোগ দেন। এছাড়াও ২০১৯ এবং ২০২৪ সালে দু’টি লোকসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর কেন্দ্রটি বিজেপির দখলে আসে। এলাকায় এত উন্নয়ন করা সত্ত্বেও বিষ্ণুপুরের মানুষ কেন তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে বারবার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভাবিয়ে তুলেছে। সেজন্য বারবার সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বদল করা হয়েছে। প্রথমে অলোক মুখোপাধ্যায়, পরে বিক্রমজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে সভাপতি করা হয়েছে। তবে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুবশক্তির উপর ভরসা করেছেন। সেজন্য বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক যুব সভাপতি সুব্রত দত্তকে দলের সাংগঠনিক সভাপতি করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ